জিলাপি
রন্ধনপ্রণালী সূচিপত্র | রন্ধনপ্রণালী | [[:বিষয়শ্রেণী:|]] [[বিষয়শ্রেণী:|জিলাপি]] | মিষ্টান্ন
| জিলাপি | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন প্রস্তুতপ্রণালী |
| পরিবেশন | ৬ জন |
| তৈরির সময় | ৪০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
জিলাপি বা জিলিপি এক মজার মিষ্টি খাবার। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে যথা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশে এই মিষ্টান্নটি জনপ্রিয়। বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনো এলাকা নেই যেখানে জিলাপি পাওয়া যায় না।
জিলাপির সর্বাধিক পুরনো লিখিত বর্ণনা পাওয়া যায় মুহম্মদ বিন হাসান আল-বোগদাদীর লিখিত ১৩'শ শতাব্দীর রান্নার বইতে, যদিও মিসরের ইহুদিরা এর আগেই খাবারটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিল। ইরানে এই মিষ্টান্ন জেলেবিয়া নামে পরিচিত, যা সাধারণর রমযান মাসে গরীব-মিসকিনদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানরা জিলাপি নিয়ে আসে। বাংলাদেশে রমজান মাসে ইফতারিতে এটি একটি জনপ্রিয় খাবার।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| মাষকলাই-এর ডাল | ২৫০ গ্রাম |
| চালের গুড়া | ১/৪ কাপ |
| ময়দা | ১/৪ কাপ |
| চিনি | ৩ কাপ |
| ঘি | পরিমাণমতো (ভাজার জন্য) |
| পানি | দুই কাপ |
| গোলাপজল | ১ টেবিল চামচ (ইচ্ছানুসারে) |
| জাফরান | অল্প |
| বেসন | ২ টেবিল চামচ |
| ইষ্ট | ১ টেবিল চামচ |
প্রস্তুতপ্রনালী
[সম্পাদনা]আটা, বেসন এবং ইষ্ট এর আঠালো মিশ্রণ কে এককেন্দ্রিক ভাবে ২ বা ৩ প্যাচ দিয়ে গরম তেলের উপর ফেলা হয়। বেশ ভাজা হয়ে গেলে আগে থেকে বানানো চিনির রসেতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে বানানো হয় জিলাপি। জিলাপি তৈরির জন্য প্লাস্টিকের সসের বোতলে জিলাপির ব্যাটার ঢুকিয়ে জিলাপি তৈরি করলে অনেক বেশি সোজা হয়।
পরিবেশন
[সম্পাদনা]জিলাপি সাধারণভাবে গরম গরম পরিবেশিত হয়।