রসগোল্লা
অবয়ব
| রসগোল্লা | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | ৪–৫ জন |
| খাদ্য শক্তি | প্রতি পিসে প্রায় ১২০ ক্যালোরি |
| তৈরির সময় | ৩০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | চিনির পরিমাণ ও সসের ঘনত্ব অনুযায়ী ক্যালোরি ভিন্ন হতে পারে |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
রসগোল্লা
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| গরুর দুধ | ১ লিটার |
| লেবুর রস বা ভিনেগার | ২ টেবিল-চামচ |
| ঠাণ্ডা পানি | আধা কাপ |
| চিনি | ১ কাপ |
| পানি | ৪ কাপ |
| গোলাপ জল | ১ চা-চামচ (ঐচ্ছিক) |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে দুধ একটি বড় পাত্রে জ্বাল দিন।
- ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে ধীরে ধীরে লেবুর রস বা ভিনেগার যোগ করুন।
- দুধ ফেটে ছানা ও পানি আলাদা হলে চুলা বন্ধ করুন এবং একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন যাতে টক ভাব চলে যায়।
- ছানাটি ভালোভাবে ছেঁকে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে ৩০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখুন।
- এরপর ছানাটি একটি সমতল জায়গায় নিয়ে হাতে মেখে মসৃণ ও নরম করে নিন (প্রায় ৮–১০ মিনিট)।
- মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট গোল বল বানিয়ে নিন খেয়াল রাখবেন বলগুলো যেন না ফাটে।
মালাই/সিরা তৈরি
[সম্পাদনা]- অন্য একটি পাত্রে ৪ কাপ পানি ও ১ কাপ চিনি দিয়ে ফুটতে দিন।
- ৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে একটি পাতলা সিরা তৈরি করুন।
- সিরা ফুটতে থাকলে তাতে রসগোল্লার বলগুলো আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন।
- ঢেকে মাঝারি আঁচে ১৫–২০ মিনিট রান্না করুন — রসগোল্লাগুলো দ্বিগুণ হয়ে উঠবে।
- চুলা বন্ধ করে গোলাপ জল ছিটিয়ে দিন।
পরিবেশন
[সম্পাদনা]খাবারের পর মিষ্টান্ন হিসেবে ঠাণ্ডা বা গরম রসগোল্লা পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- দুধ ভালো মানের গোয়ালার হলে ছানা নরম ও মসৃণ হবে।
- ছানা মাখার সময় একটু ধৈর্য ধরে মাখলে রসগোল্লা মোলায়েম হয়।
- রসগোল্লা বানানোর সময় ঢাকনা পুরোপুরি লাগিয়ে রাখতে হবে যাতে ভেতরের ভাপ ঠিক থাকে।
