উইকিশৈশব:সৌরজগৎ/বুধ

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
সৌরজগৎ

ভূমিকা
আমাদের সৌরজগৎ
সূর্য
বুধ
শুক্র
পৃথিবী
চাঁদ
মঙ্গল
গ্রহাণুপুঞ্জ
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস
নেপচুন
প্লুটো
ধূমকেতু
কুইপার বেষ্টনী
উর্ট মেঘ
পরিভাষাকোষ
পরীক্ষা

মেসেঞ্জার মহাকাশযান থেকে গৃহীত বুধ গ্রহের ছবি


বুধগ্রহ কি?[সম্পাদনা]

Mercury symbol.svg বুধগ্রহের তথ্য
  • বুধ সূর্যের চারিদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে অন্য যে কোন গ্রহের তুলনায় অধিক দ্রুত আবর্তিত হয়।
  • বুধের পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা -১৮০° সেন্টিগ্রেড (-৩০০° ফারেনহাইট) থেকে ৪৩০° সেন্টিগ্রেড (৮০০° ফারেনহাইট) পর্যন্ত হেরফের হতে পারে। পৃথিবীতে রেকর্ড (নথিভূক্ত) করা হয়েছে এমন সর্বাধিক তাপমাত্রা ছিল ৫৮° সেন্টিগ্রেড (১৩৬° ফারেনহাইট)।
  • বুধের উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে বরফ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
  • প্রাচীন কালে রোমানরা তাদের গণনায় সপ্তাহের একটি দিনের নাম রেখেছিলেন বুধগ্রহ বা মার্কারির নামে। তাই নয় আজও বুধবারকে ফরাসি ভাষায় মারক্রেদি' ও স্পেনীয় ভাষায় মিয়েরকোলেস বলা হয়ে থাকে।

বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থিত গ্রহ। এটি একটি "শিলাময় গ্রহ"; যার অর্থ এই গ্রহটি পৃথিবীর মতোই ভৌম তথা‌ কঠিন শিলা দ্বারা নির্মিত। এর কোন বায়বীয় পরিবেশ না থাকায় আবহাওয়া অনুপস্থিত। বহুদিন যাবৎ শুধু মারিনার ১০ নামক মহাকাশযানটিই‌ বুধের দেখা পেয়েছিল। ২০০৮ জানুয়ারি মাসে মেসেঞ্জার নামক মহাকাশযান বুধকে অতিক্রম করে। এছাড়া এই মহাকাশযানটি বুধকে এখনো অবধি আরো দুইবার অতিক্রম করেছে এবং ২০১১ থেকে গ্রহটির চারদিকে নিরীক্ষণ শুরু করেছে।

বুধগ্রহ কত বড়?[সম্পাদনা]

পৃথিবীর সাথে বুধের আকারের তুলনা

বুধের বিস্তার ৪৮৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ। বুধের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের থেকে সামান্য কম। এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। একমাত্র প্লুটোর মত বামন গ্রহই বুধের চেয়ে আকারে ছোট। যেহেতু বুধ পৃথিবীর তুলনায় সূর্যের অধিক কাছাকাছি অবস্থান করে, তাই একমাত্র সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার পর মুহূর্তে অথবা ভোরে সূর্যোদয়ের প্রাকমুহুর্তে বুধকে দেখা যেতে পারে।

বুধগ্রহের পৃষ্ঠতল কী রকম?[সম্পাদনা]

বুধের পৃষ্ঠতলের দৃশ্য

পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের মত বুধেও একাধিক গর্তের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। বুধের পৃষ্ঠতলে প্রাপ্ত বৃহত্তম গর্তটি হল ক্যালোরিস বেসিন। এটি প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার প্রশস্ত। বড় আকারের কোন গ্রহাণুর সাথে বুধের সংঘর্ষে এই গর্তের সৃষ্টি। অনুমান করা হয় ওই গ্রহাণু প্রায় ১০০ কিলোমিটার প্রশস্ত ছিল, কিন্তু তা বুধের পৃষ্ঠতলে দৃঢ় আঘাত করার ফলে সৃষ্ট গর্তের আকৃতি ওই গ্রহণুর চেয়ে অধিক হয়।

এর পৃষ্ঠতলের একাধিক বড় গর্ত রয়েছে যা স্কার্পস বা খাত নামে পরিচিত। বহু বছর পূর্বে বুধ শীতলীকৃত হতে থাকলে এই খাতগুলির সৃষ্টি হয়। উপরিতল সংকুচিত হতে থাকে ফলে কিছু কিছু স্থানে তলকুঞ্চন দেখা যায়।

বুধ গ্রহের উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে বরফ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পৃথিবীর মতোই বুধের এই প্রান্তিক বিন্দু দুটি (মেরু বা "পোল" বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে) সূর্য থেকে তুলনামূলক কম উষ্ণতা গ্রহণ করে। কারণে ওই দুই অঞ্চলের বরফ গলার সম্ভাবনা কম।

সূর্যের অতিনিকটে অবস্থানের কারণে দিনের বেলায় বুধের তাপমাত্রা অধিক (৪০০° সেন্টিগ্রেডের বেশি) থাকে। আবার বুধে আবহাওয়ার অনুপস্থিতির কারণে এই গ্রহের পৃষ্ঠতল থেকে খুব দ্রুত উষ্ণতা হ্রাস পেতে থাকে ফলে রাত্রিবেলা অতিরিক্ত শীতল অনুভব হয়। পাতা -১৭৫° সেন্টিগ্রেডেরও নিচে নেমে যেতে পারে।

এই গ্রহে একদিনের দৈর্ঘ্য কত?[সম্পাদনা]

পৃথিবীর তুলনায় বুধ নিজের অক্ষের চারদিকে অত্যধিক ধীরগতিতে ঘূর্ণন সম্পন্ন করে। দূরবর্তী কোনো স্থির নক্ষত্র থেকে দেখলে বুধ নিজের অক্ষের চারদিকে ঘুরতে পৃথিবীর গণনায় ৫৮ দিন অতিবাহিত করে। উপরন্তু বুধ সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে অতি দ্রুত আবর্তন সম্পন্ন করার জন্য এর এক একটি দিন ৫৮ দিনের বেশি হয়। যদি কেউ বুধের নিরক্ষরেখা বরাবর একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে মধ্যাহ্ন থেকে সূর্যাস্ত, সূর্যাস্ত থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় এবং পরবর্তী মধ্যাহ্ন পর্যন্ত সময় গণনা করেন তবে এই আহ্নিক গতি সম্পন্ন হতে পৃথিবীর মোট ১৭৬ দিন সময় লাগবে। এইরূপ দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রাত গ্রহটির পৃষ্ঠতলের উষ্ণতায় এত পরিমাণ হেরফের লক্ষ্য করা যায়।

বুধগ্রহে এক বছরের ব্যপ্তি কত?[সম্পাদনা]

মারিনার ১০ থেকে প্রাপ্ত বুধের ছবি

সৌরজগতের গ্রহ গুলির মধ্যে বুধের এক বছর সবচেয়ে স্বল্প দৈর্ঘ্যের, যা পৃথিবীর ৮৮ দিনের সমান।

পূর্বে বিশ্বাস করা হতো বুধের একটি পার্শ্ব সব সময় সূর্যের মুখোমুখি থাকে। এই তথ্য সত্য হওয়ার জন্য বুধকে নিজের অক্ষের চারদিকে এবং নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে আবর্তন করতে সমপরিমাণ সময় নিতে হবে। সুক্ষ্ম বিচারের পর্যালোচনা করে পরবর্তীকালে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া দিয়েছে যে বুধবার কক্ষপথের তুলনায় নিজ অক্ষের চারদিকে দ্রুত ঘূর্ণন সম্পন্ন করে থাকে। কক্ষপথের গতি এবং আহ্নিক গতির মিলত প্রভাবের ফলে বুধে একটি দিন (একটি সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়কাল) একটি বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সময়ব্যাপী হয়ে থাকে।

বুধগ্রহ কি দিয়ে নির্মিত?[সম্পাদনা]

বুধের কেন্দ্র অর্ধগলিত (তরল) অবস্থার লোহা দ্বারা গঠিত। কেন্দ্রে লৌহ পদার্থের উপস্থিতি প্রমাণিত হয় কারণ বুধ চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম। গ্রহের আয়তন অনুপাতে সৌরজগতের অন্যান্য সকল গ্রহের তুলনায় সর্বাধিক পরিমাণে লোহা রয়েছে বুধে। কেন্দ্র ব্যতীত বুধের বাকি অংশে রয়েছে কঠিন শিলাময় আবরণ, একটি বিশেষ ধরনের শিলা সিলিকেট রকস দ্বারা নির্মিত। দুই মেরুর দিকে রয়েছে একাধিক গর্ত যা প্রতিনিয়ত অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। কিছু গর্তে রয়েছে বরফ। বুধে একটি বড় আকারের গর্ত পরিলক্ষিত হয়েছে যা ক্যালোরিস বেসিন নামে পরিচিত। কোন গ্রহাণু বা ধুমকেতু বুধ পৃষ্ঠে পতনের পর লাভা বা গলিত শিলা ওই অংশে জমে তৈরি হয়েছে এই গর্ত। এই গর্তের গোলাকৃতি দেওয়াল দুই কিলোমিটারেরও বেশি উঁচু।

বুধের মাধ্যাকর্ষণ আমার ওপর কত পরিমাণ অভিকর্ষজ বল দেবে?[সম্পাদনা]

যদি তুমি বুধে অবস্থান করো তবে এটি তোমাকে পৃথিবীর তুলনায় অর্ধেকেরও কম পরিমাণ (৩৮%) অভিকর্ষজ বল প্রয়োগ করবে। একটি বস্তু যার পৃথিবীতে ওজন ১০০ পাউন্ড, বুধে তার ওজন হবে মাত্র ৩৮ পাউন্ড।

বুধগ্রহের আবিষ্কারক কে?[সম্পাদনা]

কম্পিউটার দ্বারা নির্মিত বুধের চারদিকে ম্যাসেঞ্জার মহাকাশযান আবর্তনের প্রতীকী চিত্র

বুধ গ্রহের উপস্থিতি আবিষ্কারক কে তথ্য সঠিক কারো জানা নেই কিন্তু প্রথম জানা নথিভূক্ত পর্যবেক্ষণ বলা যেতে পারে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে তথা খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর অ্যাসাইরিয়ার মাটির ট্যাবলেট। সম্ভবত এটিই ছিল বুধের গতিবিধি সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল নিবন্ধ আকার। এই ট্যাবলেট গুলিতে বুধকে (ভাষান্তরে) দ্য জাম্পিং প্লানেট বলে অভিহিত করা হয়েছে। প্রায় সমস্ত প্রাচীন সভ্যতায় বুধের আলাদা আলাদা নিজস্ব লিখিত নিবন্ধিত নাম রয়েছে।

১৬৩৯ সালে এক ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী গিওভান্নি জুপি লক্ষ্য করেন পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার জন্য চাঁদের যেমন চন্দ্রকলা তৈরি হয় বুধেরও ঠিক তেমনিই সূর্যের চারদিকে ঘোরার কারণে একাধিক পর্যায় রয়েছে। এই তথ্য প্রমাণ করে সূর্যের চারদিকে বুধের একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ অবশ্যই রয়েছে, এই ধারণাটি ছিল সেই সময়ে একেবারে নতুন পর্যবেক্ষণ, যদিও তার এক শতাব্দী পূর্বে জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপার্নিকাস অনুরূপ ধারণার সূত্রপাত করেছিলেন।

বিংশ শতাব্দীর পূর্বে প্রতিটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীর কাছে বুধের আর্নিক এবং বার্ষিক গতি সম্বন্ধীয় একাধিক জিজ্ঞাস্য অস্পষ্ট ছিল। ১৯৬২ সালে কিছু জ্যোতির্বিজ্ঞানী এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বুধে রাডার সিগনাল প্রেরণ করেন, যা ৫৯ দিন পর আমার পৃথিবীপৃষ্ঠে ফেরত আসে, অর্থ বুধঃ সূর্যের চারদিকে আবর্তিত হতে ৫৯ দিন অতিবাহিত করে।

যেহেতু বুধ সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এবং পৃথিবীর তুলনায় এই গ্রহটি সূর্যকে অধিক দ্রুত আবর্তন করে তাই পৃথিবী থেকে বুধে কোনো স্পেস প্রোব (মহাকাশ পরীক্ষক যান) প্রেরণ করা সহজ কাজ নয়। কোন স্পেস প্রোবকে বুধের চারিদিকে ঘোরার জন্য বুধের মাটিতে অবস্থান করার জন্য বুধের গতিতে ওই প্রোবটিকে ক্রমধাবমান করবার প্রয়োজন ছিল যা অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ সাপেক্ষ। ১৯৭৩ সালে দুধের গঠন পরিমাপ এবং এর পৃষ্ঠতলের অনুমান পাওয়ার জন্য মারিনার ১০ স্পেস প্রোব পাঠানো হয়। যেহেতু বুধকে প্রদক্ষিণ করা যথেষ্ট ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়াবে তাই এই মহাকাশ পরীক্ষক যান বুধের বদলে সূর্যের চারদিকে ঘোরা শুরু করে ও যতবার এটি বুধের নিকটতম অবস্থানে আসে ততবার ছবি সংগ্রহ করতে থাকে। দুর্ভাগ্যবশত বুধের ৪৫% পৃষ্ঠতলের চিত্রাঙ্কণ করার পর মারিনার ১০-এর জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। তবে একটি বুধের লৌহসমৃদ্ধ কেন্দ্র এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালে মেসেঞ্জার নামে আরেকটি প্রোব উৎক্ষেপণ করা হয়। মেসেঞ্জারের উদ্দেশ্য ছিল বুধের উপরিতল, মহাকাশ পরিবেশ, ভূ-রসায়ন ও গ্রহ সংক্রান্ত শ্রেণীবিন্যাসের বিভিন্ন তথ্য প্রেরণ করা। মেসেঞ্জার একটি বিশেষ জটিল পথে অধিক জ্বালানি খরচ না করে ধীরে ধীরে বুধের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজের গতি বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রাখে। এটি বুধকে এখন অবধি তিনবার অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে ও উৎক্ষেপণের ৬ বছরের মধ্যে বুধের কক্ষপথের চারদিকে অবস্থান করতে সফল হয়েছে। ২০১৩ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মেসেঞ্জার বুধের উপরিতলের ১০০% চিত্রাঙ্কন করতে পেরেছে।

কার নামে বুধগ্রহের নামকরণ করা হয়েছে?[সম্পাদনা]

মার্কারি দেবতার মূর্তি

রোমের পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে মার্কারি (বুধের ইংরেজি নাম) বা লাতিনে মারকিউরিয়াস ছিলেন দেবতাদের বার্তাপ্রেরক বা দূত। তার পরিধানে ছিল একটি টুপি এবং ডানা সহ একজোড়া পাদুকা, যা মার্কারির বিশ্বব্যাপী দ্রুত ভ্রমণে সহায়ক ছিল। বুধ গ্রহের ইংরেজি নাম এই মার্কারির নামে করা হয় কারণ সৌরজগতে এই গ্রহ সবচেয়ে দ্রুত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। গ্রহটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। (খুব স্বাভাবিকভাবেই রোমানরা এই তথ্য জানতেন না কিন্তু তারা আকাশে বুধের দ্রুতগতি চাক্ষুষ করেছিলেন) গ্রীকরা এই ব্যবস্থাকে হার্মিস বলতেন।

পরবর্তী বিষয়: শুক্র

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

NASA's Solar System Exploration[১]
Arnett, Bill. The Nine Planets[২]
Worldbook Online [৩]
Worldbook@NASA, "Mercury"[৪]
NASA Planetary Fact Sheet [৫]
Hamilton, Calvin J. . Solarviews.com, "Mercury" [৬]
Encyclopedia Mythica, "Mercury" [৭]
Col, Jeananda. Enchanted Learning/Zoom Astronomy [৮] 1998-2005
Usborne Internet-Linked Science Encyclopedia, Usborne Publishing Ltd. আইএসবিএন 0794503314[৯]
Dickinson, Terrence. The Universe and Beyond . Firefly Books আইএসবিএন 1552093611