উইকিশৈশব:সৌরজগৎ/গ্রহাণুপুঞ্জ

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
Asteroid belt between Mars & Jupiter.PNG

মঙ্গল এবং বৃহষ্পতি গ্রহের মধ্যে গ্রহাণুপুঞ্জের বলয় অবস্থিত। এই বলয়ের মধ্যে গ্রহের তুলনায় অনেক ছোট পাথরখণ্ড এবং ধাতু রয়েছে। এই পাথরখণ্ডগুলিকে গ্রহাণুপুঞ্জ বা ছোট গ্রহ বলা হয়। এগুলি পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অনেকগুলিকে দূরবীন বা ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের (টেলিস্কোপ) মাধ্যমে দেখা যেতে পারে।

গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ে সবচেয়ে বড় গ্রহাণুগুলি
বস্তুর
নাম
সর্বাধিক
আকার
১ সেরেস ৯৩৩ কিমি
৪ ভেস্টা ৫৩০ কিমি
২ প্যালাস ৫২৫ কিমি
১০ হাইজিয়া ৪০৭ কিমি
৫১১ ডেভিডা ৩২৬ কিমি

সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহাণুটির নাম "২০০১ কেএক্স৭৬"। গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ে, চারটি বৃহত্তম গ্রহাণু হল সেরেস (রোমান কৃষি দেবীর নামে একটি বামন গ্রহ), ভেস্টা (রোমান গৃহ দেবী), প্যালাস (পোসেইডনের নাতনী), এবং হাইজিয়া (গ্রীক স্বাস্থ্যের দেবী)। এই চারটি গ্রহাণু, গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের প্রায় অর্ধেক অংশ নিয়ে গঠিত।

কিছু গ্রহাণু দৈর্ঘ্য প্রস্থে এক কিলোমিটারেরও কম। অনানুষ্ঠানিকভাবে ৫০ মিটারের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, এবং এর চেয়ে ছোট যে কোন কিছুকে কেবল উল্কা বলা হবে। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের অগ্রগতির সাথে এবং বিশেষ করে পৃথিবীর কাছাকাছি ঘুরে বেড়ানো বস্তুগুলির ক্ষেত্রে, ৫০ মিটারের চেয়ে ছোট কিছু বস্তু প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর কাছ দিয়ে যেতে দেখা গেছে।

সৌরজগতে সম্ভবত কয়েক লক্ষ গ্রহাণু রয়েছে। ৯৬,০০০ এরও বেশি গ্রহাণুকে সংখ্যা দিয়ে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ১২,০০০ এর নাম রয়েছে। কিন্তু যদিও অনেক গ্রহাণু আছে, গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। বিজ্ঞান কল্প কাহিনী চলচ্চিত্রগুলিতে যেমন দেখানো হয়, একটি মহাকাশ জাহাজে গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করা একেবারেই তেমন নয়। সৌরজগতের ইতিহাসের প্রথম ১০০০ লক্ষ বছরের মধ্যেও এটি একরকম হবে না (যদি মানুষ বিবর্তিত হয় এবং চলচ্চিত্র আবিষ্কার করে)। সৌরজগতের প্রথম ১০ কোটি বছরে গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় তার ভরের ৯৯.৯৯% হারিয়ে ফেলেছে।

সৌরজগৎ

ভূমিকা
আমাদের সৌরজগৎ
সূর্য
বুধ
শুক্র
পৃথিবী
চাঁদ
মঙ্গল
গ্রহাণুপুঞ্জ
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস
নেপচুন
প্লুটো
ধূমকেতু
কুইপার বেষ্টনী
উর্ট মেঘ
পরিভাষাকোষ
পরীক্ষা

তাদের নাম কিসের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে?[সম্পাদনা]

প্রধান গ্রহগুলির মতই, প্রথম গ্রহাণুগুলির নামকরণ করা হয়েছিল পৌরাণিক নায়ক এবং দেবতাদের নামে। প্রথম আবিষ্কৃত গ্রহাণুর নাম দেওয়া হয়েছিল রোমানদের ফলন্ত উদ্ভিদের (বিশেষত শস্য) দেবতা এবং মাতৃস্নেহপূর্ণ সেরেস এর নামে। দ্বিতীয় আবিষ্কৃত গ্রহাণুটির নাম ছিল প্যালাস এবং জ্ঞানের এক গ্রিক দেবতার নামে এর নামকরণ করা হয়েছিল। গ্রহাণুগুলিকে তাদের আবিষ্কারের ক্রম অনুসারে একটি করে সংখ্যাও দেওয়া হয়েছে, তাই সেরেস হল ১, প্যালাস ২, এবং এইরকম আরও।

পরিচিত গ্রহাণুর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে, পৌরাণিক নামের তালিকা শেষ হয়ে যায়। তাই পরিবর্তে অন্যান্য নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। কিছু গ্রহাণুর নাম দেশের নামে রাখা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ ১৩৬ গ্রহাণুটির নাম অস্ট্রিয়া। অন্যদের উদ্ভিদের নামেও নামকরণ করা হয়েছিল, উদাহরণস্বরূপ ৯৭৮ এর নাম পিটুনিয়া। গ্রহাণু ১৬২০র নামকরণ করা হয়েছিল জিওগ্রাফোস, এটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির নামানুসারে, সৌরজগৎ সম্পর্কে জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ। অনেকগুলিরই নামকরণ করা হয়েছে জীবিত ও মৃত মানুষের নামে। কয়েকটি ক্ষেত্রে, যেমন ধরো ২৩৯০ মিস্টার স্পক, আবিষ্কারকের পোষা বিড়ালের নামে এই গ্রহাণুর নামকরণ করা হয়েছে। এই শেষ ধরনের নামকরণগুলিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল, কিন্তু এটি এখনও সময়ে সময়ে ঘটে। এমনকি নামকরণে কাল্পনিক চরিত্রও ব্যবহার করা হয়েছে।

বর্তমানে, গ্রহাণুগুলি যারা আবিষ্কার করে, নামকরণ তাদের দ্বারা প্রস্তাবিত হতে পারে। একটি গোষ্ঠী সেগুলি নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখে নিশ্চিত হয় যে নামগুলি আপত্তিকর নয় বা অন্য নামের মত নয়, তারপরেই নামগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে রাখা হয়। যেহেতু এখন অনেক গ্রহাণুর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে, বেশিরভাগ নতুন আবিষ্কৃত গ্রহাণু কোন নামও পাচ্ছে না, বরং একটি সংখ্যাযুক্ত সংকেত পাচ্ছে। কমপক্ষে এই শতাব্দীতে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হবে এমন সম্ভাবনা নেই।

প্রকৃত শব্দ গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড এই গ্রহাণু পরিবারের যেকোন সদস্যকে নির্দেশ করতে পারে; অন্য কথায়, একটি স্টারফিশ। শব্দটির ব্যুৎপত্তি প্রাচীন গ্রীক ἀστεροειδής শব্দ থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ নক্ষত্র গড়ন। প্রাচীন গ্রীকরা নিশ্চয়ই গ্রহাণুগুলোকে নক্ষত্র বলে ভুল করত।

বেশিরভাগ গ্রহাণুগুলির তাদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতীক রয়েছে; উদাহরণস্বরূপ, সেরেসের হল , এটি সেরেসের লম্বা হাতলওয়ালা কাস্তে গড়নের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং প্যালাসের আছে , এটি এথেনার বর্শাকে উপস্থাপন করে।

কে তাদের আবিষ্কার করেছে?[সম্পাদনা]

গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের স্বীকৃত সত্য:

১) গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের সমস্ত গ্রহাণুর মোট ভর আমাদের চাঁদের প্রায় ১/৩৫ ভাগ।

২) গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের সবচেয়ে বড় বস্তু, সেরেস, সমস্ত গ্রহাণুর মোট ওজনের প্রায় ১/৩ ভাগ ভর দিয়ে তৈরি।

৩) সেরেস গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের একমাত্র বামন গ্রহ।

৪) ভেস্টা একমাত্র গ্রহাণু যাকে কখনও খালি চোখে দেখা যায়। এর মাত্রা পৌঁছতে পারে +৫.১ পর্যন্ত, যেটি প্রায় ইউরেনাসের সমান।

    • যদিও মানুষ সম্ভবত হাজার বছর আগে ভেস্টা এবং ইউরেনাস দেখেছিল, তারা যে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে সেই তথ্যটি ২০০ বছর আগে পর্যন্ত স্বীকৃত ছিল না।

১৮০১ সালের ১লা জানুয়ারি, জ্যুসেপ্পি পিয়াজি ঘটনাচক্রেই প্রথম গ্রহাণু সেরেসকে আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ধূমকেতু, তারপরে ভেবেছিলেন এটি একটি গ্রহ! যখন উপলব্ধি করা গেল এটি খুব ছোট, স্যার উইলিয়াম হার্শেল (জ্যোতির্বিজ্ঞানী যিনি ইউরেনাস আবিষ্কার করেছিলেন) এটি বর্ণনা করার জন্য "গ্রহাণু" (অ্যাস্টেরয়েড) শব্দটি তৈরি করেছিলেন। তিনি ব্যবহার করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক শব্দ অ্যাস্টার, যার অর্থ তারা, এবং -অয়েড, যার অর্থ গড়ন বা আকৃতি। অন্য কথায় একটি নক্ষত্রের মতো গ্রহ, কারণ বস্তুটির ছোট আকারের কারণে তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কিছু দেখতে পাননি।

১৮০৭ সালের মধ্যে আরও ৩টি গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়, কিন্তু তারপর ১৮৪৫ সাল পর্যন্ত আর কিছু পাওয়া যায়নি। এরপর ১৮৪৭ সালে, এক অধ্যবসায়ী গ্রহাণু সন্ধানী কার্ল লুডভিগ হেনকে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ গ্রহাণু খুঁজে পান। তারপর থেকে প্রতি বছর অন্তত একটি নতুন গ্রহাণুর সন্ধান পাওয়া গেছে।

১৮৯১ সালে, আরও গ্রহাণু খুঁজে পেতে রাতের আকাশের প্রথম ছবি তোলা হয়েছিল। এর ফলে আরও অনেক গ্রহাণু আবিষ্কার করা গিয়েছিল। আকাশের একই অংশের ছবি দুটি ভিন্ন রাতে তোলা হয়। ছবি দুটি পাশাপাশি সারিবদ্ধ ভাবে রাখলে, দেখা যাবে তারাগুলি একই জায়গায় আছে কিন্তু গ্রহাণু সরে গেছে।

আমাদের আধুনিক যুগে, ২৮০,০০০ এরও বেশি গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে কিছু গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আমাদের গ্রহের কাছাকাছি আসা যেকোনো একটি গ্রহাণুকে দেখতে চান। যন্ত্রের সাহায্যে এখন বিপুল সংখ্যক গ্রহাণু আবিষ্কৃত হচ্ছে।

এগুলি কি দিয়ে তৈরি?[সম্পাদনা]

প্রতি চারটি গ্রহাণুর মধ্যে তিনটি কার্বন সমৃদ্ধ পাথর দিয়ে তৈরি। বাকিগুলি ধাতু লোহা এবং নিকেল দিয়ে তৈরি। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক বিশুদ্ধ লোহা এবং নিকেল; বাকিগুলি সিলিকার যৌগ মিশ্রিত, যে উপাদান দিয়ে পাথর তৈরি হয়। প্রতি বৃহৎ ধাতু গ্রহাণুতে প্রচুর পরিমাণে লোহা থাকে: পৃথিবীতে প্রতি বছর খনন করে যা পাওয়া যায় তার চেয়ে অনেক বেশি। উজ্জ্বলতম গ্রহাণু ভেস্টার একটি খুব অস্বাভাবিক মিশ্রণ রয়েছে - এটি উচ্চ ঘনত্বের আগ্নেয় শিলা দিয়ে তৈরি।

গ্রহাণুগুলি কী দিয়ে তৈরি তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা খুব আগ্রহী কারণ, সৌরজগৎ কীভাবে তৈরি হয়েছিল তা জানতে এটি তাদের সহায়তা করতে পারে। বেশ কয়েকটি মহাকাশযান গ্রহাণুগুলিকে পরিদর্শন করেছে তাদের সম্পর্কে আরও জানতে।

গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ের বাইরে কি গ্রহাণু আছে??[সম্পাদনা]

সমস্ত প্রধান গ্রহাণুগুলি সৌরজগতে গুচ্ছ বেঁধে থাকে। ছবিতে মনে হচ্ছে গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় গুচ্ছ বেঁধে আছে, কিন্তু ছবিতে এক মিলিমিটার শূন্যতার অর্থ লক্ষ লক্ষ কিলোমিটার শূন্যতা।

বেশিরভাগ গ্রহাণুই গ্রহাণুপুঞ্জ বলয়ে পাওয়া যায়, কিন্তু সবগুলি নয়। কিছু গ্রহাণু সূর্যের কাছাকাছি প্রদক্ষিণ করে, এবং অনেক গ্রহাণু প্রদক্ষিণ করে নেপচুনকে অতিক্রম করে। পৃথিবীর কাছাকাছি আসা গ্রহাণুগুলিকে বলা হয় পৃথিবী-নিকটস্থ গ্রহাণু। কখনও কখনও গ্রহাণুর টুকরো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত করে এবং উল্কার মত জ্বলে ওঠে। যদি সেগুলি যথেষ্ট বড় হয়, তারা পৃথিবী পৃষ্ঠে আঘাত করতে পারে এবং উল্কাপাত ঘটতে পারে।

ইডা গ্রহাণু এবং তার চাঁদ

সেনতোর হল একটি পৌরাণিক জন্তু যার দেহটি একটি ঘোড়ার মত এবং ঘোড়ার মাথা ও ঘাড়ের জায়গায় মানুষের মাথা এবং ধড় রয়েছে। সৌরজগতের বাইরের অংশে কিছু গ্রহাণু আছে যেগুলিকে সেনতোর বলা হয়। কোন সেনতোর একটি গ্রহাণু, ধূমকেতু বা কুইপার বলয় বস্তু কিনা তা বলা মুশকিল। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম আবিষ্কৃত সেনতোর ছিল চিরন (গ্রিক পুরাণে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সেনতোর)। কিন্তু কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন এটি একটি ধূমকেতু, গ্রহাণু নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে গ্রহাণু ২০৬০ চিরন এবং ধূমকেতু ৯৫পি/চিরন দুটিই বলা হয়!

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যখন একটি গ্রহাণুর কক্ষপথ বৃহস্পতির মতো গ্রহের পথ অতিক্রম করে, কোন এক সময় গ্রহাণুটি হয় গ্রহে আঘাত করবে অথবা অন্য কক্ষপথে নিক্ষিপ্ত হবে। কিছু গ্রহের ক্ষুদ্র চাঁদের অনেকগুলি হয়তো আগে গ্রহাণু ছিল যেগুলি খুব কাছাকাছি এসে গ্রহের মাধ্যাকর্ষণের টানে ধরা পড়েছিল। তবে একটি গ্রহের কক্ষপথে দুটি বিন্দু আছে যেখানে একটি গ্রহাণু নিরাপদে স্থির থাকতে পারে। এগুলি গ্রহের সামনের দিকে কক্ষপথের এক-ষষ্ঠ (বা ৬০°) বিন্দুতে পাওয়া যায়, এবং গ্রহের পিছনের দিকেও একই দূরত্বে থাকে। এই স্থানগুলিকে লাগ্রাঞ্জ বিন্দু বলা হয়, এবং এই স্থানগুলি সেইখানেই পাওয়া যায় যেখানে সূর্য এবং গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি গ্রহাণুর কক্ষপথের গতির সাথে ভারসাম্য রক্ষা করে। এই স্থানগুলিতে পাওয়া গ্রহাণুগুলিকে ট্রোজান বলা হয় এবং তারা সূর্যের চারপাশে গ্রহের মতো একই গতিতে ঘুরে বেড়ায়।

সেরেস[সম্পাদনা]

বামন গ্রহ সেরেস।

সেরেস গ্রহাণু ক্ষেত্রে অবস্থিত একটি বড় বামন গ্রহ, প্লুটোর মতই। সেরেস এবং অন্যান্য বামন গ্রহের মধ্যে পার্থক্য হল এটি একটি গ্রহাণুও বটে। সেরেস সেই রকম কয়েকটি গ্রহাণুর মধ্যে একটি যাদের আকৃতি গোলকের মত, এবং এর ধূলিকণাময় পৃষ্ঠের ঠিক নিচে কিছুটা বরফ থাকতে পারে। এটি ১৮০১ সালে ইতালীয় জ্যোতির্বিদ জ্যুসেপ্পি পিয়াজি দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল।

কিছু বিখ্যাত গ্রহাণু[সম্পাদনা]

সেরেস সৌরজগতের প্রথম আবিষ্কৃত এবং বৃহত্তম গ্রহাণু।

গ্রহাণু ইডার নিজস্ব চাঁদ আছে যার নাম ড্যাকটাইল। বেশ কয়েকটি গ্রহাণুর চাঁদ বর্তমানে দেখতে পাওয়া গেছে।

পরবর্তী বিষয়: বৃহস্পতি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]