বিষয়বস্তুতে চলুন

আলাপ:প্রধান পাতা

পাতাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য ভাষায় নেই।
আলোচনা যোগ করুন
উইকিবই থেকে
সাম্প্রতিক মন্তব্য: সাদিয়া শারমিন এনি কর্তৃক ২৫ দিন আগে "আমার আমি" অনুচ্ছেদে

Invite to WikiConference India 2011

[সম্পাদনা]
নিচের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। পরবর্তী মন্তব্যসমূহ যথাযথ আলোচনার পাতায় করা উচিত। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।



Hi প্রধান পাতা,

The First WikiConference India is being organized in Mumbai and will take place on 18-20 November 2011.
You can see our Official website, the Facebook event and our Scholarship form.


But the activities start now with the 100 day long WikiOutreach.

As you are part of WikiMedia India community we invite you to be there for conference and share your experience. Thank you for your contributions.

We look forward to see you at Mumbai on 18-20 November 2011


Please forward to revelent folks in the community. If you want the bot to do the job please sign up at [১] --Naveenpf ০৫:০৯, ৬ আগস্ট ২০১১ (UTC)


উপরের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। পরবর্তী মন্তব্যসমূহ যথাযথ আলোচনার পাতায় করা উচিত। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।


প্রচুর ভুল

[সম্পাদনা]
নিচের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। পরবর্তী মন্তব্যসমূহ যথাযথ আলোচনার পাতায় করা উচিত। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।

প্রধান পাতা সহ সর্বত্রই ভুলে ভরা এই উইকিবই। কেউ নজর দিচ্ছেন না কেন? Anubhab91 (talk) ০৭:৪৪, ৫ আগস্ট ২০১২ (ইউটিসি)উত্তর দিন

উইকিবইয়ে ভুল সংশোধন এর কাজ চলছে। ভুল পেলে আমাকে জানান। Sethtalk ০৮:৪১, ৩ ডিসেম্বর ২০১৫ (ইউটিসি)উত্তর দিন

ভুল সংশোধনসহ নতুন নতুন অনেক কাজ চলমান রয়েছে। আপনিও অংশগ্রহণ করে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে পারেন। talk


উপরের আলোচনাটি সমাপ্ত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। পরবর্তী মন্তব্যসমূহ যথাযথ আলোচনার পাতায় করা উচিত। এই আলোচনাটিতে আর কোনও সম্পাদনা করা উচিত নয়।


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ের লিঙ্কটিকে ত্রুটিমুক্ত করে বাংলা ভাষা প্রধান পাতায় পাঠানোর আবেদন

[সম্পাদনা]

প্রধান পাতার উইকবিশ্ববিদ্যালয়ের লিংকটি ক্লিক করলে ওটি আমাদের ত্রুটিপাতায় নিয়ে যায়। আবেদন জানাই টেমপ্লেট:প্রধান পাতা সহপ্রকল্প তে এই এডিট গুলো করার জন্য:

  • [[File:Wikiversity-logo.svg|35px|link=:m:v:|উইকিবিশ্ববিদ্যালয়]][[File:Wikiversity-logo.svg|35px|link=:betawikiversity:প্রধান পাতা|উইকিবিশ্ববিদ্যালয়]]
  • [[:m:v:|<span title="একটি উন্মুক্ত শিক্ষামাধ্যম">[[:betawikiversity:প্রধান পাতা|<span title="একটি উন্মুক্ত শিক্ষামাধ্যম">

ধন্যবাদ। CX Zoom (আলাপ) ১৮:১২, ১১ এপ্রিল ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন

MdsShakil কে এই আবেদনটি জানাই। ধন্যবাদ। CX Zoom (আলাপ) ১৮:১২, ১১ এপ্রিল ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন

জিজ্ঞাসা

[সম্পাদনা]

উইকিবই কী? এখানে কী ধরনের অবদান রাখা যায়? বিখ্যাত লেখকদের বই পাব ভেবেছিলাম। কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোনো বই পাচ্ছি না। ধন্যবাদ M Emdadul Islam (আলাপ) ১৭:১০, ২৭ মে ২০২৩ (ইউটিসি)উত্তর দিন

@M Emdadul Islam: পড়ুন WB:উইকিবই কী? ‌—শাকিল (আলাপ) ১৮:৫২, ২৭ মে ২০২৩ (ইউটিসি)উত্তর দিন

Tahmid Hasan

[সম্পাদনা]

Tahmid Hasan Is A Graphics Designer 118.179.25.74 ১৮:১৫, ১৩ জুন ২০২৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন

ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা

[সম্পাদনা]

ইসলাম একটি আল্লাহ প্রদত্ত জীবন বিধান। যা যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করেছেন। কুরআন হাদীস ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন আলিমে দীন। যারা সঠিক ভাবে ইসলামকে শিখেছেন। ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা করে জনগণ ও মুসলমানদেরকে শেখানো তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এজন্য আমাদের জন্য জরুরি করণীয় হলো। আমরা ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করব আলিমদের থেকে। ডাক্তার থেকে চিকিৎসা নিবো। প্রকৌশলী থেকে স্থাপত্য ও নির্মাণ বিষয়ে শিখবো। উকিল থেকে জানবো আইন কানুন ও বিধান। Mizan Muhammad Hasan (আলাপ) ০৬:০৮, ১৮ জুন ২০২৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন

বহু বিবাহ ও পুরুষের মন

[সম্পাদনা]

বহুবিবাহ ও পুরুষের মন!


[ ১ম কিস্তি ও শেষ কিস্তি একত্রে ]


প্রিয় বোন!

বিএফ সংস্কৃতি একটি অবৈধ সম্পর্ক! যা ইসলাম সমর্থন করে না। এমনকি পৃথিবীর মানব রচিত কোনো ধর্মও এটাকে সমর্থন করে না। এখনও এটি একটি অসামাজিক কার্যকলাপের অন্তর্ভুক্ত।

বিএফ এর পূর্ণ রূপ– বয় ফ্রেন্ড। মানে ছেলেবন্ধু।

একজন মেয়ের ছেলে বন্ধু থাকা। ছেলেদের সঙ্গে চলাফেরা, উঠাবসা, মেলামেশা করা ইত্যাদি।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মেয়ে, মুসলিম বোন– পরামর্শ/ সমাধান চেয়েছেন— নীচে তার লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো। এরপর তার বক্তব্য শেষে আমরা কুরআন সুন্নাহর আলোকে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে চেষ্টা করছি, ইনশা আল্লাহ!


"আমার বয়ফ্রেন্ড আমাকে বলে যে, ও কোনো মেয়ের দিকে তাকায় না,ওর কোনো মেয়ে বন্ধু নাই। কিন্তু আমি প্রায়ই দেখি, ওর মেয়ে ক্লাসমেইটদের ছবিতে ওর লাভ রিয়েক্ট। এটা আমাকে অনেক কষ্ট দিচ্ছে। ও আগে এমন ছিল না। আমি বলতেও পারছি না ওরে কিছু। ছেলেরা কী আসলেই একজনে কখনো সন্তুষ্ট হতে পারে না? আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, ও অনেক মেয়ের সাথে কথা বলে। এদিক দিয়ে আমি কোনো ছেলের সাথে কথাও বলি না। আমি কীভাবে ওকে এ জিনিসগুলো করা থেকে বিরত থাকতে বলতে পারি"?


প্রিয় বোন!

আপনাদের উদ্দেশ্যে লিখছি—

অনেকের কাছে পছন্দ হবে না। এমনকি অনেকে গালাগাল করবেন। গালাগালি করা আপাতত আপনার অধিকার হতে পারে। কিন্তু, ইসলাম এ অথরিটি দেয় নি কোনো মুসলমানকে। যে এক মুসলমান অপর মুসলমানকে গালি দিতে পারে।


যাই হোক, আমাদের আলোচনায় আপত্তি করার সুযোগ আছে। থাকতে পারে। তবে অস্বীকার করা 'দুঃসাহস' ছাড়া কিছু হবে না। এমনকি হাজার বছরের বিজ্ঞান সম্মত এ প্রথাকে যে আজ আমাদের মুসলমানরাই ইচ্ছা অনিচ্ছায়, সজ্ঞানে অজ্ঞানে হেয় প্রতিপন্ন তুচ্ছ করে চলছেন। তা পরিস্কার বোঝা যাবে আশা করি। আর বর্তমান বাস্তবতা উপলব্ধি থেকে দূরে সরে গিয়ে, যাচ্ছে তাই বলে কয়ে লিখে দিচ্ছেন। সমাধানের পথ তবে কোনটি?


এজন্য আমাদেরকে এ বিষয়ে আলোচনা করতে হবে এবং একটি মধ্যপন্থায় আসতে হবে। কেউ বিরোধিতা করবেন। বিরুদ্ধে বলবেন। কেউ একেবারে পক্ষপাতিত্ব করবেন। কোনোটাই সঠিক বলে মনে করি না। পুরুষের ক্ষেত্রে– প্রয়োজন, সামর্থ্য, চাহিদা ও নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ অবস্থা সম্পন্ন নারী— অকুমারী নিপীড়নের শিকার, বিধবা, তালাক–ডিভোর্স প্রাপ্তা ও ৩০+ বয়সী ইত্যাদি শ্রেণির নারীরা বহুবিয়ের জন্য স্ত্রী হিসাবে  বিবেচিত হবেন। মাসনা– দ্বিতীয়া। ছুলাছা– তৃতীয়া। রুবাআ– চতুর্থা স্ত্রী হিসাবে মনোনীত হতে পারেন। জরুরি নয়। আবারও বলছি, আপনারা এ শ্রেণির নারীরা কারও সতীন হবার জন্য বাধ্য নন। কখনোই আপনাকে বাধ্য করা হচ্ছে না।


এটা হচ্ছে সেই প্রথা বা প্রচলন।

যা— ১. বহু বিবাহ হিসেবে বিভিন্ন দেশে প্রচলিত।

২. দাসী হিসেবে স্ত্রী–র মতো মর্যাদা ইত্যাদি।


[দাসী'র প্রথা। এটা শুধু তুলনার জন্য বলছি। বিধান হিসেবে নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে দাস –দাসীর প্রথা একটি প্রাচীন ও স্বীকৃত প্রথা। যা বর্তমানে বিলুপ্ত। ভবিষ্যতে আবার এটি সামনে আসতে পারে। আর ইসলামে একজন পুরুষের জন্য একাধিক সর্বোচ্চ চারজন নারীকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করাও বৈধ বিষয়।]


পবিত্র কুরআনে সুরা নিসার ৩ নং আয়াতে মুসলমানদের জন্য চারটি বিয়ের অনুমতি রয়েছে। যা একটি নির্দিষ্ট সীমা বর্ণনা ও ইনসাফ কায়েমের মাপকাঠি। এখানে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।


লক্ষ করুন! আমি এখানে যে উদ্বৃত্তিটি তুলে ধরছি, খেয়াল করুন— কঙ্কুবাইনেজ। এটি একটি চীনা সংস্কৃতি। এ প্রথাটি চীনা সংস্কৃতির একটি অংশ। স্ত্রীর পাশাপাশি একাধিক কঙ্কুবাইন রাখা ছিলো সেখানকার আভিজাত্যের প্রতীক। আর সম্রাটদের বেলায় এটা ছিলো নিয়ম। সেখানে এমন শাসকও ছিলেন, যার হাজারেরও বেশি কঙ্কুবাইন ছিলো। যেমন, মিং রাজবংশের শাসনামলে নিষিদ্ধ শহরে ২০,০০০ এর বেশি কঙ্কুবাইন–উপপত্নী ছিলো।


এই কঙ্কুবাইনদের পাহারা দিয়ে রাখতো হাজার হাজার খোঁজা প্রহরীরা। রাজকীয় রক্তের পবিত্রতা রক্ষার্থে সম্রাট ব্যতীত অন্য কেউ যেন তাঁদের শয্যাসঙ্গিনী না হন। সেটি নিশ্চিত করাই ছিলো তাঁদের প্রধান কাজ।  সূত্র— রক্ষিতা আখ্যান কঙ্কুবাইন


এখন আসি মূল বক্তব্যে। এখানে উল্লিখিত, বক্তব্যে বহু নারী বা দাসী রাখার একটি দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়েছে। যা চীনাদের সংস্কৃতির অংশ বিশেষ। এভাবে আপনি ইসলামের আবির্ভাবের আগে অন্যসব ধর্মের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেও এর অসংখ্য প্রমাণ পাবেন। আর পুরুষদের মধ্যে আল্লাহ তায়ালা একাধিক স্ত্রী পালনের যোগ্যতা দিয়েছেন বলেই, তাকে শরিয়ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিয়ম নীতি নৈতিকতা মেনে; চারটি পর্যন্ত বিয়ের অনুমতি দিয়েছে। সুতরাং, তার দৃষ্টি একাধিক নারীর প্রতি ধাবিত হবে, এটাই স্বাভাবিক। প্রাকৃতিক বিষয়ও। তবে এর থেকে বিরত থাকতেও ইসলাম সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। কাজেই পুরুষদের মধ্যে বহুনারীর প্রতি আকর্ষণ তৈরি হবে। এটা একটি প্রাকৃতিক বিষয়। তবে একে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও ইসলাম বলেছে। তথা আকর্ষণ থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করেছে।


[ ২য়-কিস্তি সহ পূর্ণ বক্তব্য ]


قُلۡ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ یَغُضُّوۡا مِنۡ  اَبۡصَارِہِمۡ وَ یَحۡفَظُوۡا فُرُوۡجَہُمۡ ؕ ذٰلِکَ اَزۡکٰی لَہُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ خَبِیۡرٌۢ  بِمَا یَصۡنَعُوۡنَ ﴿۳۰


আপনি ঈমানদার–বিশ্বাসীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে। বিরত রাখে। ১* আর তাদের যৌন অঙ্গকে সাবধানে সংযত রাখে। ২* এটি তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। তারা যা করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা সে বিষয়ে অবগত আছেন। —সুরা নূর : ৩০


১ — যখন কারও ঘরে প্রবেশ করার দরকার হয়, তখন অনুমতি গ্রহণ করা আবশ্যক। সেই সঙ্গে দৃষ্টি অবনত রাখারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে বিশেষ করে অনুমতি গ্রহণকারীও নিজের দৃষ্টিকে সংযত করে। [তথা নিজে নিজেকে অপরের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ / বিষয় দেখা থেকে বিরত রাখতে পারে]


২ —অর্থাৎ, অবৈধ ব্যবহার হতে তাকে হিফাযতে রাখে অথবা তাকে এমনভাবে গোপন রাখে। যাতে তার উপর অন্যের দৃষ্টি না পড়ে। এখানে এ উভয় অর্থই সঠিক। কেননা উভয়ই বাঞ্ছিত। পক্ষান্তরে দৃষ্টি সংযত রাখার বিষয়টি প্রথমে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যৌনাঙ্গ হিফাযত করার বিষয়টি পরে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ দৃষ্টি-সংযমে শিথিলতাই যৌনাঙ্গ হিফাযত করার ব্যাপারে উদাসীনতার কারণ হয়। —তাফসিরে আহসানুল বয়ান


বুখারি ও মুসলিম সহ একাধিক হাদিস গ্রন্থে এসেছে— চোখের যিনা– ব্যভিচার হলো, দর্শন বা দেখা। সুতরাং নারী পুরুষ সবার জন্য দৃষ্টি হেফাজত করা জরুরি কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত। অন্যথায় মাহরাম ছাড়া পুরুষকে দেখার অনুমতি কোনো নারীর জন্য যেমন নেই। পুরুষেরও এ অধিকার নেই যে, সে তার মাহরাম ছাড়া অন্য নারীর প্রতি দৃষ্টি দিবে। উপর্যুক্ত আয়াত থেকে দৃষ্টিকে বিরত রাখা এবং হাদিস থেকে চোখের দেখা–ই জিনা–ব্যভিচার বলে প্রমাণিত হলো।


একই ভাবে এর পরের আয়াতটিতেও নারীদেরকে উদ্দেশ্য করে স্পেশাল নাসিহা করা হচ্ছে যে—


وَ قُلۡ  لِّلۡمُؤۡمِنٰتِ یَغۡضُضۡنَ مِنۡ اَبۡصَارِہِنَّ وَ یَحۡفَظۡنَ فُرُوۡجَہُنَّ وَ لَا یُبۡدِیۡنَ  زِیۡنَتَہُنَّ  اِلَّا مَا ظَہَرَ  مِنۡہَا وَ لۡیَضۡرِبۡنَ بِخُمُرِہِنَّ عَلٰی جُیُوۡبِہِنَّ ۪ وَ لَا یُبۡدِیۡنَ زِیۡنَتَہُنَّ  اِلَّا  لِبُعُوۡلَتِہِنَّ  اَوۡ اٰبَآئِہِنَّ اَوۡ اٰبَآءِ بُعُوۡلَتِہِنَّ اَوۡ اَبۡنَآئِہِنَّ  اَوۡ اَبۡنَآءِ بُعُوۡلَتِہِنَّ اَوۡ اِخۡوَانِہِنَّ اَوۡ بَنِیۡۤ  اِخۡوَانِہِنَّ اَوۡ بَنِیۡۤ اَخَوٰتِہِنَّ اَوۡ نِسَآئِہِنَّ اَوۡ مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُہُنَّ اَوِ التّٰبِعِیۡنَ غَیۡرِ اُولِی الۡاِرۡبَۃِ مِنَ الرِّجَالِ اَوِ الطِّفۡلِ الَّذِیۡنَ لَمۡ  یَظۡہَرُوۡا عَلٰی عَوۡرٰتِ النِّسَآءِ ۪ وَ لَا یَضۡرِبۡنَ بِاَرۡجُلِہِنَّ لِیُعۡلَمَ  مَا یُخۡفِیۡنَ مِنۡ زِیۡنَتِہِنَّ ؕ وَ تُوۡبُوۡۤا اِلَی اللّٰہِ جَمِیۡعًا اَیُّہَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ  ﴿۳۱﴾


(হে নবী, আপনি) "বিশ্বাসী নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাদের লজ্জাস্থানকে রক্ষা করে। ১* তারা যা সাধারণতঃ প্রকাশ থাকে তা ব্যতীত ২* তাদের সৌন্দর্য যেন প্রদর্শন না করে। ৩* তারা তাদের বক্ষঃস্থল যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত রাখে। ৪–৫* তারা যেনতাদের স্বামী, ৬* পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগিনী পুত্র, ৭* তাদের নারীগণ, ৮* নিজ অধিকারভুক্ত দাস, ৯* যৌনকামনা-রহিত পুরুষ ১০* অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ১১* ব্যতীত কারও নিকট তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন এমন সজোরে পদক্ষেপ না করে, যাতে তাদের গোপন আবরণ প্রকাশ পেয়ে যায়। ১২* হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। ১৩*


১— যদিও নারীরা দৃষ্টি সংযত রাখা ও গুপ্তাঙ্গের হিফাযতের ব্যাপারে প্রথম আদেশের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। ব্যাপকভাবে সকল মুমিনের জন্যও এই আদেশ। তাই মুমিন নারীরাও ব্যাপকার্থে মুমিনদেরই অন্তর্ভুক্ত। তবুও এখানে বিষয়টির গুরুত্বের প্রতি লক্ষ রেখে বিশেষভাবে নারীদেরকেও দ্বিতীয়বার সেই একই আদেশ দেওয়া হচ্ছে। যার উদ্দেশ্য হলো তাকীদ ও গুরুত্ব আরোপ করা। এখান থেকে কতক আলেম দলীল গ্রহণ করে বলেছেন যে, পুরুষদের জন্য যেমন বেগানা নারীদের দিকে তাকানো নিষিদ্ধ। অনুরূপ নারীদের জন্যও বেগানা পুরুষদেরকে দেখা ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ। পক্ষান্তরে কতক আলেম সেই হাদীস থেকে দলীল গ্রহণ করে নারীদের জন্য পুরুষদেরকে নিষ্কাম দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখা বৈধ বলেছেন, যে হাদীসে আয়েশা রা.-এর হাবশীদের খেলা দেখার বর্ণনা রয়েছে। –বুখারি, নামায অধ্যায়

[ তাকওয়ার দাবি হলো– নারীও কোনো পুরুষের দিকে দৃষ্টি দিবে না। বর্তমানে চারদিকে ফেতনা–বিশৃৃঙ্খলার ছড়াছড়ি। তাই এটাই নিরাপদ ও গুনাহ মুক্ত জীবন যাপনের নিশ্চয়তা যে, নারীরাও পর–পুরুষকে দেখা থেকে বিরত থাকবে। এটাই উলামায়ে আহনাফের ফতওয়া। ]


২— 'যা সাধারণতঃ প্রকাশ থাকে' বলতে এমন সৌন্দর্য (বাহ্যিক আবরণ) বা দেহের অংশকে বোঝানো হয়েছে যা পর্দা বা গোপন করা অসম্ভব। যেমন, কোনো জিনিস নিতে বা দিতে গিয়ে হাতের করতল, অথবা কিছু দেখতে গিয়ে চোখ গোপন করা সহজ নয়। অনুরূপভাবে হাতের মেহেদি, আঙুলের আংটি, চোখের সুরমা, কাজল, অথবা পরিহিত সৌন্দর্যময় পোশাককে ঢাকার জন্য যে বোরকা বা চাদর ব্যবহার করা হয়, তাও এক প্রকার সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। যা গোপন করা অসম্ভব। অতএব, এ–সব আবরণের প্রকাশ প্রয়োজন মতো দরকারি সময়ে বৈধ এবং অনুমোদিত।

[ নারীর চেহারা তার অন্যতম সৌন্দর্য ও প্রধান আকর্ষণ। তাই চেহারা ঢাকাও ফরজ বিধান পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এটাই হানাফি ফিকহের ফতওয়া।]


৩—- সৌন্দর্য বলতে এমন পোশাক ও অলংকার বোঝায় যা নারীরা নিজেদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে থাকেন। যে সৌন্দর্য একমাত্র স্বামীদের জন্য ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। সুতরাং নারীর পোশাক ও অলংকারের সৌন্দর্য প্রকাশ যদি অন্য পুরুষের সামনে নিষিদ্ধ হয়, তাহলে দেহের কোনো অংশ খুলে প্রদর্শন করা ইসলামে কেমন করে অনুমতি থাকতে পারে? এ তো অধিকরূপে হারাম তথা নিষিদ্ধ হবে।


৪—৫— যাতে মাথা ঘাড়, গলা ও বুকের পর্দা হয়ে যায়। কারণ এ সমস্ত অঙ্গ খুলে রাখার অনুমতি নেই। এখানে সেই সৌন্দর্য বা প্রসাধন এগানা –যাদের সামনে যাওয়া বৈধ একজন নারীর জন্য— এমন পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা বৈধ বলা হচ্ছে, যা ইতিপূর্বে বেগানা পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। অর্থাৎ, পোশাক, অলংকার ও প্রসাধন ইত্যাদির সৌন্দর্য যা চাদর বা বোরকার নিচে গুপ্ত থাকে। এখানে এ মর্মে ব্যতিক্রমধর্মী বর্ণনা এসেছে যে, অমুক অমুক ব্যক্তির সামনে প্রকাশ করা বৈধ হবে।


৬— এদের মধ্যে সবার শীর্ষে হলো স্বামী। সেই জন্য স্বামীকে সবার আগে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ স্ত্রীর সকল শোভা- সৌন্দর্য একমাত্র স্বামীর জন্যই নির্দিষ্ট। আর স্বামীর জন্য স্ত্রীর সারা দেহ (দেখা ও ছোঁয়া) বৈধ। (যেহেতু স্বামী-স্ত্রী একে অপরের লিবাস-পোশাক।) এ ছাড়া মাহরাম (এগানা; যাদের সঙ্গে চিরতরে বিবাহ হারাম) অথবা ঘরে যাদের আসা-যাওয়া সব সময় হয়ে থাকে এবং নৈকট্য বা আত্মীয়তার কারণে বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে নারীর প্রতি তাদের সকাম এমন আকর্ষণ সৃষ্টি হয় না, যার ফলে কোনো ফিতনা (বা অঘটন) ঘটার আশঙ্কা থাকে, শরিয়তে সে–সমস্ত লোকদের সামনে এবং এগানা পুরুষদের সামনে সৌন্দর্য প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এখানে মামা ও চাচার কথা উল্লেখ হয় নি। অধিকাংশ আলেমর নিকট এরাও মাহরাম বা এগানার অন্তর্ভুক্ত। এদের সামনেও সৌন্দর্য প্রদর্শন করা মহিলার জন্য বৈধ। পক্ষান্তরে কতক আলেমের নিকট এরা মাহরামের অন্তর্ভুক্ত নয়। –ফাতহুল কাদীর


৭— পিতা বলতে বাবা, দাদা, দাদার বাবা এবং তার ঊর্ধ্বে, নানা ও নানার বাবা এবং তার ঊর্ধ্বের সবাই এর অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপ শ্বশুর বলতে শ্বশুরের বাবা, দাদা এবং তার ঊর্ধ্বে সকলেই শামিল। পুত্র বলতে বেটা, পোতা, পোতার বেটা, নাতি নাতির বেটা এবং এদের নিম্নের সকলেই শামিল। স্বামীর পুত্র বলতেও তার (অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত) বেটা, পোতা এবং তার নিম্নের সকলেই শামিল। ভ্রাতা বলতে সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় তিন প্রকারের ভাইকেই বোঝানো হয়েছে। ভ্রাতুষ্পুত্র বলতে ভাইপো বা ভাতিজা ও তাদের নিম্নের সকল পুরুষকে এবং ভগিনীপুত্র বলতে সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় তিন প্রকার বোনের বেটা (ভাগ্নে) ও তাদের নিম্নের সকল পুরুষকে বুঝানো হয়েছে।


৮— 'তাদের নারীগণ' বলতে মুসলিম নারীদেরকে বোঝানো হয়েছে, যাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে যে, তারা যেন কোনো মহিলার শোভা-সৌন্দর্য, রূপ-লাবণ্য, দৈহিক আকার-আকৃতি নিজেদের স্বামীর কাছে বর্ণনা না করে। এ ছাড়া যে কোনো কাফের নারীর সামনে সৌন্দর্য প্রকাশ করা নিষেধ। এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন উমর, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., মুজাহিদ এবং ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রহ.। কেউ কেউ বলেন, এখানে 'তাদের নারীগণ' বলতে বিশেষ ধরনের নারীদেরকে বুঝানো হয়েছে, যারা খিদমত ইত্যাদির জন্য সর্বদা কাছে থাকে। আর তার মধ্যে বাঁদী-দাসীও শামিল। (এদের সামনে সৌন্দর্য প্রকাশ করায় দোষ নেই।)


৯— مَا ملَكَتْ أِيمَانُهُنَّ (তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে) বলতে কেউ কেউ শুধু ক্রীতদাসী এবং কেউ কেউ শুধু ক্রীতদাস অর্থ নিয়েছেন। আবার কেউ কেউ উভয়কেই বুঝিয়েছেন। হাদীসেও পরিষ্কার এসেছে যে, ক্রীতদাসদের সামনে পর্দার প্রয়োজন নেই। –আবু দাউদ : পরিচ্ছদ অধ্যায়

অনুরূপভাবে কেউ কেউ তার ব্যাপক অর্থ নিয়ে বলেছেন, তাতে মুমিন ও কাফের উভয় প্রকার ক্রীতদাসই শামিল।

১০— কেউ কেউ এ থেকে এমন সব পুরুষ অর্থ নিয়েছেন, যাদের ঘরে থেকে খাওয়া-পান করা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না। আবার কেউ নির্বোধ, কেউ হিজড়া, খাসি করা বা ধ্বজভঙ্গ, কেউ অতিবৃদ্ধ অর্থ নিয়েছেন। ইমাম শাওকানি রহ. বলেন, যাদের মধ্যে কুরআনে বর্ণিত গুণ পাওয়া যাবে, তারা এর পর্যায়ভুক্ত এবং অন্যরা বহির্ভূত হবে।

১১— এ থেকে এমন সব বালককে বোঝানো হয়েছে, যারা সাবালক বা সাবালকত্বের নিকটবর্তী নয়। কারণ এরা মেয়েদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অভিজ্ঞ নয়। [ বর্তমান সময়ে আরও সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরি ]

১২— গোপন আবরণ বা অলঙ্কার প্রকাশ পেয়ে অর্থাৎ, পায়ের নূপুরের শব্দে যাতে পুরুষের দৃষ্টি আকৃষ্ট না হয়। হাই-হিল বা এমন শক্ত জুতা-চপ্পলও এই নির্দেশের শামিল। যেহেতু মহিলারা যখন এসব পরিধান করে চলাফেরা করে। তখন তাতে এক ধরনের এমন শব্দ সৃষ্টি হয়, যা আকর্ষণের ক্ষেত্রে নূপুরের শব্দের তুলনায় কম নয়। অনুরূপ হাদিসে এসেছে যে, সুগন্ধি মেখে ঘর থেকে বের হওয়া কোনো নারীর জন্য বৈধ নয়। যে এ রকম করে, সে ব্যভিচারিণী। –তিরমিযি :  অনুমতি অধ্যায়, আবু দাউদ : চুল আঁচড়ানো অধ্যায়


১৩— এখানে পর্দার আদেশের পরপর তওবার আদেশ দেওয়ার মধ্যে যুক্তি হলো যে, অজ্ঞতার যুগে এই সমস্ত আদেশের যে বিরোধিতা তোমরা করতে, তা যেহেতু ইসলাম আসার পূর্বের কথা, সেহেতু তোমরা যদি সত্য অন্তরে তওবা করে নাও এবং উক্ত আদেশের সঠিক বাস্তবায়ন করো, তাহলে সফলতা, ইহ ও পরকালের সৌভাগ্য একমাত্র তোমাদের জন্য। —তাফসিরে আহসানুল বয়ান থেকে হুবহু তুলে ধরা বক্তব্য শেষ হলো—


বর্তমান সময়ে যখন মেয়েদের/ নারীদের অবাধ বেপর্দা চলাফেরা ও অর্ধনগ্ন পদচারণা। তখন স্বাভাবিকভাবেই একজন পুরুষ – যে বেচারা সারাদিন বাইরে রুজির খোঁজে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় কাটান— শত শত নারীকে দেখার অবারিত সুযোগ লাভ করছেন। নারীরাও নিজেদেরকে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এমনকি অবাধ চলাফেরা ও মেলামেশার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে সর্বত্র। নতুন করে পরিবেশ তৈরি হচ্ছে— পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে। তখন একজন পুরুষ কী করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন? তবে এর অর্থ এ নয় যে, বাইরে বের হলেই নারীদেরকে দেখতে হবে।


আর কেউ মানছে না ধর্মীয় বিধান "দৃষ্টি অবনত করা বা সংযত করা"র বিষয়টি। তখন ফেরেশতা বাদ দিয়ে কোনো পুরুষ; যার মধ্যে পুরুষত্ব আছে। এমন লোক বিপদগামী হওয়া অসম্ভব কিছু নয়।

এজন্য নারী পুরুষ উভয়কেই দৃষ্টির হেফাজত করতে হবে। আচরণে শালীনতা বজায় রাখতে হবে। কথাবারতায় কোমলতা পরিহার করতে হবে— এগুলোই ইসলামের শিক্ষা। যা বর্তমানে গবেষণার আলোকে প্রমাণিত হচ্ছে। বিধর্মীরাও বলতে বাধ্য হচ্ছে।


এরপর কোনো পুরুষ/ যুবক অবিবাহিত হলে, সাধ্য ও সামর্থ্য মতো বিয়ে করতে হবে। তা না হলে, রোজা রাখবে। এভাবেই একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন যাপন গ্রহণ করা সম্ভব। অন্যথা বিশৃঙ্খলা ও উচ্ছৃঙ্খলতা বাড়বেই। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবেই। হচ্ছেও। এজন্য শুধু পুরুষরাই দায়ী নয়। নারীদেরও উচিত সঠিকভাবে ধর্মীয় বিধান মেনে চলাফেরা করা । শালীন জীবন যাপনে অভ্যস্ত হওয়া। নয়ত এ আগুন আরও বাড়বে এমনকি বেড়েই চলেছে বহুগুণে।


সবশেষে, যে কথা বলা প্রয়োজন। তা হলো— নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দৃষ্টি হেফাজত করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

কুফরের ঘুণে ধরা, আদর্শ ও নৈতিকতা বঞ্চিত মানুষের মধ্যে এখন বহুবিবাহের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে — বিষয়টি এভাবে বলে শেষ করলে হবে না। প্রত্যেককেই তাকওয়া–খোদাভীতি অর্জন করতে হবে। আর প্রকৃতিগতভাবে যখন পুরুষ একাধিক বিয়ের জন্য সামর্থ্য রাখে। তখন এটাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখা ভালো। এমনকি যখন নারীদের সংখ্যা বেড়ে চলছে। তখন উদাহরণস্বরূপ পুরুষের বর্তমান সংখ্যা যদি হয়, বরাবর দশ লাখ। আর নারীর সংখ্যা হয়, দশ লাখ পাঁচ হাজার বা দশ হাজার। তবে বাড়তি পাঁচ দশ হাজার নারীর জন্য স্বামী ছাড়া জীবন যাপন করা অপেক্ষা মাসনা– দ্বিতীয়া স্ত্রী হওয়া কী খুব বেশি দোষের কাজ? সমাজের অর্থ কড়ি সম্পদশালী সক্ষম পুরুষরা যদি বাকিদেরকে মাসনা হিসাবে গ্রহণ করতে চান! তবে এটা কী অন্যায় হবে?

কাজেই পুরুষ বলতেই তাকে বহুবিয়ের জন্য পাগল। কিংবা নারী লোভী বলা– এটা কি কোনো ইনসাফের কথা হতে পারে? Mizan Muhammad Hasan (আলাপ) ০৬:৩৫, ১৮ জুন ২০২৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন

আমার আমি

[সম্পাদনা]

ভালো সাদিয়া শারমিন এনি (আলাপ) ১৭:৪১, ২৯ জুন ২০২৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন