বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিশৈশব:জীববিজ্ঞান/তন্ত্র/প্রজনন তন্ত্র

উইকিবই থেকে
উইকিশৈশব:জীববিজ্ঞান
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র প্রজনন তন্ত্র রেচনতন্ত্র

বাচ্চারা কিভাবে তৈরি হয়?

[সম্পাদনা]

মানবজাতিকে দুইটি লিঙ্গে ভাগ করা হয়েছে। এক হলো "পুরুষ লিঙ্গ" আরেক হলো "স্ত্রী লিঙ্গ"। শুক্রাণু (পুরুষ হতে সৃষ্ট) এবং ডিম্বাণু (স্ত্রী হতে সৃষ্ট) নামক দুটি কোষ মিলিত হলে বাচ্চা সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়াকে নিষেক বলে। এই দুই কোষের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কোষ সৃষ্টি হয়। এই বিশেষ কোষকে ভ্রূণ বলে। একটি নতুন পুরুষ বা নারী তৈরির জন্য যা কিছু প্রয়োজন তার সবকিছুই ভ্রূণের মধ্যে রয়েছে। ভ্রূণ থেকে যে শিশুর জন্ম হয় তা পিতা ও মাতার মতো হয়।

শিশুরা কোথা থেকে আসে?

[সম্পাদনা]
একটি শিশু তার মায়ের গর্ভে বেড়ে উঠছে।

বাচ্চা আসে তার মার গর্ভ হতে। বাচ্চা হওয়ার জন্য বাবার শুক্রাণু বাচ্চার মায়ের শরীরে প্রবেশ করাতে হয়। একে বলে যৌন সঙ্গম। পুরুষটি তার পুরুষাঙ্গ স্ত্রীর যোনির মধ্যে স্থাপন করে শুক্রাণু প্রবেশ করালে শুক্রাণুগুলো সাঁতার কেটে মায়ের শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে। গর্ভনিষেক প্রক্রিয়াটি মায়ের শরীরে ঘটে। নতুন ভ্রূণটি বৃদ্ধি পেয়ে মরুলা নামের বলের আকারে পরিণত হয়ে গর্ভাশয়ে যুক্ত থাকে। এই বলটি একটি ব্লাস্টুলায় পরিণত হয় যা পরবর্তীতে একটি শিশুর আকার ধারণ করে।

নয় মাস পর (নিষেকের বা গর্ভধারণের ২৬৬ দিন পর) বাচ্চা যোনিপথে মায়ের শরীর থেকে বাইরে আসে। এর ফলে শিশুটির জন্ম হয়।

  • কোষ - সব প্রাণীই একধরনের ছোট ছোট বাক্স দিয়ে তৈরি। এগুলোকে কোষ বলে।
  • গর্ভাশয় - শরীরের যে স্থানে শিশু বেড়ে ওঠে।
  • ভ্রূণ - শুক্রাণু ও ডিম্বক মিলিত হয়ে যে প্রথম যে কোষটি তৈরি করে।
  • শুক্রাণু - পুরুষের শরীর হতে সৃষ্ট একটি কোষ।
  • ডিম্বাণু - স্ত্রীর শরীর হতে সৃষ্ট একটি কোষ।
  • নিষেক - শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলিত হয়ে ভ্রূণ তৈরি করা।