মঙ্গলকাব্য/শীতলামঙ্গল/কবি-পরিচিতি

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

শীতলামঙ্গল কাব্যের প্রধান কবিরা হলেন নিত্যানন্দ চক্রবর্তী, বল্লভ, মানিকরাম গাঙ্গুলি, শ্রীকৃষ্ণকিঙ্কর ও শঙ্কর।

শঙ্কর[সম্পাদনা]

অধুনা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমায় অষ্টাদশ শতাব্দীতে শঙ্কর নামে এক কবি শীতলামঙ্গল কাব্য রচনা করেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁর শীতলামঙ্গলের কয়েকটি খণ্ডিত পুথি পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ফেস্যারার পালা পুথিটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক সংগৃহীত হয়েছিল; কিন্তু সেটির আলোচনা কোথাও প্রকাশিত হয়নি। এছাড়া শঙ্কর রচিত লঙ্কাপূজা, বিরাট ও জাগরণ পালা, নীলধ্বজ রাজার পূজা পালা, নিমা জগাতীর পালারঘুদত্তের পালা পুথিগুলির সন্ধানও পরে পাওয়া যায়। গবেষক ত্রিপুরারঞ্জন বসু রঘুদত্তের পালা পুথিটিকে সম্পূর্ণ শীতলামঙ্গলের পুথি বলে দাবি করেন। পুথির ভণিতা পাঠ করে আশুতোষ ভট্টাচার্য মনে করেন যে শঙ্কর সম্ভবত সম্পূর্ণ শীতলামঙ্গলই রচনা করেছিলেন।

পুথিতে কবির আত্মপরিচয় অংশটি থেকে জানা যায়, শঙ্করের নিবাস ছিল মেদিনীপুর অঞ্চলের চেতুয়া পরগনার কলাইকুণ্ডে। ১৭৩৮ সালে তিনি দেবী শীতলার স্বপ্নাদেশ পেয়ে কাব্যরচনায় মনোনিবেশ করেন। ফেস্যারার পালা আজও এই অঞ্চলে গীত হয়।