ব্যবহারকারী আলাপ:Ashib Hassan

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগতম[সম্পাদনা]

প্রিয় Ashib Hassan, উইকিবইয়ে স্বাগতম! Smiley oui.gif
এই প্রকল্পে আপনার আগ্রহের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ; আশা করছি এ পরিবেশটি আপনার ভাল লাগবে এবং উইকিবইকে সমৃদ্ধ করার কাজে আপনি সহায়তা করবেন।। আপনার যদি সাহায্যের প্রয়োজন হয় তাহলে এগুলি দেখুন:

আপনি সম্প্রদায়কে কোন সার্বজনীন প্রশ্ন করতে বা আলোচনা করতে আলোচনাসভা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার আপনাকে কাজের একটি তালিকা দিবে যা দিয়ে আপনি এখানে সাহায্য করতে পারেন। আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে বিনা দ্বিধায় আমার আলাপের পাতায় তা করতে পারেন।

অনুগ্রহপূর্বক আলাপের পাতায় বার্তা রাখার পর সম্পাদনা সরঞ্জামদণ্ডের স্বাক্ষর আইকন চিহ্নে ক্লিক করার মাধ্যমে অথবা চারটি টিল্ডা (~~~~) চিহ্ন দিয়ে নাম স্বাক্ষর করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার নাম এবং তারিখ যোগ করবে। যদি আপনার সাহায্যের প্রয়োজন হয় তাহলে অভ্যর্থনা কমিটির যে-কোনো সদস্যকে প্রশ্ন করুন, বা আপনার আলাপের পাতায় {{সাহায্য করুন}} লিখুন এবং তার নিচে নিচে আপনার প্রশ্নটি লিখুন। একজন সাহায্যকারী কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
আশা করি আপনি বাংলা উইকিবই সম্প্রদায়ের একজন হয়ে সম্পাদনা করে আনন্দ পাবেন! আবারও স্বাগতম এবং শুভেচ্ছা!
উইকিবই অভ্যর্থনা কমিটি --Tahmid02016 (আলাপ) ০৪:৪১, ১০ এপ্রিল ২০২১ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]

বাংলাদেশে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের ফলে বিরূপ প্রতিক্রাসৃষ্টি[সম্পাদনা]

২০১০ সালে বিশ্বব্যাপী যাত্রা শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম। প্রথমে ছবি বা স্থিরচিত্র প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে পথচলা শুরু করলেও এই সামাজিক মাধ্যমটি ব্যবহারকারীদের জন্য ২০১২ সালে ভিডিও শেয়ার প্রক্রিয়া উম্মুক্ত করে দেয়। তারপর থেকেই ইনস্টাগ্রাম বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে। গত দশ বছরে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৃথিবীতে দাঁড়িয়েছে প্রায় 910 মিলিয়ন। স্ট্যাটিস্টার মতে, ১৪০ মিলিয়ন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ে এই তালিকায় আমেরিকা ও ভারত বিশ্বে যৌথভাবে প্রথম। এই সংখ্যায় পিছিয়ে নেই ১৭ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশও। ২.১ মিলিয়ন বাংলাদেশী ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর মধ্যে ৭০.৫% পুরুষ এবং ২৯.৫% নারী। বয়সসীমা বিবেচনায় ১৮-২৪ বছর বয়সী ৫৬.৫% নারী-পুরুষ দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে। তারপরেই দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন, ২৫- ৩৫ বছর বয়সী ২৭% নারী-পুরুষ। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছে, ১৩-১৭ বছর বয়সী ৮.৬% কিশোর কিশোরী। সেখানে ৫.৩% কিশোর আর ৩.৩% কিশোরী বর্তমানে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছে।

বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে, যোগাযোগ মাধ্যমগুলো দিনকে দিন দ্রুত সহজতর হচ্ছে, তেমনি সহজেই আসছে হাতের নাগাল। ফলে মানুষ এখন সহজেই অন্য সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারে। এটার যেমন ইতিবাচক দিক আছে, আবার তেমনি আছে নেতিবাচক দিকও।

নেতিবাচক দিকগুলোর একটি হচ্ছে প্রকাশ্য অশ্লীলতা দেখা এবং তার চর্চা করা। যা ঘটাচ্ছে সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়। অপসংস্কৃতির চর্চা ও অনুকরণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে সৃজনশীল মেধার বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে, দেশের ১৩-৩৪ বয়সী অনেক নারী পুরুষের। আবার অনেকে বিদেশী সংস্কৃতিতে হয়ে পড়ছে অনুপ্রাণিত এবং এর অনুসরণও জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে দেশীয় সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার আশংকা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সরকার দেশের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের কথা বিবেচনা করে, জনগনের স্বার্থে প্রণয়ন করে "পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন -২০১২"। তাতে উল্লেখিত সংজ্ঞা মতে, ধারা (২) এর (গ) তে "পর্নোগ্রাফী অর্থ" বোঝানো হয়েছে, (১) যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যাহা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যাহার কোন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই। এবং দন্ডভেদে শাস্তি জারি করে।

উপরোক্ত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন - ২০১২ বিধি মোতাবেক, প্রকাশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অর্ধনগ্ন স্থিরচিত্র, ভিডিও, অঙ্গভঙ্গি পর্নোগ্রাফি হিসাবে বিবেচ্য হয়।

এরপরও সরকার সার্বিক ক্ষতির কথা বিবেচনা এনে, প্রণয়ন করে "সাইবার নিরাপত্তা আইন - ২০১৫"। যাতে, ধারা (১৪) তে-ঃ গোপনীয়তা লঙ্ঘনঃ অন্যব্যক্তির অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি/ ভিডিও তোলা, প্রকাশ বা প্রেরণ (হিডেন ক্যাম ও এডাল্ট ছবি এর আওতায় পড়বে)। এবং ধারা (১৫) এর (১) প্রাপ্তবয়স্ক বা (২) শিশু পর্নোগ্রাফী দেখা, নির্মান, প্রচার, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের সুযোগ তৈরী করলে।

উপরোক্ত সাইবার নিরাপত্তা আইন - ২০১৫ বিধি মোতাবেক, ইনস্টাগ্রামের যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ছবি ও ভিডিও বিনা অনুমতিতে গ্রহণ, দেখা এবং প্রচার করা আইনগতভাবে অপরাধ হিসাবে বিবেচ্য হয়।

তাই সরকার দেশের সামাজিক অবস্থার উন্নতির লক্ষে, বিশ্বের সকল পর্নোগ্রাফী সরবরাহকারক ওয়েব সাইট গুলোকে দেশের সার্ভার থেকে বন্ধ করে দেয়।

এরই মধ্যে দেশের অনেক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেড়েছে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ধনগ্ন স্থিরচিত্র, ভিডিও এবং যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অঙ্গভঙ্গি প্রর্দশন। সামাজিক যোগাযোগ এ মাধ্যমটির এমন পরিস্থিতি অবগমন করতে বাদ যায়নি, দেশের খ্যাতনামা অনেক তরকাশিল্পী থেকে সাধারণ অল্প বয়স্ক তরুণ তরুণী। এছাড়া বিদেশী এসব অপসংস্কৃতি দেখে, দেশের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের হারও বেড়েই চলেছে।

ফলে সরকার যে উদ্দেশ্যে, দেশের নাগরিকদের সামাজিক, নৈতিক ও মানসিক উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে, তার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এবং দেশে বাড়ছে নারী পুরুষের একে অন্যের প্রতি সম্মানহীনতা, বিবাহ বিচ্ছেদ, ধর্ষন, ইভটিজিং, হীনমন্যতা, পারস্পারিক কলহ ও নারী নিরাপত্তাহীনতা। Ashib Hassan (আলাপ) ২২:৩৭, ৩০ এপ্রিল ২০২১ (ইউটিসি)Reply[উত্তর দিন]