বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্যবহারকারী:তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী

উইকিবই থেকে

পরিচিতি

[সম্পাদনা]

তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী, শিক্ষাবিদ, পত্রিকা সম্পাদক, গ্ৰন্থকার,লেখক, প্রবন্ধকার, রাজনীতিবিদ,ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক। উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতি। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য।


ষন্নিগ্রহী পদবির উৎস

[সম্পাদনা]

কৃষ্টিকিরণ প্রতিবেদনঃ হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে ষড়রিপু বা ছয় শত্রু হল, কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। এই রিপুগুলির নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য মানুষের মোক্ষলাভে বাধা দেয় বলে বিশ্বাস। ষড়রিপু আত্মাকে জন্ম-মৃত্যু চক্রের সাথে আবদ্ধ করে। ষড়রিপু পরিত্যাগ বা এড়িয়ে চললে সুন্দর জীবন ও আধ্যাত্মিক মুক্তি বা মোক্ষলাভ মানুষের হয় বলে হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে। ষড় রিপু যিনি নিগ্রহ বা দমন করেন তিনি হলেন 'যন্নিগ্রহী'। অনেকের ধারণা ষড়রিপুর দমন বা নিগ্রহ থেকেই 'যন্নিগ্রহী' পদবি এসেছে।

আবার অনেকের মতে প্রাচীনকালের রাজাদের বিশিষ্ট মন্ত্রী 'সন্ধিবিগ্রহিক' কথা থেকেই 'যন্নিগ্রহী' পদবির উৎপত্তি ঘটেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন, 'সন্ধিবিগ্রহিক মহাপাত্র' একটি প্রাচীন ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদ। এটি সাধারণত যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ের মন্ত্রী বোঝায়। 'মহাপাত্র' উপাধি উচ্চ পদ মর্যাদা নির্দেশ করে যা রাজসভার প্রধান অমাত্য বা মন্ত্রীর সমান। এঁরা রাজার আস্থাভাজন হয়ে বৈদেশিক নীতি ও যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। পাল ও সেন রাজবংশের সময়ে এই পদ খুবই প্রচলিত ছিল।

পাল ও সেন রাজত্বের (৭৮০- ১১৬০) আমলে 'কুমারামাত্য' 'দণ্ডনায়ক' ইত্যাদির মতো উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে 'সন্ধিবিগ্রহিক' ও 'মহাপাত্র' -এর উল্লেখ আছে।

পাল রাজা রামপালের সময়ে (১০৮২-১১২৪) প্রজাপতি সন্ধি বিগ্রহিক ছিলেন। ত্রিপুরার রাজা দেবাদিত্য ও একজন 'সন্ধিবিগ্রহিক' ছিলেন বলে জানা যায়।

ভবদেব ভট্ট ছিলেন প্রাচীন বঙ্গদেশের একজন প্রখ্যাত ধর্মশাস্ত্র রচয়িতা। তিনি বর্মণ রাজ হরিবর্মার 'মহা সন্ধিবিগ্রহিক' মন্ত্রী ছিলেন। উল্লেখ্য, বর্মণ রাজবংশ (৩৫০-৬৫৫) পৃষ্যবর্মণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কামরূপ রাজ্যের প্রথম ঐতিহাসিক রাজবংশ ছিল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন বর্তমান ওড়িশার দক্ষিণ অংশ আগেকার দিনে কলিঙ্গ রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল।

তখনকার দিনে বিশ্বনাথ কবিরাজ ছিলেন একজন সাহিত্যিক এবং সংস্কৃত আলঙ্কারিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ সাহিত্য দর্পণ। কলিঙ্গের গঙ্গাবংশীয় শাসকদের সাথে তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠতা ছিল। বিশ্বনাথ কবিরাজের সঠিক জন্ম তারিখ জানা যায়নি। তবে তিনি পরপর দুজন গঙ্গাবংশীয় শাসক-রাজা চতুর্থ নরসিংদেব (১৩৭৮-১৪১৪) এবং রাজা চতুর্থ নিশঙ্ক ভানুদেবের (১৪১৪-১৪৩৪) আমলে বিশিষ্ট সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। ফলে দুজন শাসকের আমলকে বিশ্বনাথ কবিরাজের জীবনের অনেক অংশ কেটেছে বলে ধরা হয়। সময়টা ছিল ১৩৭৮ থেকে ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।

উল্লেখ্য, বিশ্বনাথের পিতা চন্দ্রশেখর এবং বিশ্বনাথ নিজে কলিঙ্গের রাজ দরবারে যুদ্ধ ও শান্তি মন্ত্রীর উপাধি (সন্ধিবিগ্রহিকা মহাপাত্র) উপাধি লাভ করেছিলেন। এই সন্ধি বিগ্রহিকা উপাধি থেকেই কালক্রমে বন্নিগ্রহী / সন্নিগ্রহী পদবী এসেছে বলে মনে করা হয়।

তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী একজন ভারতীয় শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, বিশিষ্ট উইকিপিডিয়ান এবং 'কৃষ্টি কিরণ' পত্রিকার সম্পাদক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এবং এই সমিতির মুখপত্র 'শিক্ষা ও শিক্ষক'-এর প্রাক্তন সম্পাদক ছিলেন । শিক্ষাক্ষেত্র ও উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখার পাশাপাশি তিনি একজন সক্রিয় লেখক ও সম্পাদক। বাংলা উইকিপিডিয়াতে তিনি ৫৫০ এর ওপর প্রবন্ধ লিখেছেন। তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী বাংলা উইকিপিডিয়ায় সম্পাদনা করেছেন ৬৯০০০+(জুন ২০২৬)

তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী একজন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং লেখক, যিনি প্রধানত তাঁর সাহিত্যচর্চা এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য পরিচিত। তাঁর সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য নিচে দেওয়া হলো: পেশা ও অবদান: তিনি বাঁকুড়া জেলার সিমলাপাল এলাকার বাসিন্দা এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বর্তমানে তিনি 'কৃষ্টি কিরণ' নামক একটি পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। উইকিপিডিয়ান: তিনি একজন সক্রিয় ভারতীয় উইকিপিডিয়ান এবং বিভিন্ন বাংলা উইকি প্রকল্পে (যেমন উইকিসংকলন, উইকিউক্তি) নিয়মিত অবদান রাখেন। রাজনীতি: তিনি পশ্চিমবঙ্গের তালড্যাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (২০২৪) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (INC) প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। পরিচয়: তাঁর জন্ম ১ মার্চ ১৯৫৩ সালে বাঁকুড়ার পুটিয়াদহ গ্রামে । তাঁর পদবি 'ষন্নিগ্রহী' শব্দটি মূলত হিন্দু শাস্ত্রের 'ষড়রিপু' দমনকারীর অর্থ বহন করে।

জানা অজানা, ১০ এপ্রিল

[সম্পাদনা]

তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান

১০ এপ্রিল:

বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস: স্বাস্থ্যসেবায় হোমিওপ্যাথির অবদান তুলে ধরতে এবং ডক্টর হ্যানিম্যানের জন্মদিন স্মরণে প্রতি বছর ১০ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়।

জাতীয় ভাইবোন দিবস: ভাইবোন ও পারিবারিক বন্ধন উদযাপনের একটি দিন।

অন্যান্য পালনীয় বিষয়সমূহ:

জাতীয় যুব এইচআইভি ও এইডস সচেতনতা দিবস: এর মূল লক্ষ্য হলো এইচআইভি/এইডস বিষয়ে তরুণদের শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত করা।

আন্তর্জাতিক শিশু যোগ দিবস: শিশুদের সুস্থতাকে উৎসাহিত করে।

জাতীয় খামার প্রাণী দিবস: খামারের পশুদের যত্নের গুরুত্ব তুলে ধরে।

জাতীয় কুকুরকে আলিঙ্গন দিবস: পোষ্য মালিকদের তাদের কুকুরদের উদযাপন করার একটি দিন।

জাতীয় সিনামন ক্রিসেন্ট দিবস: একটি মজাদার খাদ্য উৎসব।

ঐতিহাসিক তাৎপর্য (১০ এপ্রিল):

৮৩৭: হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল।

১৬৩৩: লন্ডনে প্রথম কলা বিক্রি শুরু হয়।

১৯৯৫: ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই পরলোকগমন করেন।

প্রধান ব্যক্তিগণ:

জন্মদিন: অর্থনীতিবিদ ধনঞ্জয় রামচন্দ্র গাডগিল এবং গায়িকা কিশোরী আমনকার এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু: জীবাশ্মবিদ বীরবল সাহনি (১৯৪৯) এবং প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই (১৯৯৫)

৪ মে ২০২৬

[সম্পাদনা]

।।এক নজরে।। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সাধারণ নির্বাচন- ২০২৬

        *ফলাফল* 

সর্বভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্ট : ১

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস: ৮১ - ১

আম জনতা উন্নয়ন পার্টি: ২

ভারতীয় জনতা পার্টি: ২০৭ + ১(ফশতা পুনর্নির্বাচন)

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী): ১

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস: ২

তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান কর্তৃক সংগৃহীত।

।।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন - ২০২৬।। ২৫১ - তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র।

  • ফলাফল*

জিতেছেন ১২৪৫৩৭ (+ ৫০০৭৩) সৌভিক পাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি

হারলেন ৭৪৪৬৪ ( -৫০০৭৩) ফাল্গুনী সিংহবাবু সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস

হারলেন ১৩৫৮৬ ( -১১০৯৫১) দেবকান্তি মহন্তী ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)

হারলেন ১৫৩২ ( -১২৩০০৫) নয়ন দাস চক্রবর্তী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস

হারলেন ১৪৮০ ( -১২৩০৫৭) প্রসেনজিৎ সিংহ নির্দল

হারলেন ১১২৮ ( -১২৩৪০৯) শুভেন্দু মাহাত এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট)

হারলেন ৯৫০ ( -১২৩৫৮৭) এসকে সালাম হোসেন গোন্দবন গান্তান্ট্রা পার্টি

হারলেন ৫৬০ ( -১২৩৯৭৭) রাজু কর্মকার নির্দল

১৬৯৯ ( -১২২৮৩৮) নোটা উপরের কোনোটিই নয়।

তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান কর্তৃক সংগৃহীত। তারিখ: ভোট গ্ৰহণ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ গণনা: ৪ মে ২০২৬

২৫১ নম্বর তালডাংরা বিধানসভার নব নির্বাচিত বিধায়ক সৌভিক পাত্রকে সংবর্ধনা

[সম্পাদনা]

সিমলাপাল, বাঁকুড়া, ২৬ মে ২০২৬: দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি, সিমলাপাল ব্লক শাখার পক্ষ থেকে তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্রকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সিমলাপাল মদনমোহন হাই স্কুলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিমলাপাল ব্লকের বহু উৎকল সম্প্রদায়ের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সিমলাপাল, লক্ষ্মীসাগর, বিক্রমপুর, দুবরাজপুর, মণ্ডলগ্রাম, মাচাতোড়া ও পার্শ্বলা এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সংগঠনের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে ফুল ও মালা দিয়ে নবনির্বাচিত বিধায়ককে বরণ করা হয়। সংবর্ধনা- মানপত্র পাঠ করে তা প্রদান করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সভাপতি তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী। বিধায়ক সৌভিক পাত্র তাঁর বক্তব্যে মা ও বোনেরা এবং যুব সম্প্রদায় যাতে সমাজ গঠনের কাজে অগ্রণী ভূমিকা নেন সে জন্য অনুরোধ জানান। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক তারাপদ মহাপাত্র, বাঁকুড়া জেলা শাখার সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন পাত্র, সিমলাপাল মদনমোহন হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক তাপসকুমার সিংহমহাপাত্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সম্পাদক অজিতকুমার দাশ, সভাপতিত্ব করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সভাপতি তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী।

সংবর্ধনা- মানপত্র

[সম্পাদনা]

।।দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি।।

সিমলাপাল ব্লক শাখা 

সিমলাপাল * বাঁকুড়া

"কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন" ২৫১ নম্বর তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক মাননীয় সৌভিক পাত্র মহাশয়কে প্রদত্ত- ।। সংবর্ধনা মানপত্র ।। সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ীদের অকৃত্রিম ভালোবাসায় সিক্ত ও ধন্য হে গুণীজন! আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি, সিমলাপাল ব্লক শাখার পক্ষ থেকে আপনাকে এই সুবর্ণ ও স্মরণীয় লগ্নে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করছি। আপনার কর্মময় জীবন, আদর্শ ও অনন্য ভবিষ্যৎ অবদানকে সম্মান জানাতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। পশ্চিমবঙ্গের তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র আজ নবপ্রাণে স্পন্দিত। এখান থেকেই শুরু হলো আপনার জীবনের এক মহত্তম সোপান। এই শুভ যাত্রালগ্নে আমাদের হৃদ নিংড়ানো অজস্র শুভেচ্ছা ও একরাশ স্নেহাশীষ গ্রহণ করুন। আমরা আপনাকে বরণ করছি এক বুক আশা আর নির্মল ভালোবাসা দিয়ে। হে আগামীর স্থপতি! উচ্ছল তারুণ্যের অফুরন্ত প্রাণশক্তি আপনার ধমনীতে প্রবহমান। আমরা যখন আপনাকে বরণ করছি, তখন আমাদের সমাজ দ্রুত বদলে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির জোয়ারে। আমাদের প্রিয় স্বদেশ আজ যখন মূল্যবোধের অবক্ষয়, অশিক্ষা ও নানা সংকটের মুখোমুখি, তখন আপনাদের মতো প্রাণবন্ত তরুণদেরই নিতে হবে আরও দায়িত্ব। হে সমাজসেবী! বিধায়ক হিসেবে আপনার কর্মজগৎ প্রসারিত হয়েছে। আপনি উৎকল ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান, এটিও আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সমাজের অগ্রগতি ও উন্নয়নমূলক কাজে আপনি সাহায্য, সহযোগিতা ও পরামর্শ নতুন উদ্যমে দিচ্ছেন, সেজন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। ভবিষ্যতে আপনি আরও সক্রিয়ভাবে সমাজসেবায় অংশগ্রহণ করুন এই আমাদের প্রত্যাশা। হে প্রিয় সাথী! আপনাকে যথাযথ সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের উপযুক্ত ক্ষমতা আমাদের নেই। আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসাই আমাদের একমাত্র সম্বল। আমাদের চিন্তা - চেতনায় আপনি থাকবেন প্রোজ্জ্বল। আমাদের প্রত্যাশা, আপনার সান্নিধ্য ও শুভেচ্ছা থেকে আমরাও বঞ্চিত হব না। পরিশেষে, ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা, আপনি সুস্থ থাকুন, সমাজ সেবার মহান ব্রতে এগিয়ে চলুন। সুদীর্ঘ আনন্দময় জীবন লাভ করুন। ভবদীয়- দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি,

সিমলাপাল ব্লক শাখার সদস্য ও সদস্যাবৃন্দ। সিমলাপাল * বাঁকুড়া

লেখক: তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার

[সম্পাদনা]

২৭ মে ২০২৬: অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। ১১ পাতার সেই ফর্মে আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের খুঁটিনাটি চাওয়া হয়েছে। জমির কাগজ থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি— যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে। তবেই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা মিলবে। তবেই মাসে তিন হাজার টাকা করে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন মহিলারা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছেন। নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে গেলে ওই ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, অনলাইন এবং অফলাইন মাধ্যমে ফর্মটি পূরণ করা যাবে। যাঁরা তা করতে পারবেন না, তাঁদের সহায়তার জন্য সরকারি আধিকারিকেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন। এমনকি, বিধায়কদেরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের মাধ্যমেই নাগরিকদের পরিবার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরকার সংগ্রহ করছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, সেই কারণে ফর্মটি দীর্ঘ হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের আওতায় আনার জন্যেও এই ফর্মের নথি এবং তথ্য বিবেচনা করা হবে। ১১ পাতার যে ফর্মটি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে প্রথমেই আবেদনকারীর পরিবারের প্রধানের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়েছে। এর পর পরিবারের বাকি সদস্যদের এই সমস্ত তথ্য এবং গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত করা থাকতে হবে। আবেদনকারীর পরিবারের প্রধান-সহ প্রত্যেক সদস্যের ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভা এবং পার্ট নম্বরও অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে লিখতে হবে। ডিজিটাল রেশন কার্ড থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্য বিশদে উল্লেখ করতে হবে। ফর্মের তৃতীয় পর্যায়ে আবেদনকারীকে তাঁর সম্পত্তির খতিয়ান দিতে হবে। পাকা বাড়ি আছে কি না, আবেদনকারীর পরিবার কতটা জমির মালিক, মিউটেশন এবং রেজিস্ট্রেশনের নথি-সহ তা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের কারও চার চাকার গাড়ি আছে কি না, তা-ও জানাতে হবে।

আবেদনকারী ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারি কোনও প্রকল্পের সুবিধা পান কি না, কোনও স্বাস্থ্যবিমা আছে কি না, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে তা জানতে চেয়েছে সরকার। যদি থাকে, পরিবারের সকল সদস্যের প্যান কার্ডের নম্বরও ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। এ ছাড়া, পরিবারের প্রত্যেকের পেশা ফর্মে লিখতে হবে। বক্তব্যের সপক্ষে উপযুক্ত কাগজও জমা দিতে হবে।

পরিবারের প্রত্যেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য এই ফর্মের মাধ্যমে সংগ্রহ করছে সরকার। তাই শিক্ষিত সদস্যদের প্রত্যেককে তাঁদের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে এবং সেই সংক্রান্ত নথি বা শংসাপত্র জমা দিতে হবে। জানাতে হবে পরিবারের মোট বার্ষিক আয়ের পরিমাণ। এ ছাড়া, কেউ সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন কি না, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনও সরকারি কার্ডের সুবিধা নিয়েছেন কি না, এসআইআর-এ নাম বাদ পড়েছে কি না, পড়লে ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন কি না, এই ফর্মে জানতে চেয়েছে সরকার। চাওয়া হয়েছে পরিবারের সকল শিশুর স্কুলের নাম এবং টীকাকরণের তথ্যও।

শুভেন্দু জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে তিন মাস পর্যন্ত ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়া চলবে। তাই তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। অনেকেই মনে করছেন, যে সমস্ত তথ্য এই ফর্মে চাওয়া হয়েছে, তাতে সকলে নির্বিঘ্নে নিজে থেকে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না। অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন। সে ক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি সরকারি কর্মচারীদের সহায়তা প্রয়োজন হবে। (সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম) তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।

বিশ্ব মহাসাগর দিবস

[সম্পাদনা]

প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালিত হয় । পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখতে আমাদের মহাসাগরগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং এদের সুরক্ষার জন্য বৈশ্বিক পদক্ষেপকে উৎসাহিত করতে এই দিবস গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই আন্তর্জাতিক দিবসটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। মহাসাগর হল লবণাক্ত জলের এক বিশাল ও অবিচ্ছিন্ন জলাশয় যা পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় ৭০.৮% জুড়ে রয়েছে। এটি জলমণ্ডলের প্রধান উপাদান, যেখানে পৃথিবীর ৯৭% জল রয়েছে। মহাসাগর আমাদের বৈশ্বিক জলবায়ু, কার্বন চক্র ও আবহাওয়ার মৌলিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। পৃথিবীর জীবন সহায়ক ব্যবস্থা, পৃথিবীর সকল প্রাণের জন্য মহাসাগর অপরিহার্য এবং এটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক কার্য সম্পাদন করে থাকে। সামুদ্রিক উদ্ভিদ এবং ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন আমাদের শ্বাসগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অন্তত ৫০% উৎপন্ন করে। এটি বৈশ্বিক কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং বিপুল পরিমাণ সৌর তাপ শোষণ করে, যা বৈশ্বিক বায়ুপ্রবাহকে চালিত করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। মহাসাগর পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণী ও প্রটিস্ট জীবনের আবাসস্থল, যার মধ্যে আণুবীক্ষণিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে শুরু করে বিশাল নীল তিমি পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। বিশালতা সত্ত্বেও, মহাসাগর অতিরিক্ত মাছ ধরা, দূষণ, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অম্লীকরণের মতো গুরুতর হুমকির সম্মুখীন। মহাসাগর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে, শীতে উষ্ণতা এবং গ্রীষ্মে শীতল বাতাস প্রদান করে। এটি আমাদের খাদ্য, ঔষধ এবং পরিবহনেরও জোগান দেয়। এই গ্রহের যেখানেই বাস করুন না কেন, সমুদ্র থেকে যত দূরেই থাকুন না কেন, মানুষের জীবন মহাসাগরের উপর নির্ভরশীল। এই মুহূর্তে মহাসাগরের সবচেয়ে জরুরি সমস্যা হলো প্লাস্টিক দূষণ। প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বোতলসহ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো বেশ কয়েক বছর ধরে বিশ্ব মহাসাগর দিবসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিও একটি বিশাল সমস্যা। সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি আবহাওয়ার ধরনের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি বৃদ্ধির জন্য এটিকে আংশিকভাবে দায়ী বলে মনে করা হয়। কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধি সমুদ্রের জলের অম্লতার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং অনেক সামুদ্রিক জীবকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। ২০২৬ সালের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পুনর্বিবেচনা’ যা আমাদের মহাসাগরকে দেখার ও এর যত্ন নেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে আহ্বান জানায়। বহু দিন ধরে আমরা একে এক দূরবর্তী বস্তু হিসেবে দেখে এসেছি, অথচ প্রকৃতপক্ষে এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই একটি অংশ। যে বাতাসে আমরা শ্বাস নিই, যে খাবার খাই, এবং যে জলবায়ু ভারসাম্য আমাদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখে তা অনেকাংশে মহাসাগর নিয়ন্ত্রণ করে। আসুন, আমরা এর সম্পদের নিছক সুবিধাভোগী হওয়া বন্ধ করে এর ভবিষ্যতের প্রকৃত অভিভাবক হয়ে উঠি। মহাসাগরগুলি পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহাসাগরের দূষণ ও বাস্তুতন্ত্রের সমস্যা হলে মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে মহাসাগরের গুরুত্ব আছে। সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতেই হবে। তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী, সিমলাপাল, বাঁকুড়া, পিন কোড নম্বর: ৭২২১৫১ মোবাইল ফোন নম্বর:+৯১ ৬২৯০০৬০৭৪৯