উপস্থাপনা/উপস্থাপনার প্রস্তুতি/কথা বলতে হবে যেভাবে

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

আপনি যদি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান কিংবা পেশাগত জীবনে সফল হতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই একজন ভালো উপস্থাপক হতে হবে। একজন ভালো উপস্থাপক খুব সহজেই তার অধীনস্তদেরকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। একজন ভালো উপস্থাপক হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে উপস্থাপনা করতে হবে। আমরা এখন এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো মেনে না চললে আপনার পক্ষে কোন ভাবেই একজন ভালো উপস্থাপক হওয়া সম্ভব নয়।

গল্পচ্ছলে কথা বলুন

অনেক উপস্থাপক উপস্থাপনা করার সময় খুব বেশি উপদেশ কিংবা খুব তথ্য দিয়ে থাকেন। অতিমাত্রায় উপদেশ কিংবা তথ্য দুটোই আপনার উপস্থাপনাকে লোকজনের কাছে বিরক্তিকর করে তুলবে। অতিরিক্ত উপদেশ কিংবা তথ্য দেয়ার পরিবর্তে আপনি যদি গল্প বলার মাধ্যমে আপনার কাংক্ষিত বিষয় উপস্থাপন করতে পারেন তবে তা লোকের কাছে অনেক বেশি শ্রুতিমধুর হবে। সুতরাং অযথাই উপদেশ দিয়ে আপনার উপস্থাপনাকে একঘেঁয়ে না করে গল্পের মাধ্যমে আপনার উপস্থাপনাকে ফলপ্রসু করুন।


শ্রোতাদেরকে আলাদা আলাদা করে ভাবা

উপস্থাপনার সময় একটা বিষয় মাথায় রাখবেন। তা হল, আপনার সামনে যে অডিয়েন্স বসে আছে তা কিন্তু অনেকগুলো ব্যাক্তির সমন্বয়। উপস্থাপনা করার সময় সম্পূর্ণ অডিয়েন্সকে একসাথে না ভেবে আলাদা আলাদাভাবে প্রত্যেকটা ব্যাক্তিকে নিয়ে আপনার ভাবতে হবে। প্রত্যেকের মানসিকতাকে উপলব্ধি করেই আপনাকে আপনার বক্তব্য রাখতে হবে।


সংক্ষিপ্ততা

অনেকেই উপস্থাপনাকে খুব বেশি দীর্ঘায়িত করে ফেলেন। দীর্ঘ বক্তব্য সবসময় শ্রোতাদেরকে বিরক্ত করে। উপস্থাপনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়টি সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে আপনাকে তুলে ধরতে হবে। যদি কম সময়ের মধ্যে আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আপনার শ্রোতাদেরকে বুঝাতে সক্ষম হোন তবেই আপনি একজন সেরা উপস্থাপক হবেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী একটা উপস্থাপনা আধা ঘন্টার চেয়ে বেশি হওয়া কোন মতেই ঠিক না। যদি সময় না মেনে উপস্থাপনা করেন তবে শ্রোতাদের কাছে আপনি বিরক্তির পাত্র হবেন। সুতরাং সেরা উপস্থাপক হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই সময় সচেতন হতে হবে।