উইকিশৈশব:রাসায়নিক মৌল/থ্যালিয়াম

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

এটি দেখতে, অনুভব, স্বাদ বা গন্ধ কেমন?[সম্পাদনা]

এটি স্বাদহীন, বর্ণহীন এবং গন্ধহীন। এটি ঘাতসহ, নমনীয়, রূপালী রঙের এবং চকচকে। এটি বাতাসে নীলাভ-ধূসর অক্সাইডে বিবর্ণ হয়।

এটি কিভাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল?[সম্পাদনা]

ইংরেজ বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম ক্রুকস ১৮৬১ সালে বর্ণালীবীক্ষণভাবে থ্যালিয়াম খুঁজে পান। ক্রুকস এবং ফরাসি বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞ ক্লদ অগাস্টে ল্যামি উভয়ই ১৮৬২ সালে এই উপাদানটিকে আলাদা করেছিলেন।

এর নাম কোথা থেকে এসেছে?[সম্পাদনা]

এটি ১৮৬১ সালে শিখা বর্ণালীবীক্ষণ দ্বারা আবিষ্কৃত হয়। যেহেতু থ্যালিয়ামের রঙ উজ্জ্বল সবুজ, তাই বিজ্ঞানীরা এটিকে থ্যালিয়াম নাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা গ্রীক শব্দ θαλλός, 'থ্যালোস' থেকে এসেছে, যার অর্থ "সবুজ অঙ্কুর বা ডাল"।

আপনি কি জানেন?

  • বিশ্বের প্রায় ৭০% থ্যালিয়াম ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত হয়
  • থ্যালিয়াম হৃদরোগের অবেক্ষণের জন্যও ব্যবহৃত হয়
  • থ্যালিয়াম একটি বুনসেন শিখায় একটি সবুজ রঙ তৈরি করবে।

এর ব্যবহার কি?[সম্পাদনা]

থ্যালিয়াম খুবই বিষাক্ত। জনপ্রিয় ইঁদুর এবং পোকামাকড়ের বিষ তৈরি করতে এটি একটি উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ১৯৭২ সালে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। পরবর্তী বছরগুলোতে আরও কয়েকটি দেশ এই উদাহরণ অনুসরণ করে। দাদ, অন্যান্য ত্বকের সংক্রমণ এবং যক্ষ্মা রোগীদের রাতের ঘাম কমাতেও থ্যালিয়াম লবণ ব্যবহার করা হয়। তাদের সীমাবদ্ধ ভেষজ সূচক এবং এসব সমস্যার জন্য উন্নত ওষুধের বিবর্তনের জন্য এর সীমিত ব্যবহার রয়েছে।

থ্যালিয়াম সালফেট (থ্যালিয়ামের লবণ নামেও পরিচিত)

কোথায় পাওয়া যায়?[সম্পাদনা]

থ্যালিয়াম একটি ধাতু যা মাটিতে অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়।

এটা কি বিপজ্জনক?[সম্পাদনা]

থ্যালিয়াম যৌগ দিয়ে প্রস্তুতকৃত উপাদান খুব বিষাক্ত কারণ এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন। তাই যখন আপনি ত্বকের সাথে এটি স্পর্শ করাবেন তখন এটি আপনার জন্য খুব মারাত্মক হতে পারে।

পর্যায় সারণিতে থ্যালিয়াম[সম্পাদনা]

থ্যালিয়াম ১৩নং কলাম, ৬নং সারিতে রয়েছে।

Thallium place.png