উইকিশৈশব:রাসায়নিক মৌল/ক্লোরিন

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
পর্যায়ক্রমিক চার্টে ক্লোরিনের অবস্থান।
পর্যায় সারণীতে ক্লোরিনের প্রতীক
সমুদ্রের জল থেকে খাদ্যলবণ তৈরি। খাদ্যলবণ সোডিয়াম ও ক্লোরিন মৌল দিয়ে গঠিত।

মৌলটি দেখতে, স্পর্শে, স্বাদে, অথবা গন্ধে কেমন লাগে?[সম্পাদনা]

ক্লোরিন একটি ফ্যাকাশে সবুজ, শ্বাসরোধকারী, কটু গন্ধযুক্ত বিষাক্ত গ্যাস। ক্লোরিনের জলীয় দ্রবণে রাসায়নিক পরিষ্কারক হিসাবে ব্যবহার হয়। এটি সামান্য গন্ধযুক্ত বর্ণহীন একটি তরল। এর একটি স্বতন্ত্র রাসায়নিক স্বাদ আছে।

মৌলটি কিভাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল?[সম্পাদনা]

১৭৭৪ সালে ক্লোরিন মৌলটি আবিষ্কার করেন সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শেলি।

মৌলটির নাম কোথা থেকে এসেছে?[সম্পাদনা]

ক্লোরিন নামটি গ্রীক শব্দ ক্লোরোস থেকে এসেছে, যার অর্থ "ফ্যাকাশে সবুজ"।

তুমি কি জান?

  • ক্লোরিন এর আয়নিক রূপ ক্লোরাইড, সমুদ্রের জলে প্রচুর পরিমাণে দ্রবীভূত পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
  • পর্যায় সারণির প্রায় সব মৌলই ক্লোরাইড লবণ গঠন করে।

মৌলটি কোথায় পাওয়া যায়?[সম্পাদনা]

প্রকৃতিতে ক্লোরিন বেশিরভাগই ক্লোরাইড লবণ হিসাবে পাওয়া যায়।

এর ব্যবহার কোথায়?[সম্পাদনা]

জীবাণুনাশক হিসেবে সুইমিং পুলে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়।

ক্লোরিন সাধারণত জল পরিশুদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয়। প্রায় সব সুইমিং পুলে জলের পরিশোধনের জন্য রাসায়নিক হিসাবে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়।

এটা কি বিপজ্জনক?[সম্পাদনা]

ক্লোরিন গ্যাস খুবই বিপজ্জনক। গাঢ় ক্লোরিন গ্যাস মানুষের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত। গাঢ় ক্লোরিন গ্যাস নাকে মুখে ঢুকলে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।