উইকিশৈশব:সৌরজগৎ/শনি/হাইপেরিয়ন

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
হাইপেরিয়ন

হাইপেরিয়ন শনির একটি উপগ্রহ। এটি সম্পূর্ণরূপে গর্তে আচ্ছাদিত। এটি উচ্চ গতিতে ঘূর্ণন করে এবং শনিকে প্রদক্ষিণ করে।

এটি কত বড়?[সম্পাদনা]

হাইপেরিয়ন ২৬৬ কিলোমিটার চওড়া।

এর পৃষ্ঠতল কেমন?[সম্পাদনা]

হাইপেরিয়নের স্পঞ্জের মত পৃষ্ঠ

হাইপেরিয়নের পৃষ্ঠটি লালচে রঙের। বন্ড-লাসেল ডরসুম হাইপেরিয়নের অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট, যা এর বৃহত্তম পাহাড় (শুধুমাত্র এটিরই নামকরণ করা হয়েছে)। এবং এর বৃহত্তম গর্তটি ১২০ কিলোমিটার চওড়া এবং ১০ কিলোমিটার গভীর। হাইপেরিয়নের পৃষ্ঠে আরও অনেকগুলি গর্ত রয়েছে, যার কারণে এটিকে স্পঞ্জের মতো দেখায়।

এর দিন কত বড়?[সম্পাদনা]

হাইপেরিয়নের কক্ষপথটি বিশৃঙ্খল। এর দিনটি সাধারণত প্রায় পাঁচ ঘন্টা স্থায়ী হয়।

এটি কত দিনে শনিকে প্রদক্ষিণ করে?[সম্পাদনা]

শনির চারপাশে একবার প্রদক্ষিণ করতে হাইপেরিয়নের প্রায় ২১.২৮ দিন সময় লাগে।

এটি কি দ্বারা গঠিত?[সম্পাদনা]

হাইপেরিয়ন পানি থেকে তৈরি বরফ এবং সামান্য পাথর দ্বারা গঠিত।

এর নামকরণ কিভাবে করা হয়?[সম্পাদনা]

গ্রিক পুরাণের চরিত্র টাইটানের নামে হাইপেরিয়নের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি গাইয়া (পৃথিবী) এবং ইউরেনাসের (আকাশ) পুত্র ছিলেন এবং হেলিওস (সূর্য), সেলিন (চাঁদ), এবং ইওস (ডন) এর পিতা ছিলেন।

এটি কে আবিস্কার করেন?[সম্পাদনা]

১৮৪৮ সালে তিনজন বিজ্ঞানী হাইপেরিয়ন আবিষ্কার করেছিলেন। সেই বিজ্ঞানীরা হলেন উইলিয়াম ক্র্যাঞ্চ বন্ড, তার ছেলে জর্জ ফিলিপস বন্ড এবং উইলিয়াম ল্যাসেল। বন্ডের দুই দিন পরে ল্যাসেল হাইপেরিয়ন আবিষ্কার করেন এবং তাদের পূর্বে প্রকাশ করে তাদের পরাজিত করেন। যাইহোক, তিনজনকেই এর আবিষ্কারের জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়।