উইকিশৈশব:বিশ্বধর্ম/শিখধর্ম

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
শিখ ধর্মের প্রতীক

কতজন মানুষ কোথায় শিখ ধর্ম পালন করেন?[সম্পাদনা]

শিখ ধর্ম হল পঞ্চদশ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে উদ্ভূত একটি ধর্ম। বিশ্বে ২.৫ কোটি শিখ রয়েছেন। শিখ ধর্ম হল ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম ধর্ম যা জনসংখ্যার ১.৭ শতাংশ বা ২.১ কোটি।

শিখ ধর্মের বিশ্বাস কি?[সম্পাদনা]

তারা বিশ্বাস করেন একজন ঈশ্বর আছেন, যিনি মানুষ হতে পারেন না। তারা মনে করে মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য হল মৃত্যু ও জন্মের ক্রম ছিন্ন করে ঈশ্বরে মিলিত হওয়া। তারা দাবি করে যে এর উপায় হল গুরুদের শিক্ষা অনুসরণ করা, ঈশ্বরের ধ্যান করা এবং সদয় এবং দাতব্য হওয়া। তারা পাঁচটি মন্দ বিষয়কে বিশ্বাস করেন যথা ‘কাম’, ‘ক্রোধ’, ‘লোভ’, ‘মোহ’ (জাগতিক আসক্তি) এবং ‘অহংকার’। তারা উপবাস এবং মূর্তি ও মূর্তি পূজার মত আচার প্রত্যাখ্যান করার লক্ষ্য রাখেন। তারা মনে করে লিঙ্গ, ধর্ম, জাতিগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও কোনও বৈষম্য বা বিচ্ছিন্নতা থাকা উচিত নয়। তারা জীবন যাপনের জন্য কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাসী। তারা দাতব্য হওয়ার চেষ্টা করে মন্দিরগুলি সাধারণত বিনামূল্যে মানুষের জন্য খাবার তৈরি করেন।

শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কী?[সম্পাদনা]

গুরু গ্রন্থ সাহেব

গুরু গ্রন্থ সাহেব তাদের পবিত্র গ্রন্থ। এটি দশম এবং শেষ শিখ‌ ধর্মগুরু দ্বারা লিখিত হয়েছিল। ধারণা ছিল যে, যখন পৃথিবীতে আর কোনো শিখ গুরু থাকবে তখন এটিই গুরু হিসাবে কাজ করবে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গুরু নানক

গুরু নানক এই ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দশজন শিখ ধর্মগুরুর মধ্যে তিনিই প্রথম। তিনি প্রথম জীবনে হিন্দু হিসেবে বড় হয়েছেন।

প্রতীক[সম্পাদনা]

Khanda.svg

শিখ ধর্মের প্রতীক হল খাণ্ড। এতে মাঝখানে একটি দুটি তলোয়ার, বাইরের দিকে দুটি তলোয়ার এবং এক জোড়া বিশেষ ধরনের বর্শা রয়েছে।

শিখ মন্দিরের নিশান সাহেবে একটি ত্রিকোণাকৃতির পতাকায় এই খাণ্ড চিহ্ন আঁকা থাকে।