লুইস ক্যারল/রাজবংশ থেকে আগত


লুইস ক্যারল ছিলেন ইংল্যান্ডের রাজা এডওয়ার্ড তৃতীয়ের বংশধর। ডজসন পরিবার বহু আগে থেকেই এই বংশপরিচয়ের কথা জানত। যদিও পরবর্তীতে অন্যরাও স্বাধীনভাবে এই বংশসূত্র আবিষ্কার করেছে। তার বংশধারা ছিল এমন:
- তৃতীয় এডওয়ার্ড , ১৩১২–১৩৭৭
- ল্যাঙ্কাস্টারের ডিউক জন অব গন্ট, ১৩৪০–১৩৯৮
- জোয়ান ডি বিউফোর্ট, ১৩৭৫–১৪৪০
- এলিনর নেভিল, নর্থাম্বারল্যান্ডের কাউন্টেস, ১৪০৭–১৪৭২
- রালফ পার্সি, ১৪২৫–১৪৬৪
- মার্গারেট পার্সি, ১৪৬২–১৫০৬
- গুইসকার্ড হারবটল, ১৪৮৫–১৫১৩
- মেরি হারবটল, ১৫০৭–১৫৫৬
- এডওয়ার্ড ফিটন, ১৫২৭–১৫৭৯
- এডওয়ার্ড ফিটন, ১৫৫০–১৬০৬
- অ্যান ফিটন, ১৫৭৪–?
- অ্যান নিউডিগেট, ১৬০৮–১৬৩৭
- জন স্কেফিংটন, আনুমানিক ১৬২৯–১৬৯৫
- ৪র্থ ব্যারনেট; শ্বশুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২য় ভাইকাউন্ট ম্যাসারিন
- মেরি স্কেফিংটন, ১৬৫৫–১৭৩২
- স্যার চার্লস হগটনের সঙ্গে বিবাহ
- লুসি হগটন, ১৬৯৪–১৭৮০
- হেনরি লাটউইজ, ১৭২৪–১৭৯৮
- চার্লস লাটউইজ, ১৭৬৮–১৮৪৮
- ফ্রান্সেস লাটউইজ, ১৮০৩–১৮৫১
- লুইস ক্যারল
স্কেফিংটন
[সম্পাদনা]স্কেফিংটন পূর্বপুরুষের নাম থেকেই তার চাচা স্কেফিংটন লাটউইজের ব্যতিক্রমী নামটি এসেছে। পরে এই নামটি তার ভাই স্কেফিংটন ডজসনের কাছেও গিয়েছিল।
হগটন
[সম্পাদনা]স্যার চার্লস হগটন ছিলেন স্যার রিচার্ড হগটনের (১ম ব্যারনেট) বংশধর। কিংবদন্তি অনুযায়ী, একদিন স্যার রিচার্ডের টেবিলে রাজা জেমস প্রথম এক গরুর পাঁজরের টুকরাকে নাইট উপাধি দেন এবং নাম রাখেন “সারলোইন” (sirloin)।
স্যার রিচার্ড ছিলেন লুসিয়ার বংশধর। লুসিয়া ছিলেন আর্ল এডউইন ও মরকারের বোন, যাঁরা নরম্যান বিজয়ের সময় সক্রিয় ছিলেন। লুসিয়া বিয়ে করেন ইভো ডি ট্যালবোয়া, কাউন্ট অফ অঁজুকে।
‘‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’’-এ, মাউস বলে যে, তার জানা সবচেয়ে ‘শুষ্ক’ বা বিরক্তিকর জিনিস হলো—এডউইন ও মরকার সম্পর্কে একটি লেখা।
রজার ল্যান্সেলিন গ্রিন বলেন, লুইস ক্যারল যদি জানতেন তিনি এই দুই আর্লের আত্মীয়, তবে তিনি সম্ভবত ওই অংশ নিয়ে হাস্যকর ব্যঙ্গ করতেন না। তবে এতে হয়তো ক্যারলের রসবোধকে খাটো করে দেখা হয়েছে।