বিষয়বস্তুতে চলুন

লুইস ক্যারল/থ্রু দ্য লুকিং-গ্লাস

উইকিবই থেকে

“লুইস ক্যারল” নামে যাকে আমরা জানি, তার সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা ‘অ্যালিস’-এর বই হলেও, তার সাহিত্যিক অবদান কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ১৮৬৮ সালে তিনি ‘আন্ট জুডিস ম্যাগাজিন’-এ “ব্রুনো’স রিভেঞ্জ” (Bruno’s Revenge) নামে একটি ছোটগল্প প্রকাশ করেন, যা পরে বিস্তৃত হয়ে ‘সিলভি অ্যান্ড ব্রুনো’ (Sylvie and Bruno) নামে উপন্যাসে রূপ নেয়। এর পরের বছর, ১৮৬৯ সালে, তিনি ‘ফ্যান্টাসমাগোরিয়া অ্যান্ড আদার পোয়েমস’ (Phantasmagoria and Other Poems) নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতার সংকলন প্রকাশ করেন। এই সংকলনের শীর্ষক কবিতা ‘ফ্যান্টাসমাগোরিয়া’ (Phantasmagoria) — একজন মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া এক ভূতের গল্প — ‘দ্য হান্টিং অফ দ্য স্নার্ক’ (The Hunting of the Snark) এর পরে ক্যারলের দ্বিতীয় দীর্ঘতম কবিতা।

১৮৬৯ সালেই সিএলডি (চার্লস লুটউইজ ডজসন — লুইস ক্যারলের প্রকৃত নাম) ‘থ্রু দ্য লুকিং-গ্লাস’ (Through the Looking-Glass) বইটির প্রথম অধ্যায় তার প্রকাশক ম্যাকমিলান (Macmillan)-এর কাছে পাঠান। বইটির চিত্রাঙ্কনের জন্য জন টেনিয়েল (John Tenniel)-কে রাজি করাতে কিছুটা বেগ পেতে হয়, তবে শেষমেশ তিনি রাজি হন। এটি ১৮৭১ সালের শেষ দিকে প্রকাশিত হয়, যদিও বইয়ের মুদ্রিত প্রকাশনার তারিখ ছিল ১৮৭২। অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (Alice in Wonderland)-এর ৪২টি চিত্রের তুলনায় এতে চিত্র ছিল ৫০টি।

সিএলডি অক্সফোর্ডে থাকাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক ও অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৮৭২ সালে তিনি ‘দ্য নিউ বেলফ্রি অব ক্রাইস্ট চার্চ (অক্সফোর্ড)’ (The New Belfry of Christ Church (Oxford)) এবং ১৮৭৩ সালে ‘দ্য ভিশন অব দ্য থ্রি টি'এস’ (The Vision of the Three T's) নামে দুটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা লেখেন, যেগুলো ক্রাইস্ট চার্চের নির্মাণকাজ নিয়ে সমালোচনামূলক ছিল। তিনি ‘ডিসিএল’ (DCL) ছদ্মনাম ব্যবহার করেন — যা তার নামের আদ্যাক্ষরের পুনর্বিন্যাস — তবে অক্সফোর্ডের অনেকেই জানতেন যে লেখক তিনিই। এই সব রচনা সহ আরও কিছু লেখা পরে ১৮৭৪ সালে ‘নোটস বাই অ্যান অক্সফোর্ড চিয়েল’ (Notes by an Oxford Chiel) নামে সংকলিত হয়।