বিষয়বস্তুতে চলুন

রাজনৈতিক যোগাযোগের উপাদান: প্রচলিত গণমাধ্যমের নির্দেশিকা – মতামত নিবন্ধ ও সম্পাদককে লেখা চিঠি

উইকিবই থেকে
কাছ থেকে একটি ফাউন্টেন পেন ও একটি কিছুটা অস্পষ্ট কাগজপত্রের (সম্ভবত একটি সংবাদপত্র) ছবি।
আপনি যেভাবেই চিঠি লিখুন না কেন এই পরামর্শগুলো মেনে চললে তা প্রকাশের সম্ভাবনা বাড়ে।

একটি সম্পাদককে লেখা চিঠি হলো একটি সংক্ষিপ্ত (প্রায় ২০০ শব্দের) লেখা যা প্রকাশনার সাম্প্রতিক সংখ্যার কোনো নির্দিষ্ট প্রবন্ধ বা বিষয়ের প্রতিক্রিয়ায় লেখা হয়। "অপ-এড" (op-ed) শব্দটি মূলত এসেছে "opposite of the editorial" অর্থে অর্থাৎ "সম্পাদকীয়র বিপরীত", “মতামত-সম্পাদকীয়” নয়। অপ-এড সাধারণত একটি মাঝারি দৈর্ঘ্যের লেখা (প্রায় ৫০০ শব্দ) যা কোনো প্রকাশনা তাদের সম্পাদকীয় বোর্ডের অবস্থানের বিপরীতে মত প্রকাশের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। তবে বর্তমান সময়ে এই বিভাজন অনেকটাই অস্পষ্ট। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পাদককে লেখা চিঠি অনেক বড়ও হতে পারে আবার অপ-এড লেখাও প্রকাশনার পক্ষ থেকে অনুরোধে হওয়া প্রয়োজন নেই কিংবা তা সম্পাদকীয় বোর্ডের বিপরীত মত হওয়াও বাধ্যতামূলক নয়। আপনি কোন ধরনের পরিস্থিতিতে লিখছেন, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার লেখার কাঠামো কেমন হবে। তবুও, সম্পাদক আপনার লেখা পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা]

আপনার পাঠক কারা এবং তারা কীভাবে আপনার উদ্দেশ্যে সহায়তা করতে পারে তা আগে বুঝে নিন। শুধু মত প্রকাশ করবেন না, একটি নির্দিষ্ট অবস্থান তুলে ধরুন এবং পাঠকদের সামনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার উপায় তুলে ধরুন। অবস্থানের পক্ষে কথা বলার মানে হলো আপনার মতামত জানানো এবং পাঠককে বোঝানো এই বিষয়ে তাদের কী করা উচিত। যদি সমস্যা "ক" থেকে থাকে তবে সেটি কীভাবে সমাধান করা যায় তা ব্যাখ্যা করুন। যদি প্রার্থী "ক" কাজের জন্য সেরা ব্যক্তি হন তাহলে কীভাবে তাকে সমর্থন করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিন। সমর্থনের উদাহরণ হতে পারে, প্রচারণা বা কোনো বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইটে যাওয়া, স্বেচ্ছাসেবক হওয়া, অথবা নির্দিষ্টভাবে ভোট দেওয়া। লেখাটি পুরো পাঠকগোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে লিখুন, কোনো একক ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে নয়। প্রতিটি প্রকাশনার নিজস্ব পাঠকবর্গ থাকে তাই এক লেখাকে একাধিক জায়গায় পাঠানো উচিত নয়। উদাহরণস্বরূপ দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ স্থানীয় কোনো নির্বাচনের বিষয়ে লেখা সময়ের অপচয় ঠিক যেমনটি জাতীয় কোনো ইস্যুতে পক্ষপাতদুষ্ট লেখা স্থানীয় পত্রিকার জন্যও উপযুক্ত নয়। সম্পাদকরা সাধারণত নিছক প্রচলিত বক্তব্যের চেয়ে ব্যক্তিগত অভিমতের প্রকাশ বেশি পছন্দ করেন। নিজের স্বার্থ জড়িত এমন গল্প সম্বলিত চিঠিগুলো প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি থাকে।[] আপনার মতামত কেন গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝাতে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরুন। অনেক সময় আমরা তথ্য ও পরিসংখ্যানে ভরা একটি তালিকা তৈরি করতে চাই। কিন্তু সেটিই একটি অপ-এড বা সম্পাদককে লেখা চিঠির মূল উদ্দেশ্য নয়। উপমা, সংক্ষিপ্ত গল্প বা যুক্তিযুক্ত আবেগপ্রবণ বক্তব্য এসব রেটরিক্যাল কৌশল ব্যবহার করে মানুষকে আপনার মতের প্রতি আরও সহজে বিশ্বাসী করা যায় যা কেবল পরিসংখ্যানে সম্ভব নয়।

বিন্যাস

[সম্পাদনা]

আপনার লেখা ২০০ থেকে ৫০০ শব্দের মধ্যে হওয়া উচিত। তার চেয়ে ছোট হলে চলবে তবে প্রকাশিত পৃষ্ঠায় এর জায়গা কম থাকবে। ফন্ট মার্জিন কিংবা অন্যান্য বিন্যাসের বিষয়গুলো ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যদি না আপনার নথিপত্রে অপ্রচলিত বা অস্বস্তিকর কোনো মার্কআপ ব্যবহার করা হয়। যদি আপনি পিডিএফ ফাইল বা ডাকযোগে পাঠান তাহলে তা সম্পাদকের জন্য অতিরিক্ত ঝামেলা তৈরি করে ফলে তা প্রকাশের সম্ভাবনা কমে যায়। অনুচ্ছেদ বিভাজন এবং শিরোনাম কীভাবে হবে তা ঠিক করবেন সম্পাদক।

কীভাবে লিখবেন

[সম্পাদনা]

একটি অপ-এড বা সম্পাদকীয় চিঠি লেখার সময় এক বা দুই বাক্যে আপনি যেভাবে বিষয়টি অনুভব করছেন সেটি সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করুন। এরপর কয়েকটি বাক্যে বিষয়টির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন। যদিও এটি প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে যদি আপনি এমন একটি জাতীয় বিষয় নিয়ে লিখছেন যা বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এরপর এক বা দুইটি ছোট অনুচ্ছেদে আপনি কেন এই মত পোষণ করছেন তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করুন। এরপর পাঠকরা এই বিষয়ের জন্য কী করতে পারেন সে বিষয়ে আপনার বিশ্বাস অনুযায়ী পরামর্শ দিন। এই কর্মের আহ্বানটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি না থাকলে পাঠকরা হয়তো আপনার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত হলেও কিছু করার প্রেরণা পাবেন না। আপনি যদি তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা না দেন তাহলে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নাও নিতে পারেন।

লেখার শুরুতে ফিরে যান এবং সংক্ষেপে বলুন আপনি কে এবং প্রাসঙ্গিক যেকোনো তথ্য উল্লেখ করুন। সম্ভব হলে এমন একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে বের করুন যেখান থেকে আপনি বিষয়টিকে দেখতে পারেন এবং সেটি ভূমিকার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন যাতে পাঠকের মনোযোগ আকৃষ্ট হয়। শেষে একটি সংক্ষিপ্ত উপসংহার লিখুন, সম্ভব হলে একটি বাক্যে একটি জোরালো মন্তব্য করুন যা ভূমিকার সেই অনন্য দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মিল রেখে লেখা হয়। অনেক লেখক প্রভাবশালী ভূমিকা ও উপসংহার লেখা নিয়ে হতাশ হন কিন্তু এই কৌশলটি এই অংশগুলো লেখা সহজ করে তোলে।

লেখা জমা দেওয়ার আগে যাচাই করুন নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনার লেখায় আছে কি না:

  • আপনি কে এবং আপনি বিষয় "ক"-এর সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত?
  • বিষয় ক কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  • ক নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী?
  • ক নিয়ে আপনি কেন এভাবে ভাবছেন?
  • আমরা ক নিয়ে কী করতে পারি?

এই গঠনশৈলী অবশ্যই কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে এমন নয়। তবে এটি একজন লেখককে ২০০ থেকে ৫০০ শব্দের একটি শক্তিশালী লেখা তৈরি করতে সহায়তা করবে। নিজস্ব ভঙ্গি খুঁজে পেতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যান।

উদাহরণ

[সম্পাদনা]
সাধারণ প্রার্থী সমর্থনপত্র

কয়েকদিন আগে আমি শহর ক-এর আমার আবাসিক এলাকায় দৌড়াচ্ছিলাম, যেখানে আমি গত কয়েক বছর ধরে বাস করছি। ডাকবাক্সের ফাঁক দিয়ে আর ফুটপাথ বেয়ে ওঠার সময়, আমি টাউন গ্যাজেট-এর সামনের পাতায় একটি শিরোনাম দেখতে পেলাম। সেখানে লেখা ছিল "প্রার্থী ক নির্বাচনে প্রার্থী ক-কে চ্যালেঞ্জ করবেন"।

এই নির্বাচন নির্ধারণ করবে কে আমাদের সম্প্রদায়কে আগামী বহু বছর ধরে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এই এলাকার প্রতিনিধিরা এমন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর ওপর ভোট দেন, যা আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলে। তাই এসব জরুরি বিষয় উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

আমি প্রার্থী ক-এর পক্ষের মানুষ। আমি প্রার্থী খ-এর বিপক্ষে।

প্রার্থী ল বহু বছর ধরে বিভিন্ন বোর্ড ও কমিটিতে কাজ করে তার কমিউনিটির জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা বোর্ডে কয়েক বছর কাজ করা, যা গত বছর এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তিনি সব সময় নাগরিকদের সাহায্য করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপরীতে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী বারবার এসব বিষয় এড়িয়ে গেছেন। আমি জোরালোভাবে সুপারিশ করছি, ভোটাররা যেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে প্রার্থীদের অবস্থান সম্পর্কে জানার জন্য এই প্রকাশনার ভোটার গাইডটি পড়েন। যে কেউ example.com, facebook.com/example, অথবা twitter.com/example-এ গিয়ে প্রার্থী ক-এর প্রচার শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমি জানি না আমার কথা প্রার্থীদের প্রচারণার ধরন বদলাতে পারবে কি না। তবে এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি, এটি আমার দৌড়ের ধরন বদলে দেবে: এখন থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আমি "প্রার্থী ক-কে ভোট দিন" লেখা টি-শার্ট পরে শহর গ-এ দৌড়াবো।

-নাম

এই উদাহরণটি খুবই সাধারণ, তবে এটি লেখককে নিশ্চিত করে যে তিনি প্রয়োজনীয় সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করেছেন। একইসঙ্গে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে প্রয়োগযোগ্য হয়ে ওঠে। তবে সম্ভব হলে, আপনার ইতিবাচক দিকগুলো নির্দিষ্ট করে বলুন। যেমন, উপরের চিঠিতে "অনেক বছর" কথাটির পরিবর্তে যদি সেই প্রার্থীর আসলে কত বছরের অভিজ্ঞতা আছে তা লেখা যায় (ধরা হয় যদি সেই সময়কাল পদের জন্য যুক্তিযুক্ত হয়), তাহলে তা আরও ভালো হয়।

সাধারণ ইস্যুতে সমর্থনপত্র

প্রিয় সম্পাদক,

উফ! বাইরে কী প্রচণ্ড গরম! এই ধরণের দিনগুলোই আমাদের ঘরের ভেতরে থাকতে বাধ্য করে, আর এয়ার কন্ডিশনারের ঠাণ্ডা হাওয়ায় স্বস্তি নিতে হয়।

কিন্তু সবাই এমন সুবিধা পান না। মাঝে মাঝে ভাবলে ভয় লাগে, বাইরে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা এইরকম প্রচণ্ড গরমের সময় সূর্যের তাপ থেকে রেহাই পান না। বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা তো এমন সময় সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকেন। আমি এখন প্রতিদিন আমার দাদীকে ফোন করি—দেখি তিনি ভালো আছেন কিনা, পানি খাচ্ছেন কিনা।

শহরের আরও অনেক মানুষও কষ্টে আছেন। মনে হয় আমাদের সমাজের উচিত এই সমস্যার একটা সমাধান বের করা। কিন্তু প্রতিবারই এটা আমাদের আশ্চর্য করে দেয়।

এই কারণেই আমি আমাদের শহরে "জেনেরিক হোম ফান্ড গ্রান্ট" নামক অনুদান কর্মসূচির সম্প্রসারণের পক্ষে। শহরটি এই অনুদান প্রদান করে নিম্নআয়ের মানুষদের, যারা নিজের বাসায় উন্নয়নের জন্য যেমন দক্ষ এয়ার কন্ডিশনার বসানোর মতো খরচ চালাতে চান।

আমরা অনেক সময় নিজেদের সুবিধাগুলোকে স্বাভাবিক ধরে নিই। তবে আপনি যখন নিজের ঠাণ্ডা ঘরে বসে আরাম নিচ্ছেন, তখন পাশের বাড়ির মানুষদের কথাও ভাবুন। আজই শহরের ওয়েবসাইট example.com-এ গিয়ে আপনার সিটি কাউন্সিলরদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, আর বলুন তারা যেন এই কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেন। এটি শুধু দাদীর জন্য নয়; এটা আমাদের পুরো কমিউনিটির জন্য ভালো উদ্যোগ।

-নাম

এই চিঠিটি তুলনামূলকভাবে কিছুটা অনানুষ্ঠানিক হলেও, এটি একটি গুরুতর বিষয়ে সম্মানজনক ভঙ্গিতে লেখা হয়েছে। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে "কিন্তু" দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যটি গম্ভীরতায় একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে, তবে লেখার ধরণটি একই রয়ে গেছে।

পুনর্মূল্যায়ন

[সম্পাদনা]
নিম্নের কোন বাক্যটি সবচেয়ে কার্যকর?
ক: আমি বিশ্বাস করি প্রার্থী ক এই কাজের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি।
খ: প্রার্থী ক এই কাজের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি।
গ: ম উপজেলার সদর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কমিশনার পদে ভোট দিন প্রার্থী ক-কে, ২ নভেম্বর তারিখে।
ঘ: প্রার্থী ক এই কাজের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি, এবং আমি ভোটারদের উৎসাহ দিচ্ছি যাতে তারা ২ নভেম্বর তারিখে ম উপজেলার সদর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কমিশনার পদের জন্য তাকে ভোট দেন।
উত্তর: ঘ। প্রথম ও দ্বিতীয় বিকল্পে মত প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু পাঠকের করার মতো কোনো কাজ উল্লেখ নেই। তৃতীয়টিতে কাজের আহ্বান আছে, কিন্তু মত প্রকাশ নেই।


নিচের কোন সম্বোধনটি সবচেয়ে উপযুক্ত?
ক: সাংবাদিক ল, গত মাসে আপনার প্রতিবেদন ছিল পক্ষপাতদুষ্ট…
খ: দ্য মর্নিং-এর সকল হিস্পানিক পাঠকদের প্রতি,…
গ: প্রিয় পাঠকবৃন্দ,…
ঘ: যার উদ্দেশ্যে হতে পারে,…
উত্তর: গ। সম্পাদকীয় চিঠির ক্ষেত্রে সম্বোধন খুব একটা প্রয়োজন হয় না, আর অপ-এডের ক্ষেত্রে কখনই নয়। তবে যদি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে এমন কিছু ব্যবহার করুন যা সকল পাঠকের জন্য প্রযোজ্য হয় (যেমন "প্রিয় সম্পাদক")। সংবাদপত্রগুলো সাধারণত শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি ছাপায় না।


নিচের কোন ব্যক্তিগত বর্ণনাটি সবচেয়ে কার্যকর?
ক: আমি ১২ বছর ধরে শহর ক-এ বাস করছি। এর মধ্যে ৮ বছর আমি ফাউন্ডেশন খ-তে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে এই সম্প্রদায়কে সেবা দিয়েছি। এই অধিবেশনে, সিটি কাউন্সিল এইচবি ককক৯অ বিবেচনা করবে, যা এই দারুণ কর্মসূচির জন্য অঙ্গরাজ্যের অর্থায়ন কমিয়ে দেবে।
খ: আমি ১২ বছর ধরে শহর ক-এ বাস করছি। এর শেষ ৮ বছর আমি বিভিন্ন সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবা করেছি, যার মধ্যে ফাউন্ডেশন অ, ফাউন্ডেশন আ, ফাউন্ডেশন খ, এবং আরও অনেক সংস্থা রয়েছে। এই অধিবেশনে সিটি কাউন্সিল এইচবি কককক বিবেচনা করবে, যা ফাউন্ডেশন খ-এর অর্থায়ন কমিয়ে দেবে, এটি একটি চমৎকার কর্মসূচি।
গ: এই অধিবেশনে, সিটি কাউন্সিল এইচবি কককক বিবেচনা করবে, যা ফাউন্ডেশন খ-এর অঙ্গরাজ্য অর্থায়ন কমিয়ে দেবে, যেখানে আমি গত ৮ বছর ধরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছি। আমি শহর ক-এ ১২ বছর ধরে বাস করছি।
ঘ: আমি ১২ বছর ধরে শহর ক-এ বাস করছি। এর মধ্যে ৮ বছর আমি ফাউন্ডেশন খ-তে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছি, কিন্তু এই অধিবেশনে, সিটি কাউন্সিল এইচবি কককক বিবেচনা করবে, যা এই কর্মসূচির অর্থায়ন কমিয়ে দেবে—যার জন্য আমি এত পরিশ্রম করেছি।
উত্তর: ক। দ্বিতীয় বিকল্পে অতিরিক্ত তথ্য রয়েছে যা লেখার প্রবাহ ব্যাহত করতে পারে। ধরে নেওয়া হয় পাঠক কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোতেই আগ্রহী। তৃতীয়টি উল্টোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে: ব্যক্তিগত দিকটি মূল বক্তব্যে যাওয়ার সেতু হওয়া উচিত, উল্টো নয়। চতুর্থটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত মনে হয়, ফলে পাঠক মনে করতে পারে বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে আপনার নিয়ে, ফাউন্ডেশন নয়।


নিচের কোন আবেদন সবচেয়ে কার্যকর?
ক: ২০০৭–২০০৮ শিক্ষাবর্ষে, ইউআইএল অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পরীক্ষার জন্য ১০,১১৭টি পরীক্ষা নিয়েছিল, যার মধ্যে ৬,৪৫৫ জন পুরুষ ও ৩,৬৬২ জন মহিলা ছিল। মাত্র দুটি পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছিল। ২০০৮ সালের অটাম: ১৮,৮১৭টি পরীক্ষা, ৭টি সিপি। ২০০৯ সালের স্প্রিং: ১৬,২৬০টি পরীক্ষা, ৮টি সিপি। ২০০৯ অটাম: ৩,১৩৩টি পরীক্ষা, ২টি সিপি। ২০১০ স্প্রিং: ৩,৩০৮টি পরীক্ষা, ০টি সিপি। ২০১০ অটাম: ২,০৮৩টি পরীক্ষা, ১টি সিপি।
খ: ভাবুন তো, প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ করে হাজার হাজার ছাত্রকে এমন একটি জিনিসের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা আপনি ধরেই নিয়েছেন তাদের নেই। এটিই মূলত হাইস্কুল স্টেরয়েড পরীক্ষার বাস্তবতা।
গ: ভাবুন তো, ২০০৭ সালে কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ করে ৬,৪৫৫ জন ছেলে ও ৩,৬৬২ জন মেয়েকে এলোমেলোভাবে স্টেরয়েড পরীক্ষার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
ঘ: ২০০৭ সালে আমরা কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ করে হাইস্কুল ছাত্রদের জন্য ১০,১১৭টি স্টেরয়েড পরীক্ষা চালিয়েছি, আর মাত্র দুটি পজিটিভ পেয়েছি। ২০০৮ সালে এটি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, এরপর আমরা কর্মসূচিটি অনেক কমিয়ে ফেলেছি।
উত্তর: খ। যদিও এটি তেমন নির্দিষ্ট নয়, দ্বিতীয় বিকল্পটি প্রথম বাক্যের একটি সংক্ষিপ্ত, আলঙ্কারিক রূপ। প্রয়োজনে বাকি লেখায় গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান যোগ করা যায়।


Press releases