রাজনৈতিক যোগাযোগের উপাদানসমূহ: ভূমিকা – শৈলী
অবয়ব
এই বইটি লেখার সময় আমরা ভাষার ব্যাকরণ বা লিখনশৈলীর জটিল নিয়ম নিয়ে বেশি আলোচনা করা হয়নি। তাই, যাঁরা এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান, তাঁদের জন্য এটি একটি অতিরিক্ত সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
আপনি যদি কখনো এমন অবস্থায় পড়েন, যেখানে নিয়ম মেনে চলা আর পাঠকের কাছে পরিষ্কার ও সহজ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে একটা বেছে নিতে হয়—তাহলে পরিষ্কার বার্তাটিকেই গুরুত্ব দিন, এমনকি তাতে নিয়ম একটু ভেঙে গেলেও।
এই বইটি তৈরি করতে আমরা কিছু পরিচিত লেখার শৈলীর নির্দেশিকা অনুসরণ করেছি, যেমন:
- দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস স্টাইলবুক অ্যান্ড ব্রিফিং অন মিডিয়া ল (২০১২ সালের ৪৭তম সংস্করণ)
- দ্য শিকাগো ম্যানুয়াল অফ স্টাইল (১৬তম সংস্করণ)
- দ্য এলিমেন্টস অফ স্টাইল (উইলিয়াম স্ট্রাঙ্ক ও ই. বি. হোয়াইট রচিত, ৪র্থ সংস্করণ)
এই বইয়ের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা কাঠামো:
- ব্যবহার করা চিত্র ও মিডিয়া সবই ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স বা পাবলিক ডোমেইনের আওতায় রয়েছে।
- অধ্যায় ও অনুচ্ছেদের শিরোনাম এমনভাবে লেখা হয় যেন, কেবল প্রথম শব্দ ও নির্দিষ্ট নামগুলো বড় হাতের অক্ষরে থাকে।
- সাধারণত অধ্যায়গুলোর আলাদা সূচিপত্র থাকে না।
- উদ্ধৃতিগুলো প্রতিটি পৃষ্ঠায় সংক্ষিপ্তভাবে দেওয়া হয়, তবে তারা পুরো তথ্যসূত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যেটা আলাদা রেফারেন্স পাতায় পাওয়া যায়।
- উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ তথ্যসূত্র যুক্ত করা হয়েছে অধ্যায়ের শেষে।