বিষয়বস্তুতে চলুন

রন্ধনপ্রনালী:টঙ্কা তোরানি

উইকিবই থেকে
রন্ধনপ্রনালী:টঙ্কা তোরানি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ পানীয়
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৭-৮ জন।
তৈরির সময় প্রায় ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

টঙ্কা তোরানি

টঙ্কা তোরানি ভারতের ওড়িশা রাজ্যে জনপ্রিয় একটি গ্রীষ্মকালীন শীতল পানীয়। ভাতকে জারিয়ে নিয়ে তৈরি করা এই পানীয় পুরীর জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ হিসাবে নিবেদন হয়, তেমনই পুরীর রথযাত্রার সময়ে ভক্তরাও এটি পান করেন। এ ছাড়া নানা উৎসব, অনুষ্ঠান এমনকি, নববর্ষেও টঙ্কা তোরানি পান করার চল রয়েছে ওড়িশায়। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে ওড়িশার মানুষ বাড়িতে বানিয়ে নেন ওই পানীয়। টঙ্কা তোরানির স্বাদে টক-ঝালের মিশ্রন পাওয়া যায়। এতে চিনি যোগ করা হয়না। প্রতি চুমুকের স্বাথে এক সুতেজ গন্ধ পাওয়া যায় যা গ্রীষ্মকালের গরম থেকে শরীরকে তাজা ও চনমনে রাখতে সাহায্য করে। যেহেতু জারণ করে তৈরি, তাই এই পানীয়ে থাকে ভরপুর প্রোবায়োটিক, যা পেটের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ছাড়া ওই শরবতের বাকি উপাদানগুলিও হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরন পরিমান
ভাত ১ কাপ
দই ৩ টেবিল চামচ
আম আদা দেড় গাট মাপ
লেবু পাতা ৮-১০টি
কারিপাতা ১৪-১৫টি
কাঁচালঙ্কা ৪-৫টি
লেবুর চাকতি ৫-৬টি (আড়াআড়ি করে কাটা)
লেবু অর্ধেকটি
ভাজা জিরে গুঁড়ো ১/২ টেবিল চামচ
নুন স্বাদমতো
জল প্রয়োজনমতো

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. একটি পরিষ্কার মাটির বা যেকোনও পাত্রে ভাত জলে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন অন্তত ২০ ঘণ্টা।
  2. সময় হলে ঢাকনা খুলে পরিষ্কার হাতে জলের সঙ্গে ভাত ভালোভাবে চটকে নিন, তারপর জল ছেঁকে নিন। একেই বলা হয় তোরানি
  3. এবার হামানদিস্তায় আম আদা, কাঁচালঙ্কা, ৫-৬টি লেবু পাতা ও কারিপাতা দিয়ে ভালোভাবে ছেঁচে নিন।
  4. তোরানির মধ্যে প্রথমে দই মেশান এবং ভালোভাবে গুলে নিন।
  5. এরপর তাতে ছেঁচে রাখা মশলা, অর্ধেক লেবুর রস, ভাজা জিরে গুঁড়ো, লেবুর চাকতিগুলো এবং বাকি লেবুপাতা দিয়ে দিন।
  6. পরিষ্কার হাতে তোরানির মধ্যে দেওয়া সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে চেপে মেশান যাতে সুগন্ধ পানীয়ে ভালোভাবে মিশে যায়।
  7. প্রয়োজনে পরিমাণ মতো জল দিন।
    মাটির ভাঁড়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন টঙ্কা তোরানি