বিষয়বস্তুতে চলুন

খস খস শরবত

উইকিবই থেকে
(রন্ধনপ্রনালী:খস খস শরবত থেকে পুনর্নির্দেশিত)
খস খস শরবত
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ পানীয়
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ২ জন।
তৈরির সময় ১০ মিনিট
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

খস খস শরবত

বাঙালী হেঁসেলের জনপ্রিয় ও সুপরিচিত উপাদান পোস্তো ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে খস খস নামে পরিচিত। শরীর ঠান্ডা করতে পোস্তর গুনাবলীর বিষয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে আরবসাগরের তীরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন পরিচিত। আরবসাগর তীরের কোঙ্কন উপকূলে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রস্তুত হয় এক বিশেষ পানীয় যা হল খস খস শরবত বা পোস্তর শরবত। বাঙালিদের মতোই কোঙ্কন উপকূলেও নানা রান্নায় পোস্ত ব্যাবহার করার চল আছে। কোঙ্কন উপকূলের এই পোস্তের শরবতের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। এ শরবত বহু যুগ ধরে সেই অঞ্চলের লোকেরা পান করে আসছে। গোয়া, মহারাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল, এমনকি কর্নাটকেরও কিছু কিছু অঞ্চলেও এই শরবত পরিচিত। পোস্তর শরবত সেই অঞ্চলে গরমকালের এক দীর্ঘ আরামদায়ী ও স্বাস্থ্যকর পানীয়। আরামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণও জোগায় খস খস শরবত। এই শরবত স্থানীয় অঞ্চলে খস খস রস বা খস খস উধা নামেও পরিচিত। বাড়িতে সামান্য কয়েকটি উপকরণের সাহায্যে সহজেই বানিয়ে ফেলা যায় এই খস খস শরবত।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরন পরিমান
পোস্ত ১/২ কাপ
নারকেল কোরা ১/২ কাপ
ছোট এলাচ ৩টি
গুড়ের গুঁড়ো ১/২ কাপ (স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি)
দারচিনির গুঁড়ো ১ চা চামচ
গোলাপের পাপড়ি কয়েকটি (সাজানোর জন্য, ঐচ্ছিক)

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে পোস্ত জলে ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ৩০ মিনিট।
  2. এরপর মিক্সারে ভেজানো পোস্ত, নারকেল কোরা, ছোট এলাচ, গুড় এবং এক কাপ জল দিয়ে ভালোভাবে বেটে নিন।
  3. বাটা মিশ্রণটি একটি পাত্রে ঢালুন এবং প্রয়োজনমতো জল মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন।
  4. শরবতটি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন।
  5. ঠান্ডা হয়ে গেলে গ্লাসে ঢেলে উপরে দারচিনির গুঁড়ো অথবা গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে সাজিয়ে দিন।
    ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন খস খস শরবত