বিষয়বস্তুতে চলুন

সাগুর পায়েস

উইকিবই থেকে
সাগুর পায়েস
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মিষ্টান্ন
পরিবেশন ৪–৫ জন
খাদ্য শক্তি মাঝারি
তৈরির সময় ৪৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা সাগুর পায়েস একটি জনপ্রিয় ও হালকা মিষ্টান্ন, যা উপবাস, পূজা বা বিশেষ পারিবারিক উপলক্ষে পরিবেশিত হয়। এটি সহজপাচ্য এবং শিশুরাও এটি সহজে খেতে পারে।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

সাগুর পায়েস

সাগুর পায়েস বাংলাদেশ ও ভারতের এক প্রচলিত হালকা মিষ্টি খাবার, যা সাগু (সাবুদানা) এবং দুধ দিয়ে তৈরি হয়। এটি বিশেষত গরমের দিনে ঠান্ডা করে পরিবেশন করা হয় এবং অনেকেই এটি উপবাসের দিনে খেতে পছন্দ করেন। সহজলভ্য উপকরণে তৈরি এই পায়েস স্বাদে হালকা, কিন্তু তৃপ্তিকর।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপাদান
সাগু ১/২ কাপ
তরল দুধ ১ লিটার
চিনি ১/২ কাপ (বা স্বাদমতো)
এলাচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
লবণ এক চিমটি
কিশমিশ ২ টেবিল চামচ
কাজু/বাদাম (ভাজা) ২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. সাগু ভালোভাবে ধুয়ে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এতে রান্নার সময় সাগু দ্রুত সিদ্ধ হবে এবং একটানা নাড়লে দলা বাধবে না।
  2. দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে ঘন করে নিন। এটি পায়েসে ঘনত্ব ও স্বাদ আনবে।
  3. এরপর ভিজিয়ে রাখা সাগু দুধে দিয়ে দিন এবং ক্রমাগত নেড়ে দিন, যাতে নিচে লেগে না যায়।
  4. সাগু স্বচ্ছ হয়ে আসলে চিনি, এলাচ গুঁড়া, কিশমিশ ও এক চিমটি লবণ দিন।
  5. আঁচ কমিয়ে দিয়ে আরও ১০–১৫ মিনিট রান্না করুন, যতক্ষণ না পায়েস ঘন ও সুগন্ধি হয়।
  6. শেষে বাদাম ছড়িয়ে দিন এবং ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

পরিবেশন

[সম্পাদনা]

সাগুর পায়েস ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এর স্বাদ আরও বাড়ে। এটি দুপুরের খাবারের পর মিষ্টি হিসেবে বা উপবাসের দিনে একক পদ হিসেবেও খাওয়া যায়।

স্বাস্থ্য পরামর্শ

[সম্পাদনা]

সাগু সহজপাচ্য হওয়ায় এটি শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য ভালো। এতে খুব বেশি ফ্যাট নেই, তবে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহারে ডায়াবেটিক রোগীদের সাবধান থাকা উচিত। চাইলে গুড় বা নারিকেল দুধ ব্যবহার করে আরও স্বাস্থ্যকর করা যায়। গরমে এটি ঠান্ডা করে খেলে শরীর শীতল রাখে। তবে সাগু অত্যধিক খাওয়া কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে, তাই পরিমিত খাওয়াই উত্তম।