সাগর দই
অবয়ব
| সাগর দই | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | কমপক্ষে ৫-৭ জন। |
| তৈরির সময় | প্রায় ৮–১০ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
সাগর দই একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত বাঙালি মিষ্টান্ন। এটি ঘন ও মসৃণ দুধ, টকদই ও পরিমাণমতো চিনি দিয়ে তৈরি একটি ঘন, মিষ্টি এবং হালকা টক স্বাদের দই, যার উপরের স্তরে হালকা সোনালি রঙের পাতলা মালাই দেখা যায়। দইয়ের ওপরে ভেসে থাকা মালাইয়ের স্তরটিকে সাগরের বুকে ঢেউ -এর মতো লাগে, তাই এর নামকরণ করা হয়েছে সাগর দই। স্বাদে এটি সাধারণ মিষ্টি দইয়ের তুলনায় অনেক বেশি ঘন, মোলায়েম এবং মুখে গলে যাওয়ার মতো।সাগর দইয়ের বিভিন্ন রকমের রন্ধনপ্রনালী আছে। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা উপহার হিসেবে সাগর দই অত্যন্ত জনপ্রিয়। মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে লক্ষী পুজোর ভোগে নিবেদন করা হত সাগর দই। এটি এখন বিশেষ দই হিসেবেও সমাদৃত।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ঘন চর্বিযুক্ত দুধ | ১.৫ লিটার |
| টক দই | ২ টেবিল চামচ মতো |
| চিনি | ১/২ কাপ (স্বাদ অনুযায়ী কমবেশি) |
| এলাচ গুঁড়ো | ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক) |
| গোলাপ জল/কেওড়া জল | কয়েক ফোঁটা (ঐচ্ছিক) |
| মাটির পাত্র | ১টি, দই বসানোর জন্য (তাজা, শুকনো ও পরিষ্কার) |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]- দুধ একটি মোটা তলার হাঁড়িতে মাঝারি আঁচে রেখে ফুটাতে থাকুন।
- দুধ ফুটানোর সময় ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যাতে নিচে লেগে না যায়।
- দুধের পরিমান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেলে (ঘন ও থকথকে হলে) আঁচ কমান।
- ঘন দুধে চিনি দিন ও আগুনের আঁচে গলিয়ে নিন।
- চাইলে এলাচ গুঁড়ো ও গোলাপ জল দিতে পারেন।
- দুধ কিছুটা ঠান্ডা হতে দিন, যেন তাপমাত্রা হালকা গরম থাকে (প্রায় ৪০–৪৫°সেলসিয়াস)। খুব গরম থাকলে টক দই মরে যেতে পারে।
- মাটির পাত্রে কিছুটা টক দই ছড়িয়ে দিন।
- এরপর পাত্রে ঘন টক দই-এর উপর মিষ্টি দুধ ঢেলে দিন ধীরে ধীরে।
- পাত্রটি ঢেকে কুসুম গরম পরিবেশে ৮–১০ ঘণ্টা (সাধারণত রাতভর) রেখে দিন।
- দই জমে গেলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন।
- দইয়ের উপর সাগরের ঢেউয়ের আকারের পাতলা মালাই-এর স্তর দেখা যাবে—সেটিই সাগর দইয়ের বিশেষত্ব।
ঠান্ডা ঠান্ডা সুস্বাদু সাগর দই পরিবেশন করুন