শুঁটকি ভুনা
| শুঁটকি ভুনা | |
|---|---|
| পরিবেশন | ৩-৫ জন |
| তৈরির সময় | ৩০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
শুঁটকি ভুনা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় খাবার। এটি সাধারণত গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে শুঁটকি ভুনা একটু ভিন্ন স্বাদে তৈরি হয়ে থাকে। শহর, গ্রাম সর্বত্রে সমানভাবে এর খ্যাতি আছে। অঞ্চলভেদে শুঁটকি ভুনা ভিন্ন হয়। পুকুর, নদী, সামুদ্রিক ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত মাছের শুঁটকির স্বাদ ভিন্ন ভিন্ন হয়। লইট্টা, বেলে, টাকি, ইলিশ, রূপচাঁদা, চিংড়ি ইত্যাদি মাছের শুঁটকি করা হয়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | উপকরণ |
|---|---|
| শুঁটকি মাছ (চিংড়ি, বেলে বা লইট্টা) | ১০০ গ্রাম |
| পেঁয়াজ কুচি | ১ কাপ |
| রসুন কোয়া | ৫-৬টি |
| কাঁচা মরিচ | ৮-১০টি |
| সরিষার তেল | ২ টেবিল-চামচ |
| লবণ | পরিমাণমতো |
| গুঁড়া মসলা | ¼ কাপ |
| হলুদ গুঁড়া | পরিমাণমত |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]শুঁটকি মাছ হালকা ভেজে গরম পানিতে ১৫/২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ভালো করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মাছের আকার বড় থাকলে মাছগুলো তিন থেকে চার টুকরো করে নিতে হবে ৷ আবারও গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরিয়ে মাছগুলো সামান্য থেঁতো করে নিন। মাছের মোটা কাঁটা থাকলে ফেলে দিয়ে মাছ আলাদা করতে হবে।
কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ও সামান্য লবণ দিয়ে বাদামি করে ভাজতে হবে। কিছুক্ষণ ভেজে রসুন বাটা, কাচা মরিচ, মসলা গুঁড়ার সাথে সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। তেল বেরিয়ে এলে সামান্য পানি ও লবণ দিয়ে নাড়তে থাকুন।
এবার অন্যান্য মসলা দিয়ে শুঁটকি মাছগুলো কষিয়ে নিন। মসলা শুকিয়ে এলে একটু একটু করে পানি দিন যেন নিচে লেগে না যায়। কিছুক্ষণ নেড়ে রসুন কুচি দিয়ে ভালো করে নেড়ে খানিকটা পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ফুটে উঠলে পাঁচ-সাত মিনিট পর ঢাকনা খুলে আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। মাখা মাখা হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে শুঁটকি ভুনা।