শাহী দুধ সেমাই
অবয়ব
| শাহী দুধ সেমাই | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | ৭–৮ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ১.৫ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | শাহী দুধ সেমাই একটি ঘন, দুধে সেদ্ধ, বাদাম ও কিশমিশে সমৃদ্ধ মিষ্টান্ন যা সাধারণ সেমাই থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
শাহী দুধ সেমাই আমাদের পারিবারিক ও ধর্মীয় উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি সাধারণ দুধ-সেমাই থেকে ঘন, মজাদার ও সমৃদ্ধ এক রূপ, যাতে ঘন করে ফোটানো দুধ, ঘি, বাদাম, কিশমিশ ও এলাচ থাকে। পরিবেশনের সময় এটি ঘন, সুগন্ধি ও মোলায়েম হয়ে থাকে।
উপকরণ
[সম্পাদনা]মূল সেমাই প্রস্তুতির জন্য
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| সেমাই (হাতে ভাঙা বা পাতলা সেমাই) | ১ কাপ |
| ঘি | ৩ টেবিল চামচ |
দুধের ঘন মিশ্রণের জন্য
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| তরল দুধ (পূর্ণচর্বিযুক্ত) | ১ লিটার |
| চিনি | ১/২ কাপ (রুচি অনুযায়ী বাড়ানো যেতে পারে) |
| খোয়া ক্ষীর (মাওয়া) | ১/২ কাপ |
| কনডেন্সড মিল্ক | ১/৪ কাপ (ঐচ্ছিক, ঘনত্ব ও মিষ্টতা বাড়াতে) |
| এলাচ গুঁড়া | ১/২ চা চামচ |
উপরি উপকরণ (সাজানোর জন্য)
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| পেস্তা বাদাম (পাতলা কাটা) | ১ টেবিল চামচ |
| কাজু বাদাম | ২ টেবিল চামচ (ভাজা) |
| কিশমিশ | ২ টেবিল চামচ |
| গোলাপজল | ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক) |
| জাফরান | কয়েকটি আঁশ (কুসুম গরম দুধে ভিজিয়ে রাখা) |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে ঘি গরম করে তাতে সেমাই দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না হালকা বাদামী রং ধারণ করে ও ঘ্রাণ বের হয়।
- অন্য একটি বড় পাত্রে দুধ জ্বাল দিন এবং দুধ অর্ধেক হওয়া পর্যন্ত ধীরে ধীরে নাড়ুন।
- দুধ ঘন হয়ে এলে খোয়া ক্ষীর ও কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন।
- এবার তাতে ভাজা সেমাই এবং চিনি দিয়ে ভালোভাবে মেশান। কম আঁচে নাড়তে থাকুন।
- যখন সেমাই দুধে ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে দুধ ঘন ও মোলায়েম হবে, তখন এলাচ গুঁড়া দিন।
- কিশমিশ ও কাজু বাদাম দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে দমে রাখুন।
- শেষে গোলাপজল ও দুধে ভেজানো জাফরান মিশিয়ে দিন।
পরিবেশন
[সম্পাদনা]ঠান্ডা অথবা গরম — দু’ভাবেই পরিবেশন করা যায়। উপরে পেস্তা ও আরও কিশমিশ ছড়িয়ে সাজালে সুন্দর দেখায়।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- দুধ যেন পাত্রে লেগে না যায়, সেজন্য নিয়মিত নাড়ুন।
- খোয়া ক্ষীর না থাকলে ঘন করে জ্বাল দেয়া দুধ ব্যবহার করুন।
- ইচ্ছা করলে নারকেল কোরা হালকা ভেজে মিশিয়ে নতুন স্বাদ আনা যায়।
- উৎসবের সময় একদিন আগে তৈরি করলে স্বাদ আরও বাড়ে।