মেজবানি মাংস
অবয়ব
| মেজবানি মাংস | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | প্রধান খাবার |
| পরিবেশন | ৬–৮ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ৩ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত খাবার, যা সামাজিক উৎসব, মৃত্যুর পর মিলাদে, কিংবা কোনো বড় জমায়েতে পরিবেশন করা হয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
মেজবানি মাংস চট্টগ্রামের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি একটি বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত গরুর মাংসের পদ, যেখানে প্রচুর পরিমাণে মসলা, কাঁচা মরিচ ও শুকনা মরিচ ব্যবহার করে ঘন ও গাঢ় স্বাদের ঝাল জাতীয় তরকারি তৈরি করা হয়। এই রান্নায় প্রায়ই হাড়সহ গরুর মাংস ব্যবহার করা হয় যাতে স্বাদ আরও গভীর হয়। মেজবানি রান্নার বিশেষত্ব হলো মসলার ভারসাম্য এবং ধৈর্যের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| গরুর মাংস (হাড়সহ) | ২ কেজি |
| পেঁয়াজ কুচি | ৩ কাপ |
| রসুন বাটা | ২ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ২ টেবিল চামচ |
| শুকনা মরিচ গুঁড়া | ৩ টেবিল চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ১/২ চা চামচ |
| ধনে গুঁড়া | ২ টেবিল চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| পাঁচফোড়ন | ১ চা চামচ |
| লবণ | স্বাদমতো |
| সরিষার তেল | ১ কাপ |
| পানি | প্রয়োজন অনুযায়ী |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- গরুর মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
- একটি বড় হাঁড়িতে সরিষার তেল গরম করে তাতে পাঁচফোড়ন ফোড়ন দিন।
- এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন। এতে আদা ও রসুন বাটা দিন এবং নাড়ুন যতক্ষণ না কাঁচা গন্ধ চলে যায়।
- এবার শুকনা মরিচ, ধনে, জিরা ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে কষান।
- মসলা থেকে তেল ছাড়লে তাতে গরুর মাংস দিয়ে দিন এবং উচ্চ আঁচে নেড়ে ভালোভাবে কষাতে থাকুন।
- কষানো হয়ে গেলে অল্প অল্প করে গরম পানি দিন এবং ঢেকে দিন। কম আঁচে রান্না করতে থাকুন যতক্ষণ মাংস সেদ্ধ হয় এবং তরকারি ঘন ও মসলায় ভরপুর হয়।
- মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দেখবেন যেন নিচে লেগে না যায়।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- মেজবানি মাংসের স্বাদ নির্ভর করে পেঁয়াজ ও শুকনা মরিচের সঠিক অনুপাতে ব্যবহারে। বেশি কাঁচা মসলা দিলে ঝাঁজ কমে যেতে পারে।
- সরিষার তেল ব্যবহার না করলে মূল স্বাদ বজায় থাকে না।
- ঘন তরকারির জন্য রান্নার একেবারে শেষ দিকে ঢেকে ধীরে ধীরে রান্না করা অত্যন্ত জরুরি।