বিষয়বস্তুতে চলুন

মুরগির রোস্ট

উইকিবই থেকে
মুরগির রোস্ট
মুরগির রোস্ট
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মাংস
পরিবেশন ৩–৫ জন
খাদ্য শক্তি প্রায় ২৫০ কিলোক্যালরি (প্রতি পরিবেশন)
তৈরির সময় ৬০–৭৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা বিয়ে বাড়ির স্বাদে ঐতিহ্যবাহী মুরগির রোস্ট


রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

মুরগির রোস্ট

মুরগির রোস্ট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু খাবার, যা বিশেষ করে বিয়ে বাড়ি, ঈদ বা অন্যান্য উৎসব-অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়। এটি সাধারণত পোলাও বা সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
মুরগির লেগ পিস ৬–৮টি
টক দই ½ কাপ
পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল-চামচ
আদা বাটা ২ চা-চামচ
রসুন বাটা ১½ চা-চামচ
ধনে গুঁড়া ½ চা-চামচ
জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ
কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা-চামচ
বাদাম বাটা ১ টেবিল-চামচ
গোল মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো
দারুচিনি ২–৩ টুকরা
এলাচ ৪টি
তেজপাতা ২টি
জায়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া সামান্য
লবণ স্বাদমতো
চিনি ১ চা-চামচ
কেওড়া জল ১ চা-চামচ
গোলাপ জল ১ চা-চামচ
ঘি ১ কাপ
বেরেস্তা (ভাজা পেঁয়াজ) ১ কাপ
আলু বোখারা ২টি
কিসমিস ১ টেবিল-চামচ
মাওয়া ১ টেবিল-চামচ

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. মুরগির পিসগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
  2. মুরগির পিসগুলোর সাথে টক দই, আদা বাটা, রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, লবণ ও কাঁচা মরিচ বাটা মিশিয়ে মেরিনেট করে ১ ঘণ্টা রেখে দিন।
  3. একটি প্যানে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তা তৈরি করুন এবং আলাদা করে রাখুন।
  4. একই প্যানে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন।
  5. এরপর মেরিনেট করা মুরগির পিসগুলো দিয়ে মাঝারি আঁচে হালকা বাদামি রঙ হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
  6. ভাজা মুরগির পিসগুলো তুলে রেখে দিন।
  7. প্যানে পেঁয়াজ বাটা, বাদাম বাটা, গোল মরিচ গুঁড়া, জায়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে কষান।
  8. চিনি, কেওড়া জল, গোলাপ জল ও মাওয়া যোগ করে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন।
  9. ভাজা মুরগির পিসগুলো ও আলু বোখারা, কিসমিস দিয়ে মসালার সাথে মিশিয়ে দিন।
  10. প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে ২০–২৫ মিনিট রান্না করুন।
  11. রোস্টের ঝোল ঘন হয়ে এলে বেরেস্তা ছিটিয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
পোলাওয়ের সাথে কাগজি নেবু, কাঁচা মরিচ ও এক গ্লাস কোমল পানীয় দিয়ে পরিবেশন করুন

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • মুরগির পিসগুলো মেরিনেট করে ফ্রিজে রেখে দিলে স্বাদ আরও ভালো হয়।
  • রোস্টে ঘি ব্যবহার করলে স্বাদ ও ঘ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
  • চুলায় রান্নার সময় মাঝেমধ্যে নাড়াচাড়া করুন যাতে পুড়ে না যায়।

পুষ্টিগুণ ও সতর্কতা

[সম্পাদনা]

মুরগির রোস্ট প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা শক্তি জোগাতে সহায়ক। তবে এতে ঘি ও চিনি ব্যবহৃত হয়, যা অতিরিক্ত গ্রহণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত।

আরও রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]