মুড়ি সন্দেশ
অবয়ব
| মুড়ি সন্দেশ | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | প্রধান খাবার |
| পরিবেশন | ৪ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ২ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | মুড়ি ও মিষ্টির চমৎকার মিলনে তৈরি এই সন্দেশ স্থানীয় উৎসব ও শুভ সমারোহে অতুলনীয়। পুষ্টিকর উপাদানসমৃদ্ধ এবং সুস্বাদু হওয়ায় এটি ছোট-বড় সবার প্রিয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
মুড়ি সন্দেশ বাংলাদেশের শেরপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। এটি মুড়ি ও মিষ্টি দুধ বা ঘন দই দিয়ে তৈরি করা হয়। সুগন্ধি ও স্বাদে ভরপুর এই সন্দেশ এলাকায় বিশেষ উৎসব, বিবাহ বা অন্যান্য আনন্দ অনুষ্ঠানে প্রায়শই পরিবেশন করা হয়। মুড়ির হালকা খাস্তা ভাব ও মিষ্টির মিশ্রণ মুখে গিয়ে একটি অনন্য রসায়ন সৃষ্টি করে।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| মুড়ি (ফোলা চাল) | ২ কাপ |
| ঘন দুধ বা মিষ্টি দই | ১ কাপ |
| চিনি | ১/২ কাপ (স্বাদমতো) |
| এলাচ গুঁড়ো | ১ চা চামচ |
| কেশর (ঐচ্ছিক) | এক চিমটি |
| বাদাম (কাটা) | ১/২ কাপ |
| কিশমিশ | ১/৪ কাপ |
| ঘি | ২ টেবিল চামচ |
রন্ধন প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে একটি পাত্রে মুড়ি (ফোলা চাল) মৃদু আঁচে হালকা ভেজে নিন যাতে মুড়ি খানিকটা খাস্তা হয় এবং গন্ধ বের হয়।
- অন্য একটি পাত্রে ঘন দুধ বা মিষ্টি দই নিন, এতে চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও কেশর মেশান এবং মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মিশ্রণ একটু ঘন হয় এবং মিষ্টির স্বাদ তৈরি হয়।
- এখন ভাজা মুড়ি ধীরে ধীরে দুধের মিশ্রণে মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন যাতে মুড়ি নরম হয়ে যায় কিন্তু সম্পূর্ণ গুলে না যায়।
- ঘি গরম করে বাদাম ও কিশমিশ ভেজে নিন এবং মিশ্রণে যোগ করুন।
- পুরো মিশ্রণটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং একটি আকারে ঢেলে ঠাণ্ডা হতে দিন।
- সন্দেশ ঠাণ্ডা হলে টুকরো করে কেটে পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- মুড়ি ভাজার সময় খুব বেশি না ভাজলে ভালো মচমচে অনুভূতি পাওয়া যায়।
- দুধের মিশ্রণটি ঘন হলে মুড়ি ভালোভাবে মিশবে এবং সন্দেশের গঠন ভালো হয়।
- এলাচ ও কেশর ব্যবহার মিষ্টির স্বাদ ও গন্ধ আরও বাড়িয়ে দেয়।
- ঘি ব্যবহার করলে সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান উন্নত হয়।