বিষয়বস্তুতে চলুন

মুড়ি সন্দেশ

উইকিবই থেকে
মুড়ি সন্দেশ
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ প্রধান খাবার
পরিবেশন ৪ জন
খাদ্য শক্তি উচ্চ
তৈরির সময় ২ ঘণ্টা
কষ্টসাধ্য
টীকা মুড়ি ও মিষ্টির চমৎকার মিলনে তৈরি এই সন্দেশ স্থানীয় উৎসব ও শুভ সমারোহে অতুলনীয়। পুষ্টিকর উপাদানসমৃদ্ধ এবং সুস্বাদু হওয়ায় এটি ছোট-বড় সবার প্রিয়।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

মুড়ি সন্দেশ

মুড়ি সন্দেশ বাংলাদেশের শেরপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। এটি মুড়ি ও মিষ্টি দুধ বা ঘন দই দিয়ে তৈরি করা হয়। সুগন্ধি ও স্বাদে ভরপুর এই সন্দেশ এলাকায় বিশেষ উৎসব, বিবাহ বা অন্যান্য আনন্দ অনুষ্ঠানে প্রায়শই পরিবেশন করা হয়। মুড়ির হালকা খাস্তা ভাব ও মিষ্টির মিশ্রণ মুখে গিয়ে একটি অনন্য রসায়ন সৃষ্টি করে।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
মুড়ি (ফোলা চাল) ২ কাপ
ঘন দুধ বা মিষ্টি দই ১ কাপ
চিনি ১/২ কাপ (স্বাদমতো)
এলাচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
কেশর (ঐচ্ছিক) এক চিমটি
বাদাম (কাটা) ১/২ কাপ
কিশমিশ ১/৪ কাপ
ঘি ২ টেবিল চামচ

রন্ধন প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে একটি পাত্রে মুড়ি (ফোলা চাল) মৃদু আঁচে হালকা ভেজে নিন যাতে মুড়ি খানিকটা খাস্তা হয় এবং গন্ধ বের হয়।
  2. অন্য একটি পাত্রে ঘন দুধ বা মিষ্টি দই নিন, এতে চিনি, এলাচ গুঁড়ো ও কেশর মেশান এবং মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মিশ্রণ একটু ঘন হয় এবং মিষ্টির স্বাদ তৈরি হয়।
  3. এখন ভাজা মুড়ি ধীরে ধীরে দুধের মিশ্রণে মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন যাতে মুড়ি নরম হয়ে যায় কিন্তু সম্পূর্ণ গুলে না যায়।
  4. ঘি গরম করে বাদাম ও কিশমিশ ভেজে নিন এবং মিশ্রণে যোগ করুন।
  5. পুরো মিশ্রণটি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং একটি আকারে ঢেলে ঠাণ্ডা হতে দিন।
  6. সন্দেশ ঠাণ্ডা হলে টুকরো করে কেটে পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • মুড়ি ভাজার সময় খুব বেশি না ভাজলে ভালো মচমচে অনুভূতি পাওয়া যায়।
  • দুধের মিশ্রণটি ঘন হলে মুড়ি ভালোভাবে মিশবে এবং সন্দেশের গঠন ভালো হয়।
  • এলাচ ও কেশর ব্যবহার মিষ্টির স্বাদ ও গন্ধ আরও বাড়িয়ে দেয়।
  • ঘি ব্যবহার করলে সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান উন্নত হয়।