বিষয়বস্তুতে চলুন

মুগডালের হালুয়া

উইকিবই থেকে
মুগডালের হালুয়া
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মিষ্টান্ন
পরিবেশন ৬–৭ জন
খাদ্য শক্তি উচ্চ
তৈরির সময় ১ ঘণ্টা
কষ্টসাধ্য
টীকা সুগন্ধযুক্ত, ঘন ও মজাদার বাঙালি মিষ্টান্ন, যা উৎসব, পূজা-পার্বণ কিংবা অতিথি আপ্যায়নে পরিবেশিত হয়। এটি ভাজা মুগডাল, চিনি, ঘি ও বিভিন্ন মসলা দিয়ে তৈরি হয়।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

মুগডালের হালুয়া

মুগডালের হালুয়া বাঙালি গৃহে ঘরে বহু পুরোনো এবং পছন্দের একটি মিষ্টি পদ। এটি মূলত ঘি দিয়ে ভাজা ডাল, দুধ ও চিনির মিশ্রণে ধীরে ধীরে রান্না করে তৈরি করা হয় এবং সুগন্ধি মসলা ও বাদাম দিয়ে এটি পরিবেশন করা হয়। এই হালুয়া শুধুমাত্র মুখরোচক নয়, এটি একটি পুষ্টিকর ও উৎসবমুখর খাবার হিসেবেও পরিচিত।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম পরিমাণ
মুগডাল ১ কাপ (ভাজা ও ধুয়ে নেওয়া)
দুধ ২ কাপ
চিনি ১ কাপ (স্বাদ অনুযায়ী কমানো যায়)
ঘি ১/২ কাপ
এলাচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
কাজুবাদাম (কুচি করে কাটা) ২ টেবিল চামচ
কিশমিশ ১ টেবিল চামচ
জল ১/২ কাপ (প্রয়োজনে সামান্য বেশি)

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে একটি শুকনো কড়াইয়ে মুগডাল হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর ঠান্ডা হলে ধুয়ে নিয়ে জল ঝরিয়ে নিন।
  2. একটি পাত্রে মুগডাল ও জল মিশিয়ে সিদ্ধ করে নরম করে নিন (চাইলে প্রেসার কুকার ব্যবহার করতে পারেন)।
  3. অন্য একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করে সিদ্ধ ডাল দিন এবং ধীরে ধীরে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না এটি মসৃণ ও ঘন হয়ে আসে।
  4. ডাল ভালোভাবে ঘি টেনে নিলে তাতে চিনি ও এলাচ গুঁড়া দিন। নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না চিনি গলে গিয়ে হালুয়া ঘন হতে শুরু করে।
  5. এবার দুধ ধীরে ধীরে দিয়ে ভালোভাবে মেশান। অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন যাতে নিচে লেগে না যায়।
  6. কিশমিশ ও বাদাম দিয়ে ৫–৭ মিনিট নাড়ার পর যখন হালুয়া পাত্র ছেড়ে আসবে তখন চুলা বন্ধ করুন।
  7. একটি চ্যাপ্টা পাত্রে ঢেলে ওপরে ঘি মাখিয়ে ও বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
গরম গরম অথবা ঠান্ডা করেও পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • ডাল বেশি ভাজবেন না, বেশি ভাজলে কড়া স্বাদ হতে পারে।
  • দুধ কম দিতে চাইলে শুধু জলেও রান্না করা যায়, তবে স্বাদে কিছুটা পার্থক্য হবে।
  • হালুয়া ঠান্ডা হলে শক্ত হয়ে যেতে পারে, তাই পরিবেশন করার আগে হালকা গরম করা যেতে পারে।