বিষয়বস্তুতে চলুন

মাছের বড়া

উইকিবই থেকে
মাছের বড়া
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ ভাজা খাবার
পরিবেশন ৪–৬ জন
খাদ্য শক্তি প্রায় ২০০ কিলোক্যালরি (প্রতি বড়া)
তৈরির সময় ৪০–৫০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা ভাজা মসলা মিশ্রিত মাছভিত্তিক মুখরোচক খাবার

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

মাছের বড়া

মাছের বড়া হলো একটি জনপ্রিয় বাংলা নাশতা বা সাইড ডিশ, যা মাছ, মসলা ও ডিম সহযোগে তৈরি করে তেলে ভেজে পরিবেশন করা হয়। এটি গরম ভাতের সঙ্গে, চা-নাশতায় বা ইফতারে খুবই মুখরোচক একটি পদ হিসেবে পরিবেশন করা যায়।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
  1. সেদ্ধ করা মাছ (রুই বা কাতলা) – ২ কাপ (কাঁটা বেছে নেওয়া)
  2. পেঁয়াজ – ২টি (কুচি)
  3. রসুন বাটা – ১ চা চামচ
  4. আদা বাটা – ১ চা চামচ
  5. কাঁচা মরিচ – ২টি (কুচি)
  6. ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
  7. হলুদ গুঁড়া – আধা চা চামচ
  8. লবণ – স্বাদমতো
  9. ডিম – ১টি
  10. চালের গুঁড়া বা বেসন – প্রয়োজনমতো (বাইন্ডিংয়ের জন্য)
  11. তেল – ভাজার জন্য

প্রস্তুতপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. সেদ্ধ করা মাছ ঠান্ডা করে ভালোভাবে কাঁটা বেছে হাত দিয়ে চুর্ণ করুন।
  2. একটি বড় পাত্রে মাছের সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, হলুদ ও লবণ মিশিয়ে নিন।
  3. ডিম ফাটিয়ে মিশান এবং একটু একটু করে চালের গুঁড়া বা বেসন যোগ করে মিশ্রণটি বড়া বানানোর মতো করে নরম করে নিন।
  4. ছোট ছোট বড়া আকৃতিতে গড়ে নিন।
  5. কড়াইতে তেল গরম করে বড়াগুলো লালচে করে ভেজে তুলুন।
  6. টিস্যুতে রেখে অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • মাছের বড়া আরও মচমচে করতে বেসনের পরিবর্তে ব্রেডক্রাম ব্যবহার করা যায়।
  • চাইলে ভাজার আগে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম লাগিয়ে নেওয়া যায়।
  • রুই, কাতলা বা মাগুর মাছ ব্যবহার করলে স্বাদ ভালো হয়।

উপকারিতা

[সম্পাদনা]
  • প্রোটিন সমৃদ্ধ: মাছের বড়ায় মাছ থাকায় এটি উচ্চমাত্রার প্রোটিন প্রদান করে।
  • কম কস্টে পুষ্টিকর খাবার: সহজলভ্য উপকরণে তৈরি হওয়ায় এটি স্বল্প ব্যয়ে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে।
  • নানাবিধ পরিবেশনযোগ্য: এটি চা-নাশতা, ইফতার, বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশনের জন্য উপযুক্ত।