মাছের বড়া
অবয়ব
| মাছের বড়া | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | ভাজা খাবার |
| পরিবেশন | ৪–৬ জন |
| খাদ্য শক্তি | প্রায় ২০০ কিলোক্যালরি (প্রতি বড়া) |
| তৈরির সময় | ৪০–৫০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | ভাজা মসলা মিশ্রিত মাছভিত্তিক মুখরোচক খাবার |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
মাছের বড়া হলো একটি জনপ্রিয় বাংলা নাশতা বা সাইড ডিশ, যা মাছ, মসলা ও ডিম সহযোগে তৈরি করে তেলে ভেজে পরিবেশন করা হয়। এটি গরম ভাতের সঙ্গে, চা-নাশতায় বা ইফতারে খুবই মুখরোচক একটি পদ হিসেবে পরিবেশন করা যায়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]- সেদ্ধ করা মাছ (রুই বা কাতলা) – ২ কাপ (কাঁটা বেছে নেওয়া)
- পেঁয়াজ – ২টি (কুচি)
- রসুন বাটা – ১ চা চামচ
- আদা বাটা – ১ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ – ২টি (কুচি)
- ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
- হলুদ গুঁড়া – আধা চা চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
- ডিম – ১টি
- চালের গুঁড়া বা বেসন – প্রয়োজনমতো (বাইন্ডিংয়ের জন্য)
- তেল – ভাজার জন্য
প্রস্তুতপ্রণালী
[সম্পাদনা]- সেদ্ধ করা মাছ ঠান্ডা করে ভালোভাবে কাঁটা বেছে হাত দিয়ে চুর্ণ করুন।
- একটি বড় পাত্রে মাছের সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, হলুদ ও লবণ মিশিয়ে নিন।
- ডিম ফাটিয়ে মিশান এবং একটু একটু করে চালের গুঁড়া বা বেসন যোগ করে মিশ্রণটি বড়া বানানোর মতো করে নরম করে নিন।
- ছোট ছোট বড়া আকৃতিতে গড়ে নিন।
- কড়াইতে তেল গরম করে বড়াগুলো লালচে করে ভেজে তুলুন।
- টিস্যুতে রেখে অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- মাছের বড়া আরও মচমচে করতে বেসনের পরিবর্তে ব্রেডক্রাম ব্যবহার করা যায়।
- চাইলে ভাজার আগে ডিমে ডুবিয়ে ব্রেডক্রাম লাগিয়ে নেওয়া যায়।
- রুই, কাতলা বা মাগুর মাছ ব্যবহার করলে স্বাদ ভালো হয়।
উপকারিতা
[সম্পাদনা]- প্রোটিন সমৃদ্ধ: মাছের বড়ায় মাছ থাকায় এটি উচ্চমাত্রার প্রোটিন প্রদান করে।
- কম কস্টে পুষ্টিকর খাবার: সহজলভ্য উপকরণে তৈরি হওয়ায় এটি স্বল্প ব্যয়ে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে।
- নানাবিধ পরিবেশনযোগ্য: এটি চা-নাশতা, ইফতার, বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশনের জন্য উপযুক্ত।