বিষয়বস্তুতে চলুন

মলিদা

উইকিবই থেকে
মলিদা
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ পানীয়
পরিবেশন ২-৩ জন
খাদ্য শক্তি প্রায় ১৫০ কিলোক্যালরি (প্রতি গ্লাস)
তৈরির সময় ১০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা মলিদা বরিশালের একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বাস্থ্যকর পানীয়, যা গরমকালে ঠান্ডা পানীয় হিসেবে খাওয়া হয়।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

মলিদা

মলিদা বরিশাল অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় পানীয়। এটি মূলত পুরনো রুটি, চিনি, দুধ এবং ঘি বা নারকেল দিয়ে তৈরি করা হয়। গরমের দিনে ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গ্রামীণ পরিবেশে অতিথি আপ্যায়নেও এটি ব্যবহৃত হয়।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপাদান
পুরনো রুটি ২টি (রাতে বানানো রুটি সবচেয়ে ভালো)
ঘি বা ঘরে তৈরি মাখন ২ টেবিল-চামচ
নারকেল কোরা ১/২ কাপ
চিনি ৩-৪ টেবিল-চামচ (স্বাদমতো)
দুধ ১ কাপ (সিদ্ধ ও ঠান্ডা করা)
পানি ১/২ কাপ (ঐচ্ছিক, পাতলা করতে চাইলে)
এলাচ গুঁড়ো ১/৪ চা-চামচ
কাজু/বাদাম কুচি ১ টেবিল-চামচ (ঐচ্ছিক)

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. পুরনো রুটিগুলো ছোট ছোট টুকরো করে হাতে বা ব্লেন্ডারে ভেঙে নিন।
  2. একটি বড় বাটিতে রুটির টুকরোগুলো নিয়ে তার মধ্যে ঘি/মাখন মিশিয়ে ভালভাবে মাখিয়ে নিন।
  3. এরপর নারকেল কোরা, চিনি, দুধ এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে মিশ্রণটি ভালোভাবে মেখে নিন।
  4. পাতলা করতে চাইলে সামান্য ঠান্ডা পানি যোগ করতে পারেন।
  5. মিশ্রণটি ভালোভাবে নরম ও একসঙ্গে হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে তুলে নিতে হবে।
  6. উপরে কাজু বা বাদাম কুচি ছিটিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

পরিবেশন

[সম্পাদনা]

মলিদা সাধারণত ঠান্ডা অবস্থায় পরিবেশন করা হয়। গরমকালে এটি রিফ্রেশিং পানীয় হিসেবে খাওয়া হয়।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • রুটি শুকনো না হয়ে গেলে আগেই কিছুক্ষণ ফ্যানের নিচে রেখে নিতে পারেন।
  • ঘি-এর পরিবর্তে ঘরে তৈরি মাখন ব্যবহার করলে আরও ঘ্রাণযুক্ত হবে।
  • এলাচ না চাইলে বাদ দিতে পারেন।