বিষয়বস্তুতে চলুন

বেলের পানার শরবত

উইকিবই থেকে
বেলের পানার শরবত
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ পানীয়
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৬-৭ জন।
তৈরির সময় ২০ মিনিট মতো
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

বেলের পানার শরবত

গ্রীষ্মকালের তপ্ত দুপুরে শরীর ঠান্ডা রাখতে বেলের পানার শরবতের জুড়ি নেই। এ দেশে শরবত এসেছিল মোগলদের হাত ধরে। শোনা যায়, সম্রাট বাবরের রাজসভায় সুরাপাত্রের পাশে সাজানো থাকত নানা রকম ফল এবং ফুলের সুগন্ধে ভরা পানীয়, যাকে মোগলেরা বলত শরবত। শরবতের নানা রকমফেরের মধ্যে মোগল রাজদরবারে রাজা এবং রাজপার্ষদদের একটি প্রিয় পানীয় ছিল বেলের শরবত। পাকা বেল ফলের শাঁসের সঙ্গে জল, মরিচ বা লঙ্কা, নুন, পুদিনা, চিনি এবং লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি হত বেলের শরবত। বা কখনও শুধুই লেবু, নুন আর চিনি মেশানো হত তাতে। মোগল রাজদরবারের সেই শরবতের স্বাদ পেয়েছিল ভারতে বাণিজ্য করতে আসা ব্রিটিশেরাও। তত দিনে অবশ্য সম্রাটের প্রিয় পানীয় আমজনতারও প্রিয় হয়ে উঠেছে। বেলের শরবত হজমে সাহায্যকারী এবং ক্ষুধাবর্ধক পানীয় হিসাবে খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তার আরও নানা ওষধি গুণ বুঝতে পারছে ধীরে ধীরে।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
পাকা বেল ১টি
গুড় ১/২ চা চামচ (চাইলে বাদ দিতে পারেন)
বিট নুন ১ চিমটে
লেবুর রস ১ চা চামচ
জল দেড় কাপ

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. বেল আধাআধি ফাটিয়ে নিয়ে চামচ করে শাঁস বার করে নিন।
  2. একটি পাত্রে বেলের শাঁস তাতে সামান্য জল দিয়ে হাতে করে চটকে নিতে হবে। এ বার সেটি একটি ছাঁকনিতে ছেঁকে নিন। যাতে দানা আর আঁশ আলাদা হয়ে যায়।
  3. এ বার ছেঁকে নেওয়া বেলের ঘন রসের সঙ্গে মেশান জল এবং অন্যান্য উপকরণ। ভাল ভাবে গুলে নিয়ে গ্লাসে বরফের টুকরো দিয়ে তার উপর ঢেলে দিন। মনে রাখবেন বেলের শরবত খুব বেশি তরল হবে না। তাই সেই বুঝে জল মেশাবেন।
    গরমকালে পান করুন ঠান্ডা বেলের শরবত যা আপনার শরীর ঠান্ডা রাখবে

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]