বুটের ঘুগনি
অবয়ব
| বুটের ঘুগনি | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | নাস্তা |
| পরিবেশন | ৪ জন |
| খাদ্য শক্তি | ৮০-১০০ কিলোক্যালরি |
| তৈরির সময় | ৩০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | বুটের ঘুগনি হলো মসলা দিয়ে রান্না করা বুটির তৈরি এক ঐতিহ্যবাহী নাস্তা। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
বুটের ঘুগনি একটি সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় পদ, যা সাধারণত বুট সিদ্ধ করে বিভিন্ন ধরনের মসলা দিয়ে রান্না করা হয়। এটি একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি অন্যদিকে টক-ঝাল-ঝোল এবং স্বাদের জন্য অনেকেরই প্রিয়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | উপাদান |
|---|---|
| শুকনো বুট | ১ কাপ (সারা রাত ভিজিয়ে রাখা) |
| পেঁয়াজ কুচি | ১ কাপ |
| রসুন বাটা | ১ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১ টেবিল চামচ |
| টমেটো কুচি | ১/২ কাপ |
| হলুদ গুঁড়া | ১/২ চা চামচ |
| মরিচ গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ভাজা জিরা গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| গরম মসলা গুঁড়া | ১/২ চা চামচ |
| তেজপাতা | ১টি |
| লবণ | স্বাদমতো |
| সরিষার তেল | ২ টেবিল চামচ |
| কাঁচা মরিচ | ২-৩টি (ফালি করে কাটা) |
| ধনেপাতা কুচি | ২ টেবিল চামচ |
| লেবুর রস | ১ টেবিল চামচ (পরিবেশনের সময়) |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে বুট ভাল করে পরিস্কার করে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন যাতে তা ভালোভাবে নরম হয়ে যায়।
- পরদিন সকালে সেই বুট একটি প্রেসার কুকারে দিন, প্রয়োজনমতো পানি ও সামান্য লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। ২-৩টি সিটি দিলেই যথেষ্ট। প্রেসার কুকার না থাকলে কড়াইয়ে সিদ্ধ করতে পারেন। সামান্য খাবার সোড়া ব্যবহার করতে পারেন। তাতে বুট ভালভাবে সিদ্ধ হবে।
- এবার একটি প্যানে সরিষার তেল গরম করে তেজপাতা দিন। এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন।
- পেয়াজ হালকা বাদামি হলে আদা-রসুন বাটা ও টমেটো কুচি দিয়ে ভাল করে নাড়ুন যাতে টমেটো নরম হয়ে যায়।
- এরপর হলুদ, মরিচ, জিরা ও গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
- মসলা কষানো হলে এতে সিদ্ধ বুট দিন এবং নেড়ে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন। সামান্য পানি দিন যাতে একটু ঝোল থাকে।
- প্যান ঢেকে দিন। এভাবে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন যাতে সব মসলা বুটের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।
- নামানোর আগে কাঁচা মরিচ ফালি ও ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিন। পরিবেশনের জন্য নামিয়ে ফেলুন।
পরিবেশন
[সম্পাদনা]গরম গরম বুটের ঘুগনি পরিবেশন করুন। উপরে শশা কুচি, অল্প পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, সামান্য আদা কুচি ও লেবুর রস ছিটিয়ে দিলে স্বাদ আরও বেড়ে যাবে। চাইলে সাথে ডিম কুচি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন। এটি বিকেলের নাস্তা হিসেবে, অতিথি আপ্যায়নে কিংবা হালকা ক্ষুধায় একটি অনন্য পদ।