বিষয়বস্তুতে চলুন

বুটের ঘুগনি

উইকিবই থেকে
বুটের ঘুগনি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ নাস্তা
পরিবেশন ৪ জন
খাদ্য শক্তি ৮০-১০০ কিলোক্যালরি
তৈরির সময় ৩০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা বুটের ঘুগনি হলো মসলা দিয়ে রান্না করা বুটির তৈরি এক ঐতিহ্যবাহী নাস্তা।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

বুটের ঘুগনি

বুটের ঘুগনি একটি সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় পদ, যা সাধারণত বুট সিদ্ধ করে বিভিন্ন ধরনের মসলা দিয়ে রান্না করা হয়। এটি একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি অন্যদিকে টক-ঝাল-ঝোল এবং স্বাদের জন্য অনেকেরই প্রিয়।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপাদান
শুকনো বুট ১ কাপ (সারা রাত ভিজিয়ে রাখা)
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
টমেটো কুচি ১/২ কাপ
হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
তেজপাতা ১টি
লবণ স্বাদমতো
সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ২-৩টি (ফালি করে কাটা)
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ (পরিবেশনের সময়)

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে বুট ভাল করে পরিস্কার করে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন যাতে তা ভালোভাবে নরম হয়ে যায়।
  2. পরদিন সকালে সেই বুট একটি প্রেসার কুকারে দিন, প্রয়োজনমতো পানি ও সামান্য লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। ২-৩টি সিটি দিলেই যথেষ্ট। প্রেসার কুকার না থাকলে কড়াইয়ে সিদ্ধ করতে পারেন। সামান্য খাবার সোড়া ব্যবহার করতে পারেন। তাতে বুট ভালভাবে সিদ্ধ হবে।
  3. এবার একটি প্যানে সরিষার তেল গরম করে তেজপাতা দিন। এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন।
  4. পেয়াজ হালকা বাদামি হলে আদা-রসুন বাটা ও টমেটো কুচি দিয়ে ভাল করে নাড়ুন যাতে টমেটো নরম হয়ে যায়।
  5. এরপর হলুদ, মরিচ, জিরা ও গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
  6. মসলা কষানো হলে এতে সিদ্ধ বুট দিন এবং নেড়ে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন। সামান্য পানি দিন যাতে একটু ঝোল থাকে।
  7. প্যান ঢেকে দিন। এভাবে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন যাতে সব মসলা বুটের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।
  8. নামানোর আগে কাঁচা মরিচ ফালি ও ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিন। পরিবেশনের জন্য নামিয়ে ফেলুন।

পরিবেশন

[সম্পাদনা]

গরম গরম বুটের ঘুগনি পরিবেশন করুন। উপরে শশা কুচি, অল্প পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, সামান্য আদা কুচি ও লেবুর রস ছিটিয়ে দিলে স্বাদ আরও বেড়ে যাবে। চাইলে সাথে ডিম কুচি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন। এটি বিকেলের নাস্তা হিসেবে, অতিথি আপ্যায়নে কিংবা হালকা ক্ষুধায় একটি অনন্য পদ।