বাধাকপির বড়া
অবয়ব
| বাধাকপির বড়া | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | বড়া |
| পরিবেশন | ৩-৪ জন |
| তৈরির সময় | ২০-২৫ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
বাধাকপির বড়া
বাধাকপির বড়া বা পাকোড়া বিকালের নাস্তায় চায়ের আড্ডায় অত্যন্ত সুস্বাদু এবং মুখরোচক একটি পদ। মুচমুচে এই বড়াগুলো শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম পরিবেশন করলে দারুণ লাগে। খুব কম উপকরণে এবং সহজে এটি তৈরি করা যায়। গরম ভাতের সাথে ডালের পাতেও এটি চমৎকার মানিয়ে যায়।
খাওয়ার উপযুক্ত সময়
[সম্পাদনা]বিকালের হালকা নাস্তা হিসেবে চায়ের সাথে বা সসের সাথে ডুবিয়ে বাধাকপির বড়া খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এছাড়া দুপুরে গরম ভাতের সাথে মুচমুচে পদ হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| বাধাকপি কুচি | ২ কাপ (খুব মিহি করে কুচি করা) |
| পেঁয়াজ কুচি | ১/২ কাপ |
| কাঁচা মরিচ কুচি | ২-৩ টেবিল-চামচ (ঝাল অনুযায়ী) |
| ধনেপাতা কুচি | ২ টেবিল-চামচ |
| আদা বাটা | ১/২ চা-চামচ |
| রসুন বাটা | ১/২ চা-চামচ (ঐচ্ছিক) |
| হলুদ গুঁড়া | ১/২ চা-চামচ |
| মরিচ গুঁড়া | ১/২ চা-চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১/২ চা-চামচ |
| চালের গুঁড়া | ২ টেবিল-চামচ (মচমচে করার জন্য) |
| বেসন বা মসুর ডাল বাটা | ১/২ কাপ |
| লবণ | স্বাদমতো |
| রান্নার তেল | ভাজার জন্য পরিমাণমতো |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে বাধাকপি খুব মিহি করে কুচি করে কেটে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। (পানি একদম ঝরিয়ে নিতে হবে, নাহলে বড়া মচমচে হবে না)।
- একটি বড় পাত্রে বাধাকপি কুচি নিয়ে তাতে সামান্য লবণ দিয়ে হাত দিয়ে ভালোভাবে কচলে নিন। এতে বাধাকপি নরম হয়ে আসবে এবং এর ভেতরের অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাবে। অতিরিক্ত পানি হাত দিয়ে চিপে ফেলে দিন।
- এবার নরম করা বাধাকপির সাথে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং জিরা গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।
- এরপর মিশ্রণটিতে বেসন (বা ডাল বাটা) এবং চালের গুঁড়া দিয়ে দিন। সবকিছু হাত দিয়ে খুব ভালোভাবে মেখে একটি আঠালো মিশ্রণ বা ডো তৈরি করুন। (যদি মিশ্রণটি বেশি শুকনো মনে হয়, তবে ১-২ চামচ পানি দিতে পারেন। তবে বাধাকপি থেকে বের হওয়া পানিতেই সাধারণত মাখানো হয়ে যায়)।
- চুলায় একটি কড়াই বা প্যানে বড়া ভাজার জন্য পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। (ডুবো তেলে ভাজলে বড়া বেশি মচমচে হয়)।
- তেল গরম হলে মিশ্রণটি থেকে অল্প অল্প নিয়ে হাতের তালুতে গোল বা চ্যাপ্টা করে বড়ার আকার দিয়ে গরম তেলে ছেড়ে দিন।
- মাঝারি আঁচে বড়াগুলো উল্টেপাল্টে সোনালি বাদামি এবং মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- ভাজা হয়ে গেলে একটি টিস্যু পেপারের ওপর তুলে রাখুন, যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।
রান্নার পরামর্শ
[সম্পাদনা]- পানি ঝরানো: বাধাকপির বড়া মচমচে করার প্রধান শর্ত হলো বাধাকপির নিজস্ব পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে নেওয়া। লবণ দিয়ে মাখানোর পর যে পানি বের হয়, তা চিপে ফেলে দিলে বড়া নরম হয়ে যায় না।
- চালের গুঁড়ার ব্যবহার: মিশ্রণে সামান্য চালের গুঁড়া ব্যবহার করলে বড়া দীর্ঘক্ষণ মচমচে থাকে। চালের গুঁড়া না থাকলে কর্নফ্লাওয়ারও ব্যবহার করতে পারেন।
- আঁচ নিয়ন্ত্রণ: বড়াগুলো মাঝারি আঁচে সময় নিয়ে ভাজতে হবে। আঁচ বেশি থাকলে ওপরটা দ্রুত পুড়ে যাবে কিন্তু ভেতরটা কাঁচা থেকে যাবে।
তাহলে তৈরি হয়ে গেল বাধাকপির বড়া