বিষয়বস্তুতে চলুন

বাদাম পুলি

উইকিবই থেকে
বাদাম পুলি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মিষ্টান্ন
পরিবেশন ৫–৬ জন
খাদ্য শক্তি উচ্চ
তৈরির সময় ২ ঘণ্টা
কষ্টসাধ্য
টীকা ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন, যা পৌষ পার্বণ বা শীতকালে বিশেষভাবে তৈরি হয়। নারকেল ও বাদামের পুরভরা এই মিষ্টিটি গুড়ের রসে ভিজিয়ে পরিবেশন করা হয়, যার স্বাদ মনকে তৃপ্ত করে।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

বাদাম পুলি

বাদাম পুলি বাংলার ঐতিহ্যবাহী এক সুস্বাদু মিষ্টি, যা সাধারাণত পৌষ মাসে তৈরি হয়। এটি চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি খোলার মধ্যে বাদাম ও নারকেলের মিশ্রণ পুর ভরে ভাজা হয় এবং পরে তা গুড়ের মিষ্টি রসে ডুবিয়ে পরিবেশন করা হয়। খেতে এটি যেমন মচমচে, তেমনি ভিতরে থাকে এক অপূর্ব মিষ্টি স্বাদ। যাদের ঘরে শীতকালে অতিথি আপ্যায়নের আয়োজন থাকে, তাঁদের জন্য বাদাম পুলি এক অনন্য উপাদান হতে পারে।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
চালের গুঁড়া ২ কাপ
পানি প্রয়োজনমতো (আটা বানানোর জন্য)
নারকেল কোরা ১ কাপ
চিনা বাদাম (মিহি কুচি) ১/২ কাপ
খোয়া ক্ষীর ১/২ কাপ
চিনি বা গুড় ১ কাপ (পুর ও সিরার জন্য)
এলাচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
ঘি ১ টেবিল চামচ (পুরে)
তেল ভাজার জন্য

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে চালের গুঁড়া হালকা গরম পানিতে মেখে মাঝারি শক্ত মণ্ড তৈরি করে নিন। ঢেকে রেখে দিন ৩০ মিনিট।
  2. একটি পাত্রে ঘি দিয়ে নারকেল ও বাদাম একটু ভেজে নিন। এবার খোয়া ক্ষীর ও চিনি/গুড় মিশিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। এলাচ গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। এটি হবে পুর।
  3. মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে পাতলা করে বেলে তার মাঝে পুর ভরে পুলি আকৃতি দিন।
  4. সবগুলো পুলি তৈরি হলে তেল গরম করে হালকা আঁচে ভাজুন যতক্ষণ না সোনালি হয়ে যায়।
  5. এবার ১ কাপ চিনি বা গুড় ১ কাপ পানিতে গলিয়ে রস তৈরি করুন এবং পুলি গুলো সেই রসে ১০–১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন।
ঠান্ডা বা হালকা গরম অবস্থায় পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • চালের গুঁড়ার মণ্ড খুব বেশি নরম বা শক্ত করা উচিত নয়।
  • রস খুব বেশি পাতলা বা ঘন হলে পুলি ভালোভাবে রস শুষে নিতে পারে না।
  • মিষ্টি প্রেমীদের জন্য চাইলে একটু ঘন দুধের সঙ্গে পরিবেশন করা যেতে পারে।