পালং শাক ভাজি
অবয়ব
| পালং শাক ভাজি | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | ভাজি |
| পরিবেশন | ৩–৪ জন |
| খাদ্য শক্তি | প্রায় ৭০ কিলোক্যালরি (প্রতি পরিবেশন) |
| তৈরির সময় | ২০–২৫ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | সহজ ও পুষ্টিকর শাক-ভাজি |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
পালং শাক ভাজি একটি সহজ, ঝটপট এবং স্বাস্থ্যকর নিরামিষ প্রণালী যা বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এটি ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয় এবং খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।
উপকরণ
[সম্পাদনা]- পালং শাক – ১ আঁটি (ভালো করে ধুয়ে কুচি করে নেওয়া)
- পেঁয়াজ – ১টি (কুচি করা)
- রসুন – ৩–৪ কোয়া (চাকু দিয়ে ভাঙা)
- শুকনো লঙ্কা – ২টি (ফাটানো)
- সরিষার তেল – ১.৫ টেবিল চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
প্রস্তুতপ্রণালী
[সম্পাদনা]- পালং শাক ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কুচি করে রাখুন।
- একটি কড়াইতে সরিষার তেল গরম করে তাতে রসুন ও শুকনো লঙ্কা দিন।
- রসুন হালকা বাদামী হলে পেঁয়াজ দিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না নরম হয়।
- এরপর পালং শাক ও লবণ দিন, নেড়ে ঢেকে দিন।
- শাক থেকে স্বাভাবিকভাবেই পানি বের হবে। মাঝেমাঝে নেড়ে দিন যেন লেগে না যায়।
- পানি শুকিয়ে আসলে ভাজা ভাজা করে পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- চাইলে সঙ্গে একটু কাঁচা মরিচ কুচি যোগ করা যায় ঝাঁঝ বাড়ানোর জন্য।
- রসুন না দিলে নিরামিষ ভোজীদের উপযোগী হয়।
- বেশি পুষ্টির জন্য অল্প মুগ ডাল সিদ্ধ করে মিশিয়ে রান্না করা যায়।
উপকারিতা
[সম্পাদনা]- পালং শাক আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ ও সি-তে সমৃদ্ধ।
- নিয়মিত খেলে রক্তশূন্যতা রোধ, হাড় শক্তকরণ এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।
- সহজপাচ্য ও অল্প ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় এটি ডায়েট অনুসারীদের জন্য উপযোগী।