বিষয়বস্তুতে চলুন

পালং শাক ভাজি

উইকিবই থেকে
পালং শাক ভাজি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ ভাজি
পরিবেশন ৩–৪ জন
খাদ্য শক্তি প্রায় ৭০ কিলোক্যালরি (প্রতি পরিবেশন)
তৈরির সময় ২০–২৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা সহজ ও পুষ্টিকর শাক-ভাজি

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

পালং শাক ভাজি

পালং শাক ভাজি একটি সহজ, ঝটপট এবং স্বাস্থ্যকর নিরামিষ প্রণালী যা বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এটি ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয় এবং খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
  1. পালং শাক – ১ আঁটি (ভালো করে ধুয়ে কুচি করে নেওয়া)
  2. পেঁয়াজ – ১টি (কুচি করা)
  3. রসুন – ৩–৪ কোয়া (চাকু দিয়ে ভাঙা)
  4. শুকনো লঙ্কা – ২টি (ফাটানো)
  5. সরিষার তেল – ১.৫ টেবিল চামচ
  6. লবণ – স্বাদমতো

প্রস্তুতপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. পালং শাক ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কুচি করে রাখুন।
  2. একটি কড়াইতে সরিষার তেল গরম করে তাতে রসুন ও শুকনো লঙ্কা দিন।
  3. রসুন হালকা বাদামী হলে পেঁয়াজ দিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না নরম হয়।
  4. এরপর পালং শাক ও লবণ দিন, নেড়ে ঢেকে দিন।
  5. শাক থেকে স্বাভাবিকভাবেই পানি বের হবে। মাঝেমাঝে নেড়ে দিন যেন লেগে না যায়।
  6. পানি শুকিয়ে আসলে ভাজা ভাজা করে পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • চাইলে সঙ্গে একটু কাঁচা মরিচ কুচি যোগ করা যায় ঝাঁঝ বাড়ানোর জন্য।
  • রসুন না দিলে নিরামিষ ভোজীদের উপযোগী হয়।
  • বেশি পুষ্টির জন্য অল্প মুগ ডাল সিদ্ধ করে মিশিয়ে রান্না করা যায়।

উপকারিতা

[সম্পাদনা]
  • পালং শাক আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ ও সি-তে সমৃদ্ধ।
  • নিয়মিত খেলে রক্তশূন্যতা রোধ, হাড় শক্তকরণ এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।
  • সহজপাচ্য ও অল্প ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় এটি ডায়েট অনুসারীদের জন্য উপযোগী।