পানতোয়া
অবয়ব
| পানতোয়া | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | ৪–৫ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ১.৫ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | জনপ্রিয় বাংলা মিষ্টান্ন, যা গুলাব জামুন ও লালমোহনের মতো হলেও এর স্বাদ ও গঠন ভিন্নতর। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
পানতোয়া একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, যা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ—উভয় বাংলার ঘরোয়া এবং মিষ্টির দোকানে সমানভাবে জনপ্রিয়। এটি মূলত ক্ষীর, ময়দা ও ছানার সংমিশ্রণে তৈরি নরম একটি বল যা ডুবো তেলে ভেজে সিরায় ডুবিয়ে পরিবেশন করা হয়। এর গঠন তুলনামূলকভাবে গুলাব জামুনের তুলনায় একটু বেশি শক্ত এবং এটি রঙে গাঢ় বাদামি হয়। পানতোয়া শব্দটি এসেছে 'পান' এবং 'তোয়া' থেকে, অর্থাৎ 'সিরায় ভেজানো'।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| ছানা | ১ কাপ (তাজা) |
| ক্ষীর (গাঢ় দুধের জমানো অংশ) | ১/২ কাপ |
| ময়দা | ১/৪ কাপ |
| সুজি | ১ টেবিল চামচ (ভিজিয়ে নেওয়া) |
| বেকিং সোডা | ১ চিমটি |
| চিনি | ২ কাপ |
| পানি | ২ কাপ |
| এলাচ | ৩–৪টি |
| ঘি | ১ চা চামচ (মিশ্রণে) |
| তেল/ঘি | ভাজার জন্য |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে ছানা, ক্ষীর, ময়দা, সুজি, বেকিং সোডা ও সামান্য ঘি একত্রে ভালোভাবে মেখে নিন। মণ্ড যেন নরম ও মসৃণ হয়। প্রয়োজনে অল্প দুধ যোগ করা যেতে পারে।
- মণ্ডকে ঢেকে রেখে দিন ২০ মিনিট। এরপর ছোট ছোট বল আকারে গড়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে যেন ফাটল না থাকে।
- অন্যদিকে চুলায় চিনি ও পানি দিয়ে সিরা তৈরি করুন। ফুটে উঠলে এলাচ দিন এবং মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। সিরা যেন পাতলা না হয়, আবার অতিরিক্ত ঘনও না হয়।
- কড়াইয়ে তেল গরম করে পানতোয়া গুলো হালকা আঁচে ধীরে ধীরে ভাজুন যাতে বাইরের অংশ না পুড়ে যায়। গভীর বাদামি রঙ হলে তুলে নিন।
- ভাজা গরম অবস্থায় সিরায় ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ১ ঘণ্টা। পানতোয়া সিরা টেনে নরম ও রসালো হয়ে উঠবে।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- পানতোয়া ভাজার সময় আঁচ খুব বেশি হলে বাইরের অংশ পুড়ে যাবে এবং ভেতর কাঁচা থেকে যাবে।
- সিরা তৈরির সময়ে সামান্য গোলাপ জল যোগ করলে ঘ্রাণে ভিন্নতা আসে।
- ছানাটা যেন বেশি শুকনো না হয়, তাহলে মণ্ড ফাটতে পারে।