পাঁপড়
অবয়ব
| পাঁপড় | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | জলখাবার |
| পরিবেশন | ৮–১০ জন |
| খাদ্য শক্তি | হালকা |
| তৈরির সময় | ৪–৫ ঘণ্টা (সূর্যে শুকাতে সময় সহ) |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় শুকনো খাদ্য, যা ভাজি বা সেঁকা অবস্থায় ভাত বা জলখাবারের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
পাঁপড়
পাঁপড় একটি অতি পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী শুকনো খাদ্য, যা মূলত মসুর ডাল, চাল, মুগ ডাল, বা আলু দিয়ে তৈরি হয়। এটি সূর্যের আলোয় শুকিয়ে রাখা হয় এবং সংরক্ষণ করে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায়। ভারত ও বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এটি একসময় মহিলারা নিজেরাই তৈরি করতেন, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| মসুর ডাল | ২ কাপ (রাতে ভিজিয়ে রাখুন) |
| বেকিং সোডা | ১/২ চা চামচ |
| কালো জিরা | ১ চা চামচ |
| শুকনো মরিচ গুঁড়ো | ১ চা চামচ (স্বাদমতো) |
| লবণ | স্বাদমতো |
| হালকা গরম পানি | পরিমাণমতো |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে মসুর ডাল ভালোভাবে ধুয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন ভিজে ডালের পানি ঝরিয়ে ব্লেন্ডারে নিয়ে অল্প পানি দিয়ে ভালোভাবে বাটুন।
- বাটা ডালে বেকিং সোডা, লবণ, শুকনো মরিচ গুঁড়ো ও কালো জিরা মেশান। মিশ্রণটি ঘন ভর্তার মতো হবে, কিন্তু এমন যেন ছেঁকে নেওয়া যায় না।
- একটি পরিষ্কার পলিথিন বা কাপড় রোদে বিছিয়ে নিন। মিশ্রণটি চামচ দিয়ে ছোট ছোট গোল করে ছড়িয়ে দিন, একে অপরের থেকে সামান্য দূরে।
- রোদের তাপে ৩–৪ ঘণ্টা শুকিয়ে নিন। তারপর উল্টে দিন এবং আরও ১–২ ঘণ্টা শুকিয়ে সম্পূর্ণ শুষ্ক করে তুলুন।
- সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে পাঁপড় সংগ্রহ করে বায়ুরোধী কৌটো বা ডিব্বায় সংরক্ষণ করুন। ভাজার সময় অল্প তেলে উচ্চ তাপে ভেজে তুলুন, অথবা আগুনে সেঁকেও খাওয়া যায়।
ভাতের সঙ্গে, ডালের সঙ্গে অথবা চাটের অংশ হিসেবে পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- রোদে শুকানোর সময় মাঝে মাঝে নেড়ে উল্টে দিন যাতে সমানভাবে শুকায়।
- বৃষ্টির দিনে বা আর্দ্র আবহাওয়ায় পাঁপড় ভালোভাবে শুকাবে না, তাই গ্রীষ্মকাল বা শুষ্ক দিনে তৈরি করা উত্তম।
- চাইলে আপনি বাটার মধ্যে সরিষা বাটা, ধনে গুঁড়ো বা শুকনো আমচুর গুঁড়ো দিয়ে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে পারেন।