বিষয়বস্তুতে চলুন

ধোকলা

উইকিবই থেকে
ধোকলা
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ জলখাবার
পরিবেশন ৪ জন
খাদ্য শক্তি উচ্চ
তৈরির সময় ৪৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা ভারতের গুজরাত অঞ্চলের জনপ্রিয় নাস্তা, যা মসলা ও ময়দার মিশ্রণে ভাজা হয়। এটি চা অথবা অন্য কোন পানীয়ের সাথে বিশেষ উপভোগ্য।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

ধোকলা

ধোকলা হলো গুজরাতের একটি জনপ্রিয় জলখাবার যা সেদ্ধ ময়দা এবং চানা ডালের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি। এর নরম ও মসলা ভরা স্বাদ সকল বয়সের মানুষের কাছে প্রিয়। সাধারণত সন্ধ্যার নাস্তায় বা উৎসব ও বর্ণিল অনুষ্ঠানে ধোকলা অত্যন্ত সমাদৃত।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম পরিমাণ
ছোলা ডাল (চানা ডাল) ১ কাপ
সাদা ময়দা ১/২ কাপ
দই ১/২ কাপ
হরি মরি (কাঁচা মরিচ) ২টি
আদা ১ ইঞ্চি টুকরো
নিম্বুর রস ১ টেবিল চামচ
এলাচি গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
বেকিং সোডা ১ চা চামচ
তেল ২ টেবিল চামচ
সরিষার বীজ ১ চা চামচ
কাঁচা ধনে পাতা (কুচানো) ২ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
জল ১ কাপ (মিশ্রণ তৈরির জন্য)

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. ছোলা ডাল ভালো করে ধুয়ে রাতে ভিজিয়ে রাখুন।
  2. ভিজানো ডাল ও ময়দা, দই, কাঁচা মরিচ, আদা, নিম্বুর রস, ইলাচি গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে ব্লেন্ডারে মিহি পেস্ট তৈরি করুন।
  3. মিশ্রণটি একটি বড় পাত্রে নিয়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অথবা সারা রাত রেখে মজতে দিন।
  4. মজানো হয়ে গেলে মিশ্রণে বেকিং সোডা মেশান এবং দ্রুত নাড়ুন।
  5. একটি পাত্রে জল ঢেলে তার উপরে বাষ্প তৈরি করার জন্য ধোঁয়া দিন।
  6. একটি ঢাকনা-বদ্ধ পাত্রে সামান্য তেল মেখে মিশ্রণ ঢেলে বাষ্পে ২০-২৫ মিনিট সিদ্ধ করুন।
  7. সিদ্ধ হয়ে গেলে ঠান্ডা হতে দিন, তারপর পাত্র থেকে বের করে বড়া বড় টুকরো করে কেটে নিন।
  8. অন্য একটি প্যানে তেল গরম করে সরিষার বীজ ফোটান, তারপর এটি ধোকলার উপরে ঢেলে দিন।
  9. কুচানো ধনে পাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
হালকা নাস্তা হিসেবে চা বা যেকোনো পাবীয়ের সাথে পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • মজানো ভালো না হলে ধোকলা ফুলে উঠবে না, তাই সময় দিন মজানোর জন্য।
  • বেকিং সোডা পরিমাণমতো ব্যবহার করুন, বেশি দিলে ধোকলা টক হয়ে যেতে পারে।