বিষয়বস্তুতে চলুন

তেল কই

উইকিবই থেকে
তেল কই
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মাছ রন্ধনপ্রণালী
পরিবেশন মাছের পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৩-৪ জন।
তৈরির সময় ৩০ মিনিট
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

বোরোলি মাছের পাতুরি

তেল কই বা তেল কৈ একটি জনপ্রিয় বাঙালি পদ, যা মূলত কই মাছ দিয়ে সরষের তেলে ভাজাভুজি করে বানানো হয়। এই রান্নাটি কই মাছের তেল ঝাল নামেও পরিচিত। এই পদটি ঝাল ও স্বাদে ঘন, এবং এতে মশলার ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কম হলেও সরষের তেলের স্বাদ এবং কই মাছের নিজস্ব ঘ্রাণ মূল আকর্ষণ। এটি মূলত নুন-হলুদ মাখানো মাছ ভালোভাবে ভেজে নিয়ে তেলে শুকনো লঙ্কা, কাঁচা লঙ্কা, সামান্য জিরে ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে একধরনের শুকনো বা আধা-ঘন ঝোল তৈরি করে পরিবেশন করা হয়। স্বল্প উপকরণসহ সরষের তেলে রান্না হওয়ায় কই মাছগুলির স্বাদ হয়ে ওঠে অনন্য। গরম ভাতের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে। সাধারণত পেঁয়াজ, রসুন ছাড়াও বানানো যায়। এই রান্নাটি গ্রামবাংলার একটি পরিচিত পদ, যেখানে কম উপকরণে ও সহজ উপায়ে তৈরি খাবারে যুক্ত হয় নিজস্ব স্বাদ।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
কই মাছ ৫-৬টি (পরিষ্কার করে, নুন-হলুদ মাখানো)
সরষের তেল ৪-৫ টেবিল চামচ
শুকনো লঙ্কা ২টি
কাঁচা লঙ্কা ৩-৪টি (চেরা)
জিরে ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. কই মাছ পরিষ্কার করে নুন ও হলুদ মেখে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
  2. কড়াইয়ে সরষের তেল গরম করুন। তেল সাদা ধোঁয়া ছাড়লে বুঝবেন যথেষ্ট গরম হয়েছে।
  3. মাছগুলো ধীরে ধীরে দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন যতক্ষণ না বাদামি রঙ হয়। ভাজা হয়ে গেলে তুলে রাখুন।
  4. সেই তেলেই জিরে, শুকনো লঙ্কা ও কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিন।
  5. অল্প করে হলুদ ও নুন ছিটিয়ে দিন এবং সামান্য জল দিন (একেবারে সামান্য ঝোলের জন্য)।
  6. ভাজা মাছগুলো ফোড়নের মধ্যে দিন এবং ঢেকে ৫-৭ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন।
  7. অতিরিক্ত ঝোল না রেখে শুকনো বা আধা-ঘন অবস্থায় নামিয়ে নিন।
    গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন তেল কই— সরষের তেল ও লঙ্কার ঝাঁজ মিশে অসাধারণ স্বাদ দেবে।'