বিষয়বস্তুতে চলুন

ডিম বেগুনের ভর্তা

উইকিবই থেকে
ডিম বেগুনের ভর্তা
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ ডিমের রান্না
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৫ জন।
তৈরির সময় প্রায় ১ ঘন্টা
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

ডিম বেগুনের ভর্তা

বাঙালী সংস্কৃতির সমস্ত স্তরে কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির অবদান অতুলনীয়। যেমন গান, কবিতা, শিল্প সেরকমই বাঙালী জগতে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে ঠাকুরবাড়ির বিবিধ স্বাদের পদ। ঠাকুরবাড়িতে বিবিধ সুস্বাদু ব্যাঞ্জন বানানোর রীতি ছিল যার মধ্যে অন্যত এই ডিম বেগুনের ভর্তা। এই রান্নার মূল উপকরণ ছিল ডিম আর বেগুন। এদের সংগে আনুষঙ্গীক কিছু উপকরনের মিশ্রনে সহজেই বানানো যায় এই ডিম বেগুনে ভর্তা।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
মাঝারি মাপের বেগুন ২-৩টি
ডিম ৩টি
পেঁয়াজ কুচি আধ কাপ
পেঁয়াজ বাটা আধ কাপ
রসুন কুচি ২ টেবিল চামচ
দারচিনি এক টুকরো
ছোট এলাচ ১টি
লবঙ্গ ১টি
হলুদ গুঁড়ো আধ চা চামচ
লঙ্কা গুঁড়ো আধ চা চামচ
নুন স্বাদ অনুযায়ী
কাঁচা লঙ্কা ২টি

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. কড়াইয়ে জল, সামান্য নুন দিয়ে প্রথমে ডিম আর বেগুন সেদ্ধ করে নিন।
  2. স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে ডিম এবং বেগুনের খোসা ছাড়িয়ে রাখুন।
  3. কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম হলে তার মধ্যে বেশ কিছুটা কিশমিশ ভেজে তুলে রাখুন।
  4. ওই তেলেই পেঁয়াজকুচি দিয়ে ভাল করে ভেজে বেরেস্তা বানিয়ে নিন।
  5. এ বার রসুনকুচি, পেঁয়াজবাটা ভাল করে ভেজে নিন।
  6. একটু লালচে রং ধরলে এক টুকরো দারচিনি, লবঙ্গ এবং ছোট এলাচ দিয়ে আরও কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করুন।
  7. এ বার এক এক করে হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো এবং নুন দিয়ে দিন।
  8. মশলা কষিয়ে নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে রাখা সেদ্ধ বেগুনটা দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়াচাড়া করুন।
  9. মাখো-মাখো হয়ে এলে কাঁচালঙ্কা কুচি, বেরেস্তা দিয়ে আরও কিছু ক্ষণ রান্না করুন।
  10. একেবারে শেষে সেদ্ধ করে রাখা ডিমগুলো হাত দিয়ে ভেঙে উপর থেকে ছড়িয়ে দিন। বেগুন আর ডিম নাড়তে নাড়তে একসঙ্গে মিশে যাবে।
  11. নামানোর আগে উপর থেকে ভেজে রাখা কিশমিশ, আর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিলেই কাজ শেষ।
    গরম রুটি বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন ঠাকুরবাড়ির এই বিখ্যাত ডিম বেগুনের ভর্তা

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]