জিরা পানি
অবয়ব
| জিরা পানি | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | পানীয় |
| পরিবেশন | ৪–৫ জন |
| খাদ্য শক্তি | কম |
| তৈরির সময় | ১৫ মিনিট (সহজ) |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | প্রাচীন আয়ুর্বেদিক পানীয় যা হজমশক্তি বৃদ্ধি, পেটের সমস্যা দূরীকরণ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
জিরা পানি
জিরা পানি বাংলার ঘরে ঘরে বহু প্রাচীনকাল ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে একটি প্রাকৃতিক হজমবর্ধক ও উপকারী পানীয় হিসেবে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে ও পেট পরিষ্কার রাখতে এটি দারুণ কার্যকর। নানা আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে জিরাকে ‘অগ্নিদীপক’ বা হজমশক্তি জাগানোর উপাদান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি শুধু স্বাদে নয়, উপকারেও ভরপুর।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| জিরা | ২ টেবিল চামচ |
| পানি | ৪ কাপ |
| লেবুর রস | ১ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক) |
| মধু | ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক) |
| বিট লবণ | ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক) |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- একটি শুকনো কড়াইতে জিরা হালকা করে ভাজুন যতক্ষণ না জিরা থেকে সুগন্ধ বের হয় এবং রঙ হালকা গাঢ় হয়।
- এরপর ভাজা জিরা ঠান্ডা হলে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ১ ঘণ্টা বা সারা রাত।
- ভিজিয়ে রাখা জিরাসহ পানি একটি পাত্রে ঢেলে আরও ৩ কাপ পানি মেশান।
- চাইলে এই মিশ্রণে বিট লবণ, লেবুর রস এবং সামান্য মধু যোগ করতে পারেন স্বাদ ও পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য।
ভালোভাবে মিশিয়ে ঠান্ডা অবস্থায় পরিবেশন করুন।