বিষয়বস্তুতে চলুন

চিংড়ি মধুক্ষীরা

উইকিবই থেকে
চিংড়ি মধুক্ষীরা
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মাছ রন্ধনপ্রণালী
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৪-৫ জন।
তৈরির সময় ৪০ মিনিট
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

চিংড়ি মধুক্ষীরা

চিংড়ি মধুক্ষীরা এক অভিনব ও বিলাসবহুল বাঙালি রান্নার পদ, যেখানে চিংড়ি মাছ রান্না করা হয় দুধ, মধু ও মশলার ভারসাম্যে তৈরি এক মৃদু মিষ্টি-মসলাদার ঝোলের মধ্যে। এই সুস্বাদু পদে চিংড়ির কোমলতা, দুধের মসৃণতা এবং মধুর হালকা মিষ্টি স্বাদ মিলেমিশে এক অনন্য স্বাদ তৈরি করে। এটি মূলত উৎসব বা বিশেষ দিনের জন্য তৈরি করা হয় এবং পোলাও বা বাসমতি ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে এর স্বাদ ও গন্ধ আরও বেড়ে যায়।

উপকরন

[সম্পাদনা]
উপকরন পরিমান
বড় চিংড়ি ৭ থেকে ৮টি
নারকেলের দুধ দেড় কাপ
গরম মশলা ১ টেবিল চামচ (থেতো করা)
তেজপাতা ২টি (বাটা)
পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো স্বাদ অনুযায়ী
নুন আন্দাজমতো
তেল ২ টেবিল চামচ
কাজু, কিসমিস, খোয়া ক্ষীর বাটা ৪ চা চামচ
মধু ২ টেবিল চামচ
হালকা করে ভাজা নারকেল কোরা ২ টেবিল চামচ

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. বড় চিংড়িগুলি ভালো করে ধুয়ে লবণ ও সামান্য হলুদ মাখিয়ে রেখে দিন ১০ মিনিট মতো।
  2. একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে চিংড়িগুলিকে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন।
  3. ওই একই কড়াইয়ে তেজপাতা বাটা, পেঁয়াজ বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। এর পরে হলুদ গুঁড়ো, লাল লঙ্কা গুঁড়ো, নুন এবং থেতো গরম মশলা দিয়ে ভালো করে কষান।
  4. কষানো মশলার মধ্যে নারকেলের দুধ ঢেলে দিন। এরপর কাজু-কিসমিস-খোয়া ক্ষীর বাটা ও মধু মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন।
  5. ভাজা চিংড়ি মাছগুলো এই মিশ্রণে দিয়ে দিন এবং ঢেকে মাঝারি আঁচে ৫–৭ মিনিট রান্না করুন যাতে চিংড়ি মাসে মশলা, দুধ, খোয়া ক্ষীরের স্বাদ মিশে যায়।
  6. রান্নার শেষে হালকা করে ভাজা নারকেল কোরা ছড়িয়ে দিন, এটি স্বাদ ও গন্ধ দুই বাড়াবে।
    চিংড়ি মধুক্ষীরা পরিবেশন করুন গরম পোলাও বা সুগন্ধি বাসমতি ভাতের সঙ্গে।