বিষয়বস্তুতে চলুন

চিংড়ি নারকেল ঝোল

উইকিবই থেকে
চিংড়ি নারকেল ঝোল
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মূল খাবার
পরিবেশন ৪–৫ জন
খাদ্য শক্তি মাঝারি
তৈরির সময় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় সামুদ্রিক খাবার, যেখানে চিংড়ির সঙ্গে নারকেলের দুধ ও মসলা মিশে তৈরি হয় অপূর্ব স্বাদ।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

চিংড়ি নারকেল ঝোল

চিংড়ি নারকেল ঝোল এক অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঘ্রাণযুক্ত পদ, যা সাধারণত মধ্যাহ্নভোজ বা রাত্রিভোজে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। চিংড়ির নিজস্ব স্বাদে নারকেলের দুধ ও ঘরোয়া মসলার মিশ্রণ এই রান্নাটিকে এক অনন্য স্বাদের স্তরে নিয়ে যায়। এটি শুধু রসনাতৃপ্তি নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতির একটা অংশ হিসেবেও বিবেচিত।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
বড় চিংড়ি মাছ ৬–৮টি
পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
রসুন বাটা ১ চা চামচ
আদা বাটা ১ চা চামচ
শুকনা মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো
নারকেলের দুধ ১ কাপ
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ
তেজপাতা ২টি
এলাচ ও দারুচিনি ১টি করে
কাঁচা মরিচ ৪টি (ফাটা)

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে চিংড়ি মাছ পরিষ্কার করে লবণ ও হলুদ মেখে কিছুক্ষণ রেখে দিন।
  2. এবার একটি হাঁড়িতে সরিষার তেল গরম করে চিংড়ি হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
  3. একই তেলে তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি ফোড়ন দিন। এরপর পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন।
  4. মসলার কষানো হলে শুকনা মরিচ, জিরা গুঁড়ো, লবণ, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে নাড়ুন এবং সামান্য পানি দিয়ে কষান।
  5. মসলা থেকে তেল ছেড়ে এলে ভাজা চিংড়ি মাছ দিন এবং কয়েক মিনিট নাড়ুন।
  6. এবার নারকেলের দুধ ঢেলে ঢেকে দিন এবং অল্প আঁচে ১০–১৫ মিনিট রান্না করুন।
  7. কাঁচা মরিচ দিন রান্না শেষে।
গরম ভাত, পোলাও বা পাতলা চালের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • নারকেলের দুধ বেশি ফুটলে ছড়িয়ে যেতে পারে, তাই আঁচ মাঝারি রাখুন।
  • বড় চিংড়ির পরিবর্তে মাঝারি আকারের চিংড়িও ব্যবহার করা যায়।