চাল কুমড়ার মোরব্বা
অবয়ব
| চাল কুমড়ার মোরব্বা | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | ১০–১২ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ১ ঘন্টা (তৈরি), ২–৩ দিন (জারিতকরণ) |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | একটি চিরায়ত বাঙালি মিষ্টান্ন যা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এবং স্বাদে অতুলনীয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
চাল কুমড়া বাংলার গ্রামাঞ্চলে খুব পরিচিত একটি সবজি, এটি শুধুমাত্র তরকারিতেই নয় বরং একটি সংরক্ষণযোগ্য মিষ্টি পদ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এই মিষ্টি পদটির নাম চাল কুমড়ার মোরব্বা। এটি মূলত চিনি ও মশলার হালকা মিশ্রণে ধীরে ধীরে জারিত করে তৈরি করা হয়, যা বহুদিন সংরক্ষণ করা যায়। বাঙালি রন্ধনপ্রেমী মহলে এটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| চাল কুমড়া (ছোলা ও খোসা ছাড়া) | ১ কেজি |
| চিনি | ৭৫০ গ্রাম থেকে ১ কেজি (স্বাদ অনুযায়ী) |
| পানি | ১ কাপ |
| দারুচিনি | ২ টুকরো |
| এলাচ | ৩–৪টি |
| চুন পানি (ঐচ্ছিক) | ১ কাপ (কুমড়া শক্ত রাখার জন্য) |
| লবণ | ১/২ চা চামচ |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে চাল কুমড়ার খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের বীজ বাদ দিয়ে বড় বড় টুকরো করে নিন। চাইলে পাতলা আকারে কেটে গোল আকৃতিও দিতে পারেন।
- চাইলে টুকরোগুলোকে ১ ঘণ্টার মতো চুন পানিতে ভিজিয়ে রাখুন যাতে সেদ্ধর পরেও সেগুলো শক্ত থাকে। পরে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।
- এরপর হালকা লবণ পানিতে চাল কুমড়ার টুকরো আধা সেদ্ধ করে নিন। তবে সাবধান—খুব নরম হলে মোরব্বার আকৃতি নষ্ট হয়ে যাবে।
- অন্যদিকে, চিনি ও পানি মিশিয়ে একটি হালকা সিরা তৈরি করুন। দারুচিনি ও এলাচ যোগ করে সিরাটিকে মিষ্টি সুগন্ধময় করুন।
- সেদ্ধ চাল কুমড়া সিরায় দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না সিরা কুমড়ার ভিতরে ঢুকে যায় ও কুমড়া সোনালি রঙ ধারণ করে।
- সিরা ঠান্ডা হলে কাঁচের বোতলে ভরে সংরক্ষণ করুন। চাইলে প্রতিদিন ২–৩ মিনিট হালকা জ্বাল দিয়ে আবার ঠান্ডা করে রাখতে পারেন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- চুন পানি ব্যবহার করলে চালকুমড়া অনেকদিন পর্যন্ত শক্ত থাকে ও আকৃতি ঠিক রাখে।
- সিরা ঘন হলে সংরক্ষণকাল বাড়ে। তবে অতিরিক্ত ঘন সিরায় কুমড়া শক্ত হয়ে যেতে পারে।
- মোরব্বা সংরক্ষণ করতে চাইলে শুকনো ও পরিষ্কার কাঁচের বোতলে ভরে রোদে দিলে আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।