ঘেভার
অবয়ব
| ঘেভার | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | মিষ্টান্ন |
| পরিবেশন | ৬ জন |
| খাদ্য শক্তি | উচ্চ |
| তৈরির সময় | ২ ঘণ্টা |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | ভারতের বিখ্যাত রাজস্থান রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় একটি মিষ্টি হল ঘেভার। বিশেষ করে রাখি ও তিজ উৎসবে এটি অবধারিত পদ হিসেবে তৈরি হয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
ঘেভার
ঘেভার একটি বিখ্যাত রাজস্থানী মিষ্টান্ন, যার গোলাকৃতি জালযুক্ত গঠন ও দুধ-চিনি-ঘি-এর মিশেলে তৈরি সুস্বাদু স্বাদ একে অনন্য রূপ দেয়। এটি তৈরি করতে কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও, এর স্বাদ ও সৌন্দর্য সব পরিশ্রমের সার্থকতা এনে দেয়। ঘেভার মূলত উৎসবের দিনে, বিশেষ করে রাখি বা তিজ-এর সময় রাজস্থানের ঘরে ঘরে তৈরি হয়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ময়দা | ২ কাপ |
| ঘি | ১/২ কাপ |
| ঠান্ডা জল | প্রয়োজনমতো (ঘন মিশ্রণ তৈরির জন্য) |
| বরফ কুচি | ১ কাপ |
| দুধ | ১/২ কাপ |
| লেবুর রস | ১ চা চামচ |
| চিনি | ২ কাপ |
| জল (চিনির সিরার জন্য) | ১ কাপ |
| এলাচ গুঁড়ো | ১/২ চা চামচ |
| কেশর | কয়েকটি সুতোর মতো (ইচ্ছামতো) |
| বাদাম কুচি | ২ টেবিল চামচ (সাজানোর জন্য) |
| পেস্তা কুচি | ২ টেবিল চামচ (সাজানোর জন্য) |
| ঘি | গভীর ভাজার জন্য |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে ঘি ও বরফ কুচি একত্রে নড়িয়ে ফেনার মতো করে তুলুন।
- ধীরে ধীরে ময়দা, দুধ, ঠান্ডা জল ও লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে একটি পাতলা ও মসৃণ খামী তৈরি করুন। খামীটি ঢালার মতো তরল হবে।
- একটি গভীর পাত্রে প্রচুর ঘি গরম করুন। ঘি ভালভাবে গরম হলে আঁচ মাঝারি করুন।
- গরম ঘিতে লম্বা চামচ বা কড়চি দিয়ে ব্যাটার ঢালুন। এটি গিয়ে ফেনার মতো গোলাকৃতি গঠন তৈরি করবে।
- ব্যাটার কয়েক ধাপে ঢালুন এবং প্রতিটি ধাপে গঠনের মাঝখানে গর্ত তৈরি করতে দিন।
- সোনালি রঙ ধারণ করলে ঘেভার তুলে নিন ও ঠান্ডা হতে দিন।
- অন্যদিকে চিনি ও জল দিয়ে হালকা সিরা তৈরি করুন। এতে এলাচ গুঁড়ো ও কেশর দিন।
- ঠান্ডা ঘেভার সিরায় চুবিয়ে নিয়ে বাদাম ও পেস্তা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
পরিবেশন
[সম্পাদনা]ঘেভার সাধারণত ঠান্ডা করে পরিবেশন করা হয়। ইচ্ছামতো উপরে ঘন দুধ বা রাবড়ি ছড়িয়ে বিশেষ দিনের মিষ্টান্ন হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- ঘি ভালভাবে গরম না হলে সঠিক গঠন আসবে না, তাই প্রথমে ঘি যথেষ্ট গরম হওয়া নিশ্চিত করুন।
- ব্যাটার খুব ঘন বা খুব পাতলা না হওয়াই উত্তম। প্রয়োজনে একবার প্রাকটিস করা যেতে পারে।