বিষয়বস্তুতে চলুন

ঘি ভাত

উইকিবই থেকে
ঘি ভাত
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ সেদ্ধ
পরিবেশন পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৪-৫ জন।
তৈরির সময় ২০–২৫ মিনিট (চাল ভিজিয়ে রাখার সময় বাদ দিলে)
কষ্টসাধ্য
টীকা পূজা-পার্বণ, শুভদিনে বিশেষ খাবারের সাথে পরিবেশন করা হয়।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

ঘি ভাত

ঘি ভাত একটি প্রাচীন ও সুগন্ধি বাঙালি খাবার, যা সাধারণত পূজা-পার্বণ, উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে পরিবেশন করা হয়। এটি মূলত সাদা ভাতের সঙ্গে ঘি, সামান্য মসলা ও কখনও কিছুটা চিনি মিশিয়ে রান্না করা হয়, যা খেতে হয় নরম, মিষ্টিমাখা ও ঘ্রাণযুক্ত। গোবিন্দভোগ বা কালোজিরা চাল দিয়ে তৈরি ঘি ভাত বিশেষভাবে জনপ্রিয়, কারণ এতে স্বাদ ও সুগন্ধ বেশি হয়। সাধারণত আলু দম, ছোলার ডাল, বা নিরামিষ তরকারির সঙ্গে এটি পরিবেশন করা হয়, তবে অনেকেই এটি শুধু ঘি ও নুন দিয়ে খেতেও পছন্দ করেন। সহজ উপকরণে তৈরি হলেও ঘি ভাত বাঙালির রসনাতৃপ্তির একটি সরল কিন্তু অসাধারণ উদাহরণ।


উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
চাল (বসুমতি/গোবিন্দভোগ/কালোজিরা) ১ কাপ
ঘি ২ টেবিল চামচ (বা স্বাদমতো)
লবণ পরিমাণমতো
চিনি ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)
তেজপাতা ১টি
দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক, সুগন্ধের জন্য)
গরম জল ২ কাপ

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. চাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন প্রায় ১৫–২০ মিনিট, তারপর জল ঝরিয়ে দিন।
  2. কড়াই বা হাড়িতে ঘি গরম করুন। তাতে তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিন (সুগন্ধ বাড়ানোর জন্য)।
  3. মশলার গন্ধ বেরোলে তাতে চাল দিয়ে নাড়ুন ২–৩ মিনিট (চাল যেন ঘি আর মশলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়)।
  4. এবার ২ কাপ গরম জল দিন, সাথে লবণ এবং ঐচ্ছিকভাবে ১ চা চামচ চিনি দিন।
  5. রান্নার পাত্র ঢেকে দিন এবং মধ্যম আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না চাল স্ফীত হয়ে ওঠে ও জল শুকিয়ে যায় (প্রায় ১৫ মিনিট)।
  6. চাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে ৫ মিনিট রেখে দিন, যাতে ভাত ঝরঝরে হয়।
  7. আরও সুগন্ধের জন্য সামান্য কেওড়া জল বা গোলাপ জলো মেশানো যায়।
    আলুর দম, পনির, মটন/চিকেন কারি বা ছোলার ডাল -এর সাথে পরিবেশন করুন। কিশমিশ বা কাজু ভাজা দিয়েও পরিবেশন করা যায়।