ঘি ভাত
অবয়ব
| ঘি ভাত | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | সেদ্ধ |
| পরিবেশন | পরিমান অনুসারে, কমপক্ষে ৪-৫ জন। |
| তৈরির সময় | ২০–২৫ মিনিট (চাল ভিজিয়ে রাখার সময় বাদ দিলে) |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | পূজা-পার্বণ, শুভদিনে বিশেষ খাবারের সাথে পরিবেশন করা হয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
ঘি ভাত একটি প্রাচীন ও সুগন্ধি বাঙালি খাবার, যা সাধারণত পূজা-পার্বণ, উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে পরিবেশন করা হয়। এটি মূলত সাদা ভাতের সঙ্গে ঘি, সামান্য মসলা ও কখনও কিছুটা চিনি মিশিয়ে রান্না করা হয়, যা খেতে হয় নরম, মিষ্টিমাখা ও ঘ্রাণযুক্ত। গোবিন্দভোগ বা কালোজিরা চাল দিয়ে তৈরি ঘি ভাত বিশেষভাবে জনপ্রিয়, কারণ এতে স্বাদ ও সুগন্ধ বেশি হয়। সাধারণত আলু দম, ছোলার ডাল, বা নিরামিষ তরকারির সঙ্গে এটি পরিবেশন করা হয়, তবে অনেকেই এটি শুধু ঘি ও নুন দিয়ে খেতেও পছন্দ করেন। সহজ উপকরণে তৈরি হলেও ঘি ভাত বাঙালির রসনাতৃপ্তির একটি সরল কিন্তু অসাধারণ উদাহরণ।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| চাল (বসুমতি/গোবিন্দভোগ/কালোজিরা) | ১ কাপ |
| ঘি | ২ টেবিল চামচ (বা স্বাদমতো) |
| লবণ | পরিমাণমতো |
| চিনি | ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক) |
| তেজপাতা | ১টি |
| দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ | ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক, সুগন্ধের জন্য) |
| গরম জল | ২ কাপ |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]- চাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন প্রায় ১৫–২০ মিনিট, তারপর জল ঝরিয়ে দিন।
- কড়াই বা হাড়িতে ঘি গরম করুন। তাতে তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিন (সুগন্ধ বাড়ানোর জন্য)।
- মশলার গন্ধ বেরোলে তাতে চাল দিয়ে নাড়ুন ২–৩ মিনিট (চাল যেন ঘি আর মশলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়)।
- এবার ২ কাপ গরম জল দিন, সাথে লবণ এবং ঐচ্ছিকভাবে ১ চা চামচ চিনি দিন।
- রান্নার পাত্র ঢেকে দিন এবং মধ্যম আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না চাল স্ফীত হয়ে ওঠে ও জল শুকিয়ে যায় (প্রায় ১৫ মিনিট)।
- চাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে ৫ মিনিট রেখে দিন, যাতে ভাত ঝরঝরে হয়।
- আরও সুগন্ধের জন্য সামান্য কেওড়া জল বা গোলাপ জলো মেশানো যায়।
আলুর দম, পনির, মটন/চিকেন কারি বা ছোলার ডাল -এর সাথে পরিবেশন করুন। কিশমিশ বা কাজু ভাজা দিয়েও পরিবেশন করা যায়।