গারুধিয়া
অবয়ব
| গারুধিয়া | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | আমিষ |
| পরিবেশন | ২-৩ জন |
| খাদ্য শক্তি | মাঝারি (উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ) |
| তৈরির সময় | ৩০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | মালদ্বীপের এই খাবারটি মূলত টুনা মাছ দিয়ে তৈরি করা হয়। ঝোলটি স্বচ্ছ রাখার জন্য সেদ্ধ করার সময় উপরিভাগের ফেনা ফেলে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
গারুধিয়া
গারুধিয়া হলো মালদ্বীপের রন্ধনপ্রণালীর অন্যতম মৌলিক এবং ঐতিহ্যবাহী একটি স্বচ্ছ মাছের ঝোল। এটি মূলত ভারত মহাসাগরে পাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির টুনা মাছ দিয়ে তৈরি করা হয়। এই ঝোলটির বিশেষত্ব হলো এর সরলতা; মাছের নিজস্ব স্বাদই এখানে প্রধান। টুনা মাছের এই ঝোলটি দীর্ঘক্ষণ জ্বাল দিয়ে বাষ্পীভূত করলে এক ধরণের ঘন বাদামী পেস্ট তৈরি হয়, যাকে মালদ্বীপের রান্নায় অত্যন্ত মূল্যবান রিহাকুরু বলা হয়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| তাজা টুনা মাছ (মাথা ও হাড়সহ টুকরো করা) | ৫০০ গ্রাম |
| জল | পরিমাণমতো (মাছ ডুবিয়ে রাখার জন্য) |
| লবণ | স্বাদমতো |
| শুকনো লঙ্কা (ঐচ্ছিক) | ২-৩টি |
| পেঁয়াজ কুচি ও কারি পাতা (ঐচ্ছিক) | ১টি ও ১ ডাঁটা |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে টুনা মাছের ফুলকা এবং ভেতরের অপ্রয়োজনীয় অংশ ফেলে দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর মাছের টুকরো, মাথা এবং হাড়গুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন।
- একটি বড় পাত্রে পরিমাণমতো জল ও লবণ দিয়ে চুলায় বসান। জল সামান্য গরম হলে তাতে মাছের টুকরোগুলো দিয়ে দিন।
- জল ফুটতে শুরু করলে উপরিভাগে প্রচুর ফেনা বা ময়লা (যাকে ধিবেহী ভাষায় ফিলিও বলা হয়) জমবে। একটি চামচ দিয়ে এই ফেনাগুলো সাবধানে তুলে ফেলে দিন। ঝোলটি স্বচ্ছ রাখার জন্য এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মাছ পুরোপুরি সুসেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন।
- আপনি যদি সাধারণ স্বাদের বদলে কিছুটা মশলাদার পছন্দ করেন, তবে রান্নার মাঝে কারি পাতা, পেঁয়াজ কুচি এবং লঙ্কা যোগ করতে পারেন। তবে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে কেবল লবণ ও জলই ব্যবহার করা হয়।
পরিবেশন ও বৈচিত্র্য
[সম্পাদনা]- গারুধিয়া সাধারণত ভাতের সাথে খাওয়া হয়। এছাড়া মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী চাপটি বা রোশির সাথেও এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- সেদ্ধ কচু বা রুটিফলের সাথে খাওয়ার সময় এর সাথে সামান্য নারকেল কোরা যোগ করা হয় যা স্বাদে ভিন্ন মাত্রা আনে।
- টুনা মাছ ছাড়াও কখনও কখনও ওয়াহু বা মাহি-মাহি মাছ দিয়েও এটি তৈরি করা হয়।