বিষয়বস্তুতে চলুন

খোরমা

উইকিবই থেকে
খোরমা
চিত্র:Khorma sweet.jpg
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ নাস্তা
পরিবেশন ৪-৫ জন
তৈরির সময় ৩০-৪০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা মিষ্টির রস বা শিরা ঘন হতে হবে যেন খোরমার গায়ে লেগে সাদা হয়ে জমে যায়।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

খোরমা

খোরমা (যা অনেক অঞ্চলে 'আঙুলি মিষ্টি' বা 'মুরালি' নামেও পরিচিত) বাংলাদেশ ও ভারতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহ্যবাহী শুকনো মিষ্টি। এটি সাধারণত বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে, ঈদে কিংবা বিকেলের নাস্তায় চায়ের সাথে পরিবেশন করা হয়। ময়দা ও চিনির শিরায় তৈরি এই মিষ্টিটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপকরণ
ময়দা ২ কাপ
সয়াবিন তেল (ময়ানের জন্য) ৪ টেবিল-চামচ
লবণ ১ চিমটি
পানি পরিমাণমতো (ডো তৈরির জন্য)
চিনি (শিরার জন্য) ১ কাপ
পানি (শিরার জন্য) আধা কাপ
সয়াবিন তেল ভাজার জন্য (পরিমাণমতো)

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে একটি বড় পাত্রে ময়দা, ১ চিমটি লবণ এবং ৪ টেবিল-চামচ তেল একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে (ময়ান দিয়ে) নিন। ময়দা মুঠো করলে যেন দলা পেকে যায়, এমন হলে বুঝবেন ময়ান ঠিক হয়েছে।
  2. এবার অল্প অল্প করে সাধারণ পানি যোগ করে একটি শক্ত ও মসৃণ ডো বা খামির তৈরি করে নিন। খামিরটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য একটি ভেজা সুতি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।
  3. সময় হয়ে গেলে খামিরটিকে দুই ভাগে ভাগ করে নিন। এবার বেলন দিয়ে আধা ইঞ্চি বা তার চেয়ে সামান্য কম পুরুত্ব রেখে চারকোনা করে রুটি বেলে নিন।
  4. একটি ধারালো ছুরি দিয়ে রুটিটিকে প্রথমে লম্বা লম্বা ফালি করে কাটুন, তারপর আড়াআড়ি কেটে আঙুলের মতো বা খোরমার আকৃতিতে (ছোট ও লম্বাটে) কেটে নিন।
  5. কড়াইতে পর্যাপ্ত তেল মাঝারি আঁচে গরম করুন। তেল মাঝারি গরম হলে কেটে রাখা খোরমাগুলো ছাড়ুন এবং মৃদু থেকে মাঝারি আঁচে সময় নিয়ে উল্টে-পাল্টে সোনালি ও মচমচে করে ভেজে তুলুন। ভাজা খোরমাগুলো তেল ঝরিয়ে একটি পাত্রে রাখুন।
  6. এবার অন্য একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি ও আধা কাপ পানি একসাথে মিশিয়ে চুলায় দিন। চিনি গলে গিয়ে যখন বুদবুদ উঠবে এবং এক তারের ঘন ও আঠালো শিরা তৈরি হবে, তখন চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিন।
  7. গরম ঘন শিরার মধ্যে আগে থেকে ভেজে রাখা খোরমাগুলো ঢেলে দিন এবং অনবরত নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই চিনি শুকিয়ে খোরমার গায়ে সাদা হয়ে জমে যাবে। তখন চুলা বন্ধ করে খোরমাগুলো নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।
পূর্ণাঙ্গ ঠাণ্ডা হওয়ার পর মচমচে খোরমা পরিবেশন করুন অথবা কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন