বিষয়বস্তুতে চলুন

কাঁচা কলা ভাজি

উইকিবই থেকে
কাঁচা কলা ভাজি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ বাঙ্গালী রান্না
পরিবেশন ৫ জন
তৈরির সময় ৩০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা গরম ভাতের সাথে দারুণ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর কাঁচা কলা ভাজি।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

কাঁচা কলা ভাজি

কাঁচা কলা ভাজি স্বাস্থ্যকর এবং দ্রুত তৈরি করা যায়। এটি ডাল-ভাতের সাথে খুব মানানসই।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপকরণ
কাঁচা কলা ২-৩টি (মাঝারি আকারের)
পেঁয়াজ কুচি ১টি (মাঝারি)
রসুন কুচি ২-৩ কোয়া (বাটা ১/২ চা চামচও ব্যবহার করতে পারেন)
কাঁচা মরিচ ২-৩টি (ফালি করা, অথবা স্বাদমতো)
শুকনা মরিচ ১-২টি (ফোড়নের জন্য, ঐচ্ছিক)
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো ১/২ চা চামচ (ঐচ্ছিক)
সর্ষের তেল/সয়াবিন তেল ২-৩ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
ধনে পাতা কুচি ১ টেবিল চামচ (সাজানোর জন্য, ঐচ্ছিক)

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে কাঁচা কলার খোসা ভালো করে ছাড়িয়ে নিন। কলার খোসা ছাড়ানোর সময় হাতে তেল মেখে নিলে বা গ্লাভস পরে নিলে কালো দাগ পড়বে না।
  2. খোসা ছাড়ানো কলাগুলো মাঝারি আকারের পাতলা ফালি করে বা ছোট কিউব করে কেটে নিন।
  3. কেটে রাখা কলাগুলো সাথে সাথে লবণ ও সামান্য হলুদ মেশানো পানিতে ৫-১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন, এতে কলার কষ চলে যাবে এবং কলা কালো হবে না। এরপর পানি ঝরিয়ে নিন।
  4. একটি কড়াই বা প্যানে তেল গরম করুন।
  5. তেল গরম হলে যদি ব্যবহার করতে চান, তাহলে শুকনা মরিচ হালকা ভেজে তুলে নিন।
  6. এবার পেঁয়াজ কুচি এবং রসুন কুচি দিয়ে হালকা সোনালী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
  7. পেঁয়াজ-রসুন ভাজা হয়ে এলে হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো (যদি ব্যবহার করেন) এবং সামান্য পানি দিয়ে মসলা হালকা কষিয়ে নিন।
  8. মসলা কষানো হলে কেটে রাখা কাঁচা কলা এবং কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে দিন।
  9. স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন।
  10. ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দিতে হবে যেন তলায় লেগে না যায়।
  11. যদি খুব বেশি শুকনো মনে হয়, তাহলে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিতে পারেন, তবে সাধারণত কলার নিজস্ব আর্দ্রতাতেই সেদ্ধ হয়ে যায়।
  12. কাঁচা কলা পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
  13. কাঁচা কলা সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনা তুলে ফেলুন। এবার আঁচ বাড়িয়ে দিন এবং অনবরত নেড়েচেড়ে ভাজুন যতক্ষণ না কলাগুলো হালকা বাদামী হয়ে আসে এবং ভাজি ঝরঝরে হয়।
  14. ভাজি হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। চাইলে ধনে পাতা কুচি দিতে পারেন।
গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার কাঁচা কলা ভাজি।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • কাঁচা কলার ভাজিতে সামান্য নারকেল কোরা যোগ করলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়।
  • শুকনা মরিচের বদলে কিছু কালো জিরা ফোড়ন দিলে স্বাদ অন্যরকম হয়।