বিষয়বস্তুতে চলুন

কাঁকরোল ভাজি

উইকিবই থেকে
কাঁকরোল ভাজি
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ সবজি
পরিবেশন ৩-৪ জন
তৈরির সময় ২৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

কাঁকরোল ভাজি

কাঁকরোল ভাজি বাংলা অঞ্চলের একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় সবজি রান্না। কাঁকরোল সাধারণত বর্ষাকালে বেশি পাওয়া যায় এবং এটি ভাজি, ভর্তা, ডালনা কিংবা মাছের সঙ্গে রান্না করা হয়ে থাকে। কম মসলা ও সহজ উপকরণে প্রস্তুত এই রান্না দৈনন্দিন খাবারের একটি সাধারণ পদ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁকরোল পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ কিংবা কালোজিরার সঙ্গে ভেজে রান্না করার প্রচলন রয়েছে।

কাঁকরোল ভাজিতে সাধারণত কাঁকরোল পাতলা করে কেটে বা চিরে নেওয়া হয়, যাতে ভাজার সময় এটি দ্রুত নরম ও মুচমুচে হয়ে আসে। কোথাও শুধু হলুদ ও লবণ ব্যবহার করা হয়, আবার কোথাও পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ বা সামান্য চিনি যোগ করে স্বাদে বৈচিত্র্য আনা হয়। গরম ভাতের সঙ্গে এই রান্না খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
নাম উপকরণ
কাঁকরোল ৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
কাঁচা মরিচ কুচি ৪-৫টি
হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ
কালোজিরা আধা চা-চামচ
চিনি এক চিমটি
সর্ষের তেল পরিমাণমতো
লবণ স্বাদমতো

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে কাঁকরোল ভালোভাবে ধুয়ে পাতলা গোল করে কেটে নিন। ইচ্ছা করলে হালকা চিরেও নেওয়া যেতে পারে।
  2. কাঁকরোলের সঙ্গে লবণ, হলুদ গুঁড়া ও সামান্য লাল মরিচ গুঁড়া মেখে ৫-১০ মিনিট রেখে দিন।
  3. কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে কালোজিরা ফোড়ন দিন।
  4. এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে হালকা নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
  5. কাঁচা মরিচ কুচি যোগ করে কিছুক্ষণ নেড়ে নিন।
  6. এবার মাখিয়ে রাখা কাঁকরোল কড়াইয়ে দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন।
  7. মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে সব দিক সমানভাবে ভাজা হয়।
  8. কাঁকরোল নরম ও হালকা মুচমুচে হয়ে এলে এক চিমটি চিনি যোগ করুন।
  9. ভাজি ভালোভাবে হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
সাধারণ উপকরণে প্রস্তুত কাঁকরোল ভাজি বাংলা ঘরোয়া রান্নার একটি পরিচিত সবজি পদ

পুষ্টিগুণ

[সম্পাদনা]

কাঁকরোল একটি আঁশসমৃদ্ধ সবজি হিসেবে পরিচিত। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান বিদ্যমান। অনেকের মতে এটি গরমকালের খাদ্যতালিকায় একটি উপকারী সবজি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই রান্নায় তুলনামূলকভাবে কম মসলা ব্যবহৃত হওয়ায় কাঁকরোলের স্বাভাবিক স্বাদ বজায় থাকে। তবে বেশি তেলে ভাজা হলে ক্যালরির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই পরিমিত তেলে রান্না করা উপযোগী।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]